পোস্টগুলি

বিয়ের গীত লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মেঘ নাই আন্ধাইরা রাত্রি নায়ে আটু পানি

শিল্পী: বাংলা গান মেঘ নাই আন্ধাইরা রাত্রি নায়ে আটু পানি কে কে যাইবা দুলামিয়ার সাথে ফিছন নায়ের পানি। ভাইও যাইব ভাতিজাও যাইব উস্তাদও যাইব সাথে খবরিয়া খবর গো কয় বালির বাপের আগে। তোমার বালির জামাই গো আইছে সুরমা নদীর পারে।। থাকোউক থাকোউক বালির বাপে থাকোউক জামাই সুরমার পারে আগে লইবাম জাতের বিচার শেষে দিবাম গো বিয়া।। আমার না বাপ চাচা জমিদারের বেটা আমার না মা ও চাচী পাঠানের না বেটী তাদের ঘরে লইছে লেখইয়া পণ্ডিত তাদের ঘরে লইছে জন্ম কোরান কিতাবখানি। জষ্টি না আষাঢ় মাসে গাঙ্গে ঢালা পানি ভাসাইয়া না দিবাম সাধু জায়নামাজের পাটি ভাসাইয়া না দিবাম সাধু কোরান কিতাবখানি। কাতি না অগ্রান মাসে গাঙ্গে ভাটি পানি টুকাইয়া না লইবাম সাধু জায়নামাজের পাটি টুকাইয়া না লইবাম সাধু কোরান কিতাবখানি।।

কেওয়ার তলেরে বৈরাতি আলোডুলো করে

শিল্পী: বাংলা গান কেওয়ার তলেরে বৈরাতি আলোডুলো করে চাম্পার তলেরে বৈরাতি আলোডুলো করে আরশের দাদাজীর বাড়ি জায়গা নাই সে মিলে ।। থাকো থাকোরে বৈরাতি আল্লার দিকে চাইয়া কাইল ফজরে দিমু খেইলের নাতিন বিয়া।। ঐ আরশের বাবজীর বাড়ি জায়গা নাই সে মিলে।। থাকো থাকোরে বৈরাতি আল্লার দিকে চাইয়া কাইল ফজরে দিমু খেইলের ঝিয়াই বিয়া।। ঐ আরশের চাচাজীর বাড়ি জায়গা নাই সে মিলে।। থাকো থাকোরে বৈরাতি আল্লার দিকে চাইয়া কাইল ফজরে দিমু খেইলের ভাতিঝি বিয়া।। ঐ

আন তো মরিচের ডাল

শিল্পী: বাংলা গান আন তো মরিচের ডাল বান্ধ আটি আটি মারো তো দামান্দের মারে ছোলাইল বেতের বাড়ি ।। ছোলাইল বেতের বাড়ি খাইয়া পিছে গড়াগড়ি এক দৌড়ে গিয়া উঠে গুয়াউলির বাড়ি গুয়াউলি ভাইরে ভাই বলি তোমারে এক মণ গুয়া দিয়া উদ্ধার কর আমারে। আন তো মরিচের ডাল বান্ধ আটি আটি মারো তো দামান্দের চাচীরে ছোলাইল বেতের বাড়ি।।

আন তো মরিচের ডাল বান্ধ আটি আটি

শিল্পী: বাংলা গান আন তো মরিচের ডাল বান্ধ আটি আটি মারো তো কইন্যার মারে ছোলাইল বেতের বাড়ি ।। ছোলাইল বেতের বাড়ি খাইয়া পিটন গড়াগড়ি এক্কই দৌড়ে গিয়া উঠলা পান উইল্লার বাড়ি পান উইল্লা ভাইরে ভাই বলি তোমারে এক চাটা পান দিয়া বিদায় দেও আমারে। আন তো মরিচের ডাল বান্ধ আটি আটি মারো তো কইন্যার চাচীরে ছোলাইল বেতের বাড়ি।। ছোলাইল বেতের বাড়ি খাইয়া পিটন গড়াগড়ি এক্কই দৌড়ে গিয়া উঠলা গুয়া উইল্লার বাড়ি গুয়া উইল্লা ভাইরে ভাই বলি তোমারে এক ভী গুয়া দিয়া বিদায় দেও আমারে। আন তো মরিচের ডাল বান্ধ আটি আটি মারো তো কইন্যার ভৈনরে ছোলাইল বেতের বাড়ি।। ছোলাইল বেতের বাড়ি খাইয়া পিটন গড়াগড়ি এক্কই দৌড়ে গিয়া উঠলা সাদা উইল্লার বাড়ি সাদা উইল্লা ভাইরে ভাই বলি তোমারে এক গাইট সাদা দিয়া বিদায় দেও আমারে।

ছিলোটিয়া আজিরেনা নাজিরে

শিল্পী: বাংলা গান ছিলোটিয়া আজিরেনা নাজিরে জালিবেতের পাঙ্খারে যে পাঙ্খা হেলিয়া দামান আইৎরারে ।। দয়াল মাইজী কি বা বৈছৈনরে শরবতর গেলাস লইয়ারে বিয়া কইরা আইৎরা আমার জাদুরে।। আইনছি আইনছি মাইজী গো, বড় ঘরের জাদু গো তোমার খেদমতের লাগি গো।। ভৈনাইন কি বা বৈছৈনরে আবের পাঙ্খা লইয়ারে বিয়া কইরা আইনছি ভৈনাইন তোমরার খেলার সাথীরে সেই সাথীরে লইয়া তোমরা ধুলাবালি খেলবায়রে।।

দামান তারা সাত ভাই সাত ঘোড়া ছোয়ারি

শিল্পী: বাংলা গান দামান তারা সাত ভাই সাত ঘোড়া ছোয়ারি একলা ছাবাল দামান চৌদর ছোয়ারি যদি বা দামান পড়রা, পণ্ডিত আছিলাই সাথে করি আনিতা অজু, খড়ম, পানি । আমারো না মাইজী বড় ঘরের জঞ্জালি সুসারিয়া না দিছোইন অজু,খড়ম, পানি। দামান তারা সাত ভাই সাত ঘোড়া ছোয়ারি একলা ছাবাল দামান চৌদর ছোয়ারি যদি বা দামান পড়রা, পণ্ডিত আছিলাই সাথে করি আনিতা জায়নামাজ আর চাটি। আমারো না চাচীজী বড় ঘরের জঞ্জালি সুসারিয়া না দিছোইন জায়নামাজ আর চাটি।

সামছিঙ্গা চিকনকালা দেইখ্যা আইছি জলে গো

শিল্পী: বাংলা গান সামছিঙ্গা চিকনকালা দেইখ্যা আইছি জলে গো আমি আর যাব না এই যমুনার জলে।। চাচা শ্বশুর জিজ্ঞাস করৈন, কলসি কেনে চে’ফা? কলসি কলসি ঠেস লাগাইয়া কলসি অইলো চে’ফা।। আমি আর যাব না জলে গো আর যাব না জলে। শ্বশুর আমার জিজ্ঞাস করৈন, ঘাটে কেনে দেরি? হাত মাঞ্জাইলাম পাও মাঞ্জাইলাম কলসিৎ ভরলাম পানি। আমি আর যাব না জলে গো আর যাব না জলে। শাশুড়ি আমায় জিজ্ঞাস করৈন, পিঠে কেনে ধুলা? চিকন কালায় লাগাল পাইয়া করছে উলা-মেলা। আমি আর যাব না জলে গো আর যাব না জলে।

হরিণ শিকারে যাইতে বা দামান

শিল্পী: বাংলা গান হরিণ শিকারে যাইতে বা দামান মিরগো১ শিকারে যাইতে বা দামান পন্থে সুর শুনোইন, শুনোইন আজব বেলোয়ার কান্দনরে । কিসের লাগি কান্দো গো বিবি কিসের লাগি কান্দো গো বালি আমি কান্দি সাতবোন সতীনের জ্বালায় রে।। আমার সঙ্গে চল গো বিবি আমার সঙ্গে চল গো বালি আমি নিয়া বানাইমু বড় ঘরের সাইবানী গো।। মাইজী বারাইয়া জিজ্ঞাস করৈন কার ঘরের সারো-চুয়ার জোড় ভাঙ্গিয়া আনছোরে? চাচীজী বারাইয়া জিজ্ঞাস করৈন কার ঘরের আরশ-চুয়ার জোড় ভাঙ্গিয়া আনছোরে? না-ও ভাঙ্গি সারো-চুয়ার জোড় গো না-ও ভাঙ্গি আরশ-চুয়ার জোড় গো আমি আনছি মাই-চাচীর খেজমতের লাগিয়া গো।। ১. মিরগো = মৃগ, হরিণ

শানের বান্দিল ঘাটে দেখিয়া আইছি

শিল্পী: বাংলা গান শানের বান্দিল ঘাটে দেখিয়া আইছি বাবাজী গো বেলুয়া গোসল করে অতই সুন্দর বেলুয়া বাবাজী গো আমারে করাও বিয়া। হাতে নাই মোর পয়সা পুৎ হায়রে কি দিয়া করাইতাম বিয়া? মাইজীর জুলাই ভাঙ্গিয়া বাবাজী হায়রে আমারে করাও বিয়া।। শানের বান্দিল ঘাটে দেখিয়া আইছি চাচাজী গো বেলুয়া গোসল করে অতই সুন্দর বেলুয়া গো আমারে করাও বিয়া। হাতে নাই মোর পয়সা ভাতিজা হায়রে কি দিয়া করাইতাম বিয়া? চাচীর জুলাই ভাঙ্গিয়া চাচা হায়রে আমারে করাও বিয়া।। শানের বান্দিল ঘাটে দেখিয়া আইছি ঠাকুভাই গো বেলুয়া গোসল করে অতই সুন্দর বেলুয়া গো ঠাকুভাই গো আমারে করাও বিয়া। হাতে নাই মোর পয়সা ভাইরে কি দিয়া করাইতাম বিয়া? ভাবীর জুলাই ভাঙ্গিয়া ঠাকুভাই গো আমারে করাও বিয়া।।

সিন্তি যে আনিছো আলিমের নওশারে

শিল্পী: বাংলা গান সিন্তি যে আনিছো আলিমের নওশারে তোমার সিন্তির বাজু কেনে টুটা? সিন্তির বদলে আলিমের নওশারে তোমার বাবাজী থইয়া যাও বান্ধা। আমার বাবাজী মাইজীর পিয়ারা বালি, কেমনে থইয়া যাই বান্ধা। গলার হার যে আনিছো আলিমের নওশারে তোমার হারের বাজু কেনে টুটা? গলার হারের বদলে আলিমের নওশারে তোমার চাচীজী থইয়া যাও বান্ধা। আমার চাচীজী, চাচাজীর পিয়ারা বালি, কেমনে থইয়া যাই বান্ধা।

ইন্দিল মন্দিল ঘরে

শিল্পী: বাংলা গান ইন্দিল মন্দিল ঘরে কাজল কোঠা ঘিরিয়া পাশা খেলাইন গো ভাইয়ে ভাবী সাবরে লইয়া ।। তোরও অঙ্গ চাইতে জ্বলে হিয়া কুন বুকে তোর বাবাইজ্যে ধইরা দিছে বিয়া ।। আমারো যে বাবাজী শানে বান্ধা হিয়া কাজীর ঘরো গিয়া কাবিন লৈছৈন লিখিয়া।। তোরও অঙ্গ চাইতে জ্বলে হিয়া কুন বুকে তোর মাইজ্যে ধইরা দিছে বিয়া ।। আমারো যে মাইজী পাষাণে বান্ধা হিয়া সেই বুকে সোনার মাইজীয়ে ধৈরা দিছে বিয়া।।

লালপুর থনি ডাকে দামান্দে উচ্চা গলার সুরে

শিল্পী: বাংলা গান লালপুর থনি ডাকে দামান্দে উচ্চা গলার সুরে নীলপুর থনি ডাকে দামান্দে চিকন গলার সুরে।। রাজার ডাক শুনিয়া বিবি কান্দে ঝারে ঝারে কি লৈয়া যাইতাম আমি রাজার সামনে। ডাইন হাতে লৈইন গো বিবিয়ে ডাব নাইরলের পানি বাম হাতে লৈন গো বিবিয়ে আবের পাঙ্খাখানি।। আইজকে কেনে বিবি গো তোমার ময়লিন মুখখানি আইজকে কেনে বিবি গো তোমার আউলাইল মাথার বেণী।। তোমার মায়ের কথায়রে রাজা আউলাইল মাথার বেণী তোমার ভৈইনের কথায়রে রাজা ময়লিন মুখখানি।। মাইরে দিমু যমে গো বিবি, ভৈনরে পরের অধীনে তোমারে বানাইমু গো বিবি বড় ঘরের মল্লানি তোমারে বানাইমু গো বিবি বড় ঘরের সায়বানি।।

কোথায় ঐ না গেলা গো, ছাওয়াল ঝিয়াইর মা-ও গো

শিল্পী: বাংলা গান কোথায় ঐ না গেলা গো, ছাওয়াল ঝিয়াইর মা-ও গো বার বাংলায় কিসের বাজনা বাজে গো ।। তুমিও শুনছো গো, তুমিও দেখছো গো বার বাংলায় দামান সাইজা আইছে গো।। ঐ কোথায় ঐ না গেলারে বেগার ভাইও রে জলদি কইরা পালকী সাজাও আইয়ারে ছয় মাসের জাদু গো দুধ খাইয়া কোলে শুইয়া গেছে গো।। আগে না কইছিলা গো রাজা দুধের ঝিয়াই দুধে থুইয়া যাইবারে খেইড়ের ঝিয়াই খেইড়ে থুইয়া যাইবারে। কোনখানে দেখছো গো, কোনখানে শুনছো গো বিয়া কইরা খালি নওশা যাইতে গো মাইজী কি বা রৈছৈন গো, পন্থের পানে চাইয়া গো আমার জাদু বিয়া কইরা আইরা গো ভাবী কি বা রৈছৈন গো মাথার কেশ আওলাইয়া গো আমার দেওরাই বিয়া কইরা আইরা গো।।

হাতেতে মেন্দি কপালেতে সিন্তি

শিল্পী: বাংলা গান হাতেতে মেন্দি কপালেতে সিন্তি ও গো রসমতী তোমারে কে পিন্ধাইছৈন মেন্দি।। আমার একজন ভৈনারি, তাইন বড় আউসি তাইন মোরে কুলো লৈয়া পিন্ধাইছৈন মেন্দি। হাতেতে মেন্দি কপালেতে সিন্তি ও গো রসমতী তোমারে কে পিন্ধাইছৈন মেন্দি।। আমার একজন দাদীজী, তাইন বড় আউসি তাইন মোরে কুলো লৈয়া পিন্ধাইছৈন মেন্দি।

কি হইল মোর জলের ঘাটে গিয়া—নাগর বন্ধুয়া

শিল্পী: বাংলা গান কি হইল মোর জলের ঘাটে গিয়া—নাগর বন্ধুয়া কি হইল মোর গলের ঘাটে গিয়া। ঘাটে গেলে আঞ্জন মাঞ্জন ঘরে আইলে কেশের যতন কেশ আউলাইয়া মন করল উতালা—নাগর বন্ধুয়া কি হইল মোর জলের ঘাটে গিয়া। শাশরী ননদের জ্বালায় ঘর বানাইলাম কদম তলায় দখনাইলা বাতাস লাগে গায়—নাগর বন্ধুয়া কি হইল মোর জলের ঘাটে গিয়া। শাশুরী মরিয়া যাউকা ননদীরে বাঘে খাউকা ননদীরে খাইছে লংকার বাঘে—নাগর বন্ধুয়া কি হইল মোর জলের ঘাটে গিয়া। বন্ধুর হাতে টিয়ার ছাও খেওয়া ঘাটে নাই মোর নাও খেওয়ানীরে খাইছে লংকার বাঘে—নাগর বন্ধুয়া কি হইল মোর জলের ঘাটে গিয়া।।

উপরে দিয়া তিরিমিরি কার বাসরে পুশাও সারা রাত

শিল্পী: বাংলা গান উপরে দিয়া তিরিমিরি কার বাসরে পুশাও সারা রাত (২) । রাত্রি তো পুশিয়া যায়, ভর নিশি পুশিয়া যায় (২) । ঐ তোমার বাবাজীর বাড়িতে ঘাটুয়া নাচোয়ায় নাচিছিল সারা রাত। রাত্রি তো পুশিয়া যায়, ভর নিশি পুশিয়া যায় (২) । ঐ তোমার চাচাজীর বাড়িতে বার বাংলায় ভ্রমরায় নাচিছিল সারা রাত। রাত্রি তো পুশিয়া যায়, ভর নিশি পুশিয়া যায় (২) । ঐ আউকা আউকা দয়াল বাবাজী কাইন্দা আর্দাশ করমু তানের টাইন। এমন তামেশার কালে না নিলা নাইওর। রাত্রি তো পুশিয়া যায়, ভর নিশি পুশিয়া যায় (২) । ঐ তোমার বাবাজীর বাড়িতে তামেশা দেখতে দেখতে পড়িল মুখের ঘাম। তোমার দাদাজীর ক্ষমতা নাইদো বালি পাংখামেরা দিতা নওশার গায়। রাত্রি তো পুশিয়া যায়, ভর নিশি পুশিয়া যায় (২) । ঐ

কমরের কাঁটাগুলি খুলিয়া

শিল্পী: বাংলা গান কমরের কাঁটাগুলি খুলিয়া দামান রাজা যাইন বাঁশের তলে রে ভ্রমরা। বাছিয়া বাছিয়া কাটৈন দামান রাজা বেতুয়া বাঁশের জররে১ আরে ভ্রমরা। হাতে দামান্দে ফারৈন বেত দাঁতে তুলৈন বেতরে ভ্রমরা এমন পাংখা বানাইলা দামান্দে পাংখার কিনারে লেখিয়া দিলারে আ’শা-আ’শির২ জোড়ারে আরে ভ্রমরা। এমন পাংখা বানাইলা দামান্দে পাংখার কিনারে লেখিয়া দিলারে মুরগা-মুরগির জোড়ারে আরে ভ্রমরা। সেই না পাংখার জোড়া দেখিয়া কইন্যার বাপে ভাবৈন মনে মনেরে এমন সুন্দর কামেলা পাইলে আমার ঝিয়াই দিমু দানেরে আরে ভ্রমরা। ১. বাঁশের জর = বাঁশের শিখড় বা মূল ২. আ’শা-আ’শি = হাঁসা-হাঁসি, হংস-হংসী

বাও নাই বাতাসও নাই দামান চৌদল কেনে ই’লে

শিল্পী: বাংলা গান বাও নাই বাতাসও নাই দামান চৌদল কেনে ই’লে১ লাখ টেকার মতির ঝাঝর বা দামান চৌদলের উপরে। মাইজী বারাইয়া নিষেধ করৈন বাচা না যাইও পূর্বদিকে পূর্বের ডাকুনীয়ে পাইলে বাচা রাখিব তোমারে। কাইরা২ নিব হাতের বাঁশি বা দামান ছিরব৩ গলার মালা। চাচীজী বারাইয়া নিষেধ করৈন বাচা না যাইও দক্ষিণদিকে দক্ষিণের যুগিনীয়ে পাইলে বাচা রাখিব তোমারে কাইরা২ নিব হাতের বাঁশি বা দামান ছিরব৩ গলার মালা। ভৈনে বারাইয়া নিষেধ করৈন, ভইধন না যাইও উত্তরে উত্তরের ভুতে পাইলে রাখিব তোমারে কাইরা২ নিব হাতের বাঁশি বা দামান ছিরব৩ গলার মালা। রাত্রি প্রভাত অ’ইলে৪ আইও মাইজীর কুলে৫ ১. ই’লে = হিলে ২. কাইরা = কাইড়া, কেড়ে ৩. ছিরব = ছিড়বে ৪. অ’ইলে = হইলে ৫. কুলে = কোলে

ডালা নারে ডালা আমার কাঞ্চল গাছের ডালা

শিল্পী: বাংলা গান ডালা নারে ডালা আমার কাঞ্চল গাছের ডালা সকল ডালারে দিছো বিয়া বারা আর কাছে আমি ডালারে দিছো বিয়া সাত ডাকাতের মুলুকে ও মায়া গো সাত ডাকাতের মুলুকে—(২) ।। মা-র পেডের ভাই যায়, ও মায়া; ফির‍্যা ফির‍্যা চায় চাচার ঘরের ভাই যায়, ও মায়া; উড়াল বৈঠা বায়।। কাল শ্বশুর নু ঘরে আছে, ও মায়া গো কাল শ্বশুর ঘরে শ্বশুররে বুঝাইও, ও ঝি-ধন অজুর পানি দিয়া কাল শশুরী ঘরে আছে ও মায়া কাল শশুরী ঘরে শশুরীরে বুঝাইও, ও ঝি-ধন কোলের ছাইলা দিয়া কাল দেওরা যে ঘরে আছে ও মায়া কাল দেওরা ঘরে দেওরারে যে বুঝাইও, ও ঝি-ধন মুখের হাসি দিয়া কাল ননদী ঘরে আছে ও মায়া কাল ননদী ঘরে ননদীরে বুঝাইও, ও ঝি-ধন কুযের শাড়ি দিয়া ও মায়া গো কুযের শাড়ি দিয়া।। কাল স্বামী নু ঘরে আছে, ও মায়া কাল স্বামী যে ঘরে স্বামীরে বুঝাইও ঝি-ধন হৃদয়ের আদর দিয়া ও ঝি-ধন হৃদয়ের আদর দিয়া।। (২) [কাঞ্চল- কাঞ্চন, মায়া- মা ]

হাতে ঐ না জোড় মেন্দি কপালে সিন্তি

শিল্পী: বাংলা গান হাতে ঐ না জোড় মেন্দি কপালে সিন্তি ও গো রসমতি, কে পিন্দাইল মেন্দি? আমার যে ভাবীসা’ব, তাইন বড় আউসিয়া তাইন আমারে কুলে লইয়া মেন্দি দিছৈন পিন্দাইয়া।। আমার যে ভাবীসা’ব, তাইন বড় রঙ্গিলা তাইন আমারে কুলে লইয়া মেন্দি দিছৈন পিন্ধাইয়া।