পোস্টগুলি

কে জি মোস্তফা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন

শিল্পী: কে জি মোস্তফা গীতিকার: কে জি মোস্তফা, সুরকার: রবীন ঘোষ, [–হ্যালো, কাকে চাই? —তোমাকে! —আপনি, আপনি কে? —সেই আমি…] আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন কপোলের কালো তিল পড়বে চোখে ফুটবে যখন ফুল বকুল শাখে ভ্রমর যে এসেছিল জানবে লোকে ॥ [—কী বলছেন আপনি? —বুঝতে পারছ না? ] মনটি তোমার কেন দুরু দুরু কাঁপছে মনের মানুষ কি গো চেনা চেনা লাগছে তুমি কি তারে কাছে ডাকবে? হৃদয়ের কাছে সে রয় অলখে হঠাৎ যখন তুমি দেখবে তাকে শরমে নয়ন কি গো রাখবে ঢেকে ॥ [—কিছু বলছ না যে? —কী বলব!] জানি না এখন তুমি কার কথা ভাবছ আনমনে কার ছবি চুপিচুপি আঁকছ তুমি কি তারে ভালোবাসবে? ধরা যদি দেয় সে এক পলকে দেখবে যখন তারে অবাক চোখে দুহাতে নয়ন কি গো রাখবে ঢেকে ॥* নাচের পুতুল (৮ জানুয়ারি ১৯৭১) * সংলাপ : শবনম, রাজ্জাক।

এ কী চঞ্চলতায় মন ভরেছে

শিল্পী: কে জি মোস্তফা গীতিকার: কে জি মোস্তফা, সুরকার: আনোয়ার উদ্দীন খান, এ কী চঞ্চলতায় মন ভরেছে দুচোখে কেন রং লেগেছে আমি জানি না, আমি বুঝি না ॥ এ মন যারে ডাকে সে দূরে দূরে থাকে সে ধরা কেন দেয় না কেন কাছে আমারে সে টানে না।। আজ মধুর মধুর কেন লাগছে আহা গানের পাখিরা যেন ডাকছে। এ কার ছোঁয়া মনে লাগে ক্ষণে ক্ষণে সে চেনা কি অচেনা কী যে বলে আভাসে এ দখিনা।। মায়ার সংসার (২২ আগস্ট ১৯৬৯)

দেখে এলাম রূপমহলে

শিল্পী: কে জি মোস্তফা গীতিকার: কে জি মোস্তফা, সুরকার: আনোয়ার উদ্দীন খান, দেখে এলাম রূপমহলে মজার ছবি এক চলছে ইস্টার আজাদে গাড়ি করে মিস্টার বেগম সাহেব নিয়ে চলছে ॥ শাবিস্তান আর নিশাতে জোনাকি মধুমিতাতে হাউসফুল দেখে এলাম যায় ডায়ানা কো কো কোরিনা ॥ মুন লায়নে তাজমহলে নাজে আর নাগরমহলে ট্যাকনিকালার ফাইটিং পিকচার চলে। গুলিস্তান আর বলাকায় টেডি বয় মর্নিং শো-তে যায় দুটাকা ষাট পয়সা দাও না ভাবি ও ভাবি, প্যারে ভাবি, ভাবি নেহি, তু মেরি মা হ্যায়, প্যারে ভাবি ॥ মায়ার সংসার (২২ আগস্ট ১৯৬৯)

রংধনু রঙে আঁকা আগুনে আবির মাখা

শিল্পী: কলিম শরাফী, গীতিকার: কে জি মোস্তফা, সুরকার: ননী চ্যাটার্জি, রংধনু রঙে আঁকা আগুনে আবির মাখা এ কী তৃষা গোধূলির প্রান্তে সন্ধ্যার লাল মেঘে কার কথা আছে লেগে আমায় কি দেবে নাকো জানতে ॥ কী অবুঝ মায়া ঐ দূর চাঁদিমায় কী আকুল প্ৰীতি ঐ নীল নীলিমায় জীবনের এত আশা বুকভরা ভালোবাসা দখিনা কি পারে নাকো আনতে এ কী তৃষা গোধূলির প্রান্তে ॥ গোধূলির প্রেম (২১ মে ১৯৬৫)

ও কৃষ্ণচূড়া রূপের আগুন ছড়িয়ে দিল

শিল্পী: কে জি মোস্তফা গীতিকার: কে জি মোস্তফা, সুরকার: রবীন ঘোষ, ও কৃষ্ণচূড়া রূপের আগুন ছড়িয়ে দিল আহা এ কোন সুরে আমার এ মন ভরিয়ে দিল রঙে রঙে পাপড়ি খুলে রাঙিয়ে দিল আহা এ কোন মাতাল ছন্দে আমায় দুলিয়ে দিল ॥ এ কোন দোলা মনে আমার হৃদয়ে কত যে আশা জাগায় এ কোন লাজে নয়ন আমার পুলকে আড়ালে লুকাতে চায় ॥ মনে মনে দোলা লাগে ছোঁয়া লাগে অনুরাগে, ভালো লাগে। এ কোন বাঁশি ডাকে আমায় কী জানি শরমে কহিতে চায় এ কোন মায়াটানে আমায় অলখে বাঁধনে জড়াতে চায় ॥ নতুন সুর (১৬ নভেম্বর ১৯৬২)

কে স্মরণের প্রান্তরে চুপিচুপি ছোঁয়া দিয়ে যায়

শিল্পী: আঞ্জুমান আরা বেগম, গীতিকার: কে জি মোস্তফা, সুরকার: রবীন ঘোষ, কে স্মরণের প্রান্তরে চুপিচুপি ছোঁয়া দিয়ে যায় কে বিরহীর অন্তরে বারে বারে দোলা দিয়ে যায় ॥ সুরে সুরে কেন তারে, ডাকি ওগো প্রাণ ভরে জানি নাকো হায় সে কোথায় তারই লাগি সারা বেলা, তবু আমি গাঁথি মালা সে যে মোরে ব্যথা দিয়ে যায় ॥ একা একা বসে থাকা বাতায়ন খুলে মনের আগুন নিভে নাকো শুধু আঁখিজলে। আমি শুধু দিশাহারা, খুঁজে কারে হব সারা বলো নাকো হায় সে কোথায় সে কি শুধু মৃগতৃষা, পাব নাকো তার দিশা তবু আমি ছুটি কী আশায় ॥ নতুন সুর (১৬ নভেম্বর ১৯৬২)

তুমি আছ কাছে

শিল্পী: কে জি মোস্তফা গীতিকার: কে জি মোস্তফা, সুরকার: রবীন ঘোষ, তুমি আছ কাছে চাঁদ বুঝি তাই লুকাল মেঘের মাঝে তুমি আছ পাশে ফুল হাসে তাই গোপন মধুর লাজে ॥ ছন্দভরা তারাগুলো কতই জাদু জানে স্বপ্নভরা দুটি প্রাণে কীসের ছোঁয়া আনে দুটি হিয়া চুপিচুপি কত কথা বলে যায় ॥ তুমি আছ পাশে লাজে মধু হাসে তাই বুঝি মোর প্রেম নিশি জেগে আছে তাই বুঝি এই ক্ষণ সুরে সুরে ভরে যায়। গন্ধভরা দখিনাতে কতই নেশা জাগে কণ্ঠভরা গানে গানে কীসের দোলা লাগে দুটি হিয়া চুপিচুপি কত কথা বলে যায় ॥ নতুন সুর (১৬ নভেম্বর ১৯৬২)