পোস্টগুলি

নচিকেতা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

যদি হঠাত আবার দেখা হয় দুজনার

শিল্পী: নচিকেতা যদি হঠাৎ আবার দেখা হয় দুজনার- কোন পথের বাঁকে, বহু কাজের ফাঁকে, শুধু জানতে চাইবো আজও মনে আছে কি মনে আছে কি স্মৃতি, নাকি দিয়েছে ফাঁকি সেই চেনা সুর যা গাইতাম একই সাথে- চালো সাজনা যাহাতাক ঘাটা চালে… সেদিনের রাজপথ, পথভোলা জেনে বুঝে, অবিরাম হেঁটে যাওয়া নির্জনতার খোঁজে- সেই ধর্মতলা, ধূলো আর ধোঁয়ামাখা, ভাল না লাগার মাঝে তবু কত ভাল লাগা- আজ কোন নির্জনে, বলো কি আপনমনে ভাল ছিল দিনগুলো কোলাহল আঁকা- শুধু জানতে চাইবো চোখ জলে ভরে কি শুনে আকুল হয় কি ঐ মনপাখি সেই চেনা সুর যা গাইতাম একই সাথে- চালো সাজনা যাহাতাক ঘাটা চালে… আজ কত নীতিকথা, শাসনের বেড়াজাল, ভুলিয়ে দিয়েছে আজ সেই স্মৃতি উত্তাল একদিন যে হৃদয় আকাশকে ছুঁতে চায় আজ মুখ ঢাকে সম্বল চার দেয়াল- আজ কি নোঙর তুলে স্রোতের অনুকূলে ভাসিয়ে দিয়েছো নাও ছেঁড়া যার পাল শুধু জানতে চাইবো মন আজও আঁকে কি স্বপ্নের রঙে রাঙা স্বরলিপি সেই চেনা সুর যা গাইতাম একই সাথে- চালো সাজনা যাহাতাক ঘাটা চালে… ——————————– নচিকেতা

অনির্বান – ১

শিল্পী: নচিকেতা অনির্বান আমার বন্ধু , অনির্বানের সাথে যখন আমার দ্বিতীয়বার দেখা হয়েছিলো তখন সময়টা ছিলো বড় অদ্ভুত। আমরা হাইওয়ের উপর দিয়ে অনেকদুরে একটা অনুষ্ঠান করতে যাচ্ছি, লাল আকাশ , সন্ধ্যে হয়ে আসছে , দু’পাশে ফাঁকা মাঠ । আমরা চা খাবো বলে গাড়িটা দাড় করিয়েছি একটা বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মত চায়ের দোকানে। এমন সময় দেখতে পেলাম লাল আকাশকে পেছনে রেখে একটা ছেলে মাঠ পার হয়ে আমার দিকে এগিয়ে আসছে। আমার সামনে এসে দাড়িয়ে বললো – চিনতে পারছিস ? আমি বললাম – না ! বললো – ভালো করে দেখ । আমি সেই চুরি যাওয়া আলোতে ওকে চিনলাম , আমার বন্ধু অনির্বান । আমার চোখের সামনে পুরোনো দিনগুলো ছায়াছবির মত ভেসে উঠছে। আমি ওকে প্রশ্ন করলাম – অনির্বান , তুই এখানে !! ও বললো – তাইতো কথা ছিলো বন্ধু , আমাদের তো এখানেই থাকার কথা ছিলো । আমার পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে । আমি খুব বোকার মত ওকে প্রশ্ন করলাম – অনির্বান কি করছিস এখন ? ও বললো – যা কথা ছিলো বন্ধু , মানুষের মাঝখানেই আছি । আমি আর দাড়িয়ে থাকতে পারছিনা , একটা অপরাধবোধ আমাকে গ্রাস করছে । ও বললো – তোর দেরি হয়ে যাচ্ছে । আমি গাড়িতে যেয়ে বসলাম । ও জানলার কাছে এসে বললো – এখন তো তোর...

অ্যাম্বিশন (কেউ হতে চায় ডাক্তার, কেউ বা ইঞ্জিনিয়ার)

শিল্পী: নচিকেতা কেউ হতে চায় ডাক্তার, কেউ বা ইঞ্জিনিয়ার, কেউ হতে চায় ব্যবসায়ী কেউ বা ব্যারিস্টার, কেউ চায় বেচতে রূপোয় রূপের বাহার চুলের ফ্যাশান। আমি ভবঘুরেই হব, এটাই আমার অ্যাম্বিশন। ঠকানোই মূল মন্ত্র, আজকের সব পেশাতে, পিছপা নয় বিধাতাও, তেলেতে জল মেশাতে। ডাক্তার ভুলছে শপথ, ঘুশ খায় ইঞ্জিনিয়ার, আইনের ব্যবচ্ছেদে, ডাক্তার সাজে মোক্তার। যদি চাও সফলতা, মেনে নাও এই সিস্টেম, ফেলে দাও শ্রোতের মুখে, আদর্শ বিবেক ও প্রেম। এ সমাজ মানবে তোমায়, গাইবে তোমারই জয়গান। আমি কোনে বাউল হব, এটাই আমার অ্যাম্বিশন। বড় যদি চাইবে হতে, সেখানেও লোক ঠকানো। সতভাবে বাঁচো বাঁচাও, একথা লোক ঠকানো। সতভাবে যাবে বাঁচা, বড় হওয়া যাবে নাকো। শুধু কথা না শুনে, বড়দের দেখেই শেখ। এ সবই থাক তোমাদের, আমি বড় চাই না হতে, ধুলো মাখা পথই আমার, তুমি চোড়ো জয়োরথে। শত লাঞ্ছণা দিও, কোরো আমায় অসম্মান। তবু আমি বোকাই হব, এটাই আমার অ্যাম্বিশন। কেউ হতে চায় ডাক্তার, কেউ বা ইঞ্জিনিয়ার, কেউ হতে চায় ব্যবসায়ী, কেউ বা ব্যারিস্টার, কেউ চায় বেচতে রূপোয়, রূপের বাহার চুলের ফ্যাশান। আমি ভবঘুরেই হব, এটাই আমার অ্যাম্বিশন। আমি কোনে ব...

চোর

শিল্পী: নচিকেতা ভিড় করে ইমারত, আকাশটা ঢেকে দিয়ে, চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনা রোদ। ছোটো ছোটো শিশুদের শৈশব চুরি ক’রে, গ্রন্থ-কীটের দল বানায় নির্বোধ। এরপর চুরি গেলে বাবুদের ব্রীফ-কেস অথবা গৃহিণীদের সোনার নেকলেস, সকলে সমস্বরে, একরাশ ঘৃণা ভরে চিত্কার করে বলে — চোর, চোর, চোর, চোর, চোর। প্রতিদিন চুরি যায় মূল্যবোধের সোনা, আমাদের স্বপ্ন, আমাদের চেতনা। কিছুটা মূল্য পেয়ে ভাবি বুঝি শোধ-বোধ, ন্যায় নীতি ত্যাগ করে, মানুষ আপোস ক’রে, চুরি গেছে আমাদের সব প্রতিরোধ। এর পর কোনো রাতে, চাকরটা অজ্ঞাতে, সামান্য টাকা নিয়ে ধরা প’ড়ে হাতে নাতে। সকলে সমস্বরে, একরাশ ঘৃণা ভরে চিত্কার করে বলে — চোর, চোর, চোর, চোর, চোর। প্রতিদিন চুরি যায় দিন বদলের আশা, প্রতিদিন চুরি যায় আমাদের ভালবাসা। জীবনী শক্তি চুরি গিয়ে আসে নিরাশা, সংঘাত্ প্রতিঘাত্ দেয়ালে দেয়ালে আঁকা, তবু চুরি যায় প্রতিবাদের ভাষা। কখনো বাজারে গেলে, দোকানী কিশোর ছেলে, কাঁপা কাঁপা হাত নিয়ে, ওজনেতে কম দিলে, সকলে সমস্বরে, একরাশ ঘৃণা ভরে চিত্কার করে বলে — চোর, চোর, চোর, চোর, চোর।

নীলাঞ্জনা (দুলছে হাওয়ায়)

শিল্পী: নচিকেতা দুলছে হাওয়ায় , না না না ফুল নয় দখিনা বাতাসে নাগপাশে সময় নয়। খোলা বারান্দায়, এই নিরজনতায় সিলিংয়ের বন্ধনে, মাটির ব্যাবধানে দুলছে স্খলিত বসনা নীলাঞ্জনা নীলাঞ্জনা ।। প্রেমিকের স্পর্শ আনবেনা শিহরন আর ঐ মনে, কেয়ার অফ ফুটপাত নচিকেতা দুটি হাত শূণ্যে ছুড়বে ফাঁকা আস্ফালনে, উড়ছে মাছি , না না না অবুঝ নয় সে আজ একা তাই ঘিরে মাছিরা রয় । খোলা বারান্দায়, এই নিরজনতায় সিলিংয়ের বন্ধনে, মাটির ব্যাবধানে দুলছে স্খলিত বসনা নীলাঞ্জনা নীলাঞ্জনা ।। লাশকাটা ঘরে যদি ছেরা হয় তার বুক সঙ্গোপনে, দেখবে সেখানে রাখা বিবর্ণ একমুঠো স্বপ্ন যতনে । যে স্বপ্ন কোন কিশোরের দেয়া উপহার গানের ভাষায় , যে স্বপ্ন প্রথাগত মিথ্যে কপট সংসারের আশায়। এখন সময় না না না রাত্রি নয় সে আজি জীবনরাত্রি পেরিয়ে গেছে হায় । খোলা বারান্দায়, এই নিরজনতায় সিলিংয়ের বন্ধনে, মাটির ব্যাবধানে দুলছে স্খলিত বসনা নীলাঞ্জনা নীলাঞ্জনা ।। —————————- কথা, সুর ও শিল্পি : নচিকেতা

বৃদ্ধাশ্রম (ছেলে আমার মস্ত মানুষ, মস্ত অফিসার)

শিল্পী: নচিকেতা ছেলে আমার মস্ত মানুষ, মস্ত অফিসার মস্ত ফ্ল্যাটে যায় না দেখা এপার ওপার। নানান রকম জিনিস আর আসবাব দামী দামী সবচেয়ে কম দামী ছিলাম একমাত্র আমি। ছেলের আমার আমার প্রতি অগাধ সম্ভ্রম আমার ঠিকানা তাই বৃদ্ধাশ্রম! আমার ব্যবহারের সেই আলমারি আর আয়না ওসব নাকি বেশ পুরনো, ফ্ল্যাটে রাখা যায় না। ওর বাবার ছবি, ঘড়ি-ছড়ি, বিদেয় হলো তাড়াতাড়ি ছেড়ে দিলো, কাকে খেলো, পোষা বুড়ো ময়না। স্বামী-স্ত্রী আর আ্যালসেশিয়ান – জায়গা বড়ই কম আমার ঠিকানা তাই বৃদ্ধাশ্রম! নিজের হাতে ভাত খেতে পারতো নাকো খোকা বলতাম আমি না থাকলে কী করবি রে বোকা? ঠোঁট ফুলিয়ে কাঁদতো খোকা আমার কথা শুনে- খোকা বোধ হয় আর কাঁদে না, নেই বুঝি আর মনে। ছোট্টবেলায় স্বপ্ন দেখে উঠতো খোকা কেঁদে দু’হাত দিয়ে বুকের কাছে রেখে দিতাম বেঁধে দু’হাত আজো খুঁজে, ভুলে যায় যে একদম- আমার ঠিকানা এখন বৃদ্ধাশ্রম! খোকারও হয়েছে ছেলে, দু’বছর হলো তার তো মাত্র বয়স পঁচিশ, ঠাকুর মুখ তোলো। একশো বছর বাঁচতে চাই এখন আমার সাধ পঁচিশ বছর পরে খোকার হবে ঊনষাট। আশ্রমের এই ঘরটা ছোট, জায়গা অনেক বেশি- খোকা-আমি দু’জনেতে থাকবো পাশাপাশি। সেই দিনটার স্বপ্ন দেখ...

ভয়

শিল্পী: নচিকেতা ডাইনে বাঁয়ে, গঞ্জে গাঁয়ে, পুরানো অথবা নতুন অধ্যায়ে, বিশৃংখলা যতই বাড়ুক, গণতন্ত্র রাষ্ট্র যন্ত্র দুচোখ বুজে রয়, ভ’হয় ! ভ’হয় ! ভ’হয় ! ভয় ! পাছে ভোট নষ্ট হয়। পড়াশুনা আর ভাবনা চিন্তা, নাচছে শীকেয় – তা ধিন্ ধিন্ তা ! বিরাশি প্রহর সংকীর্তন, মাইকে প্রবল চিত্কার। রাষ্ট্র হেসে বলেন – এ যে গণতান্ত্রিক অধিকার। শব্ দ দূশণ প্রতিকার, সে তো বিজ্ঞাপনের কথা ভবিষ্তের কথায় নেই কারোর মাথাব্যথা। আসলে, হাজারটা লোক, হোতাদের ভোট, রয়েছে ধর্ম ময়। ভ’হয় ! ভ’হয় ! ভ’হয় ! ভয় ! পাছে ভোট নষ্ট হয়। শহরের এক কোণে বেড়ে চলে অন্ধকারের চক্র, সমীজ-বিরোধী, মাস্তান, ফোড়ে, একতা ওদের অস্ত্র। ওদেরই তো দেখি ভোটের সময়, নানান রঙের রাঙানো জামায়, রাষ্ট্র তখন প্রাণপনে ভোলে ওদের পরিচয়। তাই ভয় ! ভয় ! ভহ’য় ! ভয় ! পাছে ভোট নষ্ট হয়।

সরকারি কর্মচারী

শিল্পী: নচিকেতা বারোটায় অফিস আসি, দুটোয় টিফিন। তিনটেয়ে যদি দেখি সিগন্যাল গ্রীন, চটিটা গলিয়ে পায়ে, নিপাট নির্দ্বিধায় চেয়ারটা কোনোমতে ছাড়ি। কোনো কথা না বাড়িয়ে, ধীরে ধীরে পা বড়িয়ে চারটেয় চলে আসি বাড়ি। আমি সরকারি কর্মচারী। আমি সরকারি কর্মচারী। আমি অফিসেতে বসে বসে আনন্দলোক পড়ি, টাডা থেকে ছাড়া পেল সঞ্জয়। আর টেবিলেতে ফাইল এসে জমে জমে দূর থেকে মনে হয় হিমালয় ! হপ্তায় হপ্তায় আন্দোলনের খেলা, টি-এ, ডি-এ বাড়ানোর জন্য। ফি মাসে মাসে যদি এক দিনও কাজ করি, অফিসটা হয়ে যায় ধন্য। কারো ফাইল পাস্ করে নির্লজ্জের মতো হাতখানা পেতে দিতে পারি। আমি সরকারি কর্মচারী। আমি সরকারি কর্মচারী। (মা, মাগো, জগত্ জননী, অন্নদায়িনী মা আমার রক্ষা কোরো ! ) ঘুশ আমার ধর্ম ঘুশ আমার কর্ম ঘুশ নিতে কি শংসয় ? প্রকাশ্যে চুমু খাওয়া এই দেশে অপরাধ ঘুশ খাওয়া কখনই নয়। তাই কারো ফইল পাস্ করে নির্লজ্জের মত হাত খানা পেতে দিতে পারি। আমি সরকারি কর্মচারী। আমি সরকারি কর্মচারী।

সারে যাঁহা সে আচ্ছা

শিল্পী: নচিকেতা আমার পরিচয় – বেকার যুবক আমি, সম্বল একটাই দৈন্য। ডিগ্রির ভাঁড়ারেতে তবু কিছু মাল আছে, পকেটের ভাঁড়ারটা শুন্য। যেদিকেই তাকাই না, দেখি জন-অরণ্য, সে অরণ্যেই দেখি মানুষেরা পণ্য, বধুকে পোড়ানো হয়, অধর্ম জয়ী হয়, মানুষের রক্তে দিনলিপি সই হয় । হাস্পাতালের বেডে টিবি রোগীর সাথে খেলা করে শুয়োরের বাচ্চা। তবু রেডিওটা টিভিটার সাথে সুর ধরে – সারে যাঁহা সে আচ্ছা। লাঞ্ছনা গঞ্জনা মাখা অভিযোজনে রপ্ত করেছি নিজেকে, অসত্ হবার বহু বহু প্রচেষ্টায়, ব্যর্থ করেছি নিজেকে। চাকরির স্ন্ধানে সুখতলা খয়ে যায়,গঙ্গার জল তবু একই ভাবে বয়ে যায়, ঘুশ্, ঘুশ্,ঘুশের এক ঘুস-ঘুসে জ্বরে, গোটা দেশ চিত্কার করে ডাকে ’ডাক্তার’, ডাক্তার উড়ে আসে ঋণের অষুধ নিয়ে, গঙ্গার পুজো হয় গঙ্গার জল দিয়ে। বছরের অন্তে, বাজেটের যন্ত্রে পিশে দেই জীবনটা, গচ্চা। তবু রেডিওটা টিভিটার সাথে সুর ধরে – সারে যাঁহা সে আচ্ছা। প্রার্থির যোগ্যতা অথবা অভিজ্ঞতা, এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের দীনতা, কোনো কিছুই কোনো কিছুকেই ঢাকে না। আর, ’লোক’ অথবা ’বিধান’ যে দিকেই তাকান, রাজনিতিজ্ঞ হতে যোগ্যতা লাগে না। হাজার প্রতিশ্রুতি বাতাসেই বয়ে যায়, ’চলছে ...

একদিন স্বপ্নের দিন

ছবি
একদিন স্বপ্নের দিন একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণ বিহীন একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণ বিহীন এ জীবনে যেন আসে এমনই স্বপ্নের দিন একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণ বিহীন এ জীবনে যেন আসে এমনই স্বপ্নের দিন সেই ভাবনায়, ভাবি মনে হয় দু’টি নয়নেতে ঘোর বর্ষা নামে সেই ভাবনায়, ভাবি মনে হয় দু’টি নয়নেতে ঘোর বর্ষা নামে আসে না ফাগুন, মনেতে আগুন আসে না ফাগুন, মনেতে আগুন এমন বিরহ জ্বালায়, স্মৃতির মেলায় কাটেনা আর দিন একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণ বিহীন একদিন স্বপ্নের দিন একদিন হঠাৎ হাওয়া থামিয়ে আসা যাওয়া প্রশ্নের জাল বুনে শুরু হয় চাওয়া-পাওয়া আজ শুধু পথ চাওয়া বিরহের গান গাওয়া ভাবনার নদী বুকে উজানেতে তরী বাওয়া শুধু সেই গান ভোলে অভিমান চোখে অকারণ, ঘোর বর্ষা নামে শুধু সেই গান ভোলে অভিমান চোখে অকারণ, ঘোর বর্ষা নামে আসে না ফাগুন, মনেতে আগুন আসে না ফাগুন, মনেতে আগুন এমন বিরহ জ্বালায়, স্মৃতির মেলায় কাটেনা আর দিন একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণ বিহীন একদিন স্বপ্নের দিন যদি এ পথ ধরে আমার এ মনের ঘরে চিঠি হয়ে অগোচরে আসে কেউ চুপিসারে চাঁদের ঐ আলো হয়ে আসো মোর ভাঙা ঘরে দেখা যায়, যায়না ছোঁয়া যেন গান চাপা স্ব...

একদিন স্বপ্নের দিন

ছবি
একদিন স্বপ্নের দিন একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণ বিহীন একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণ বিহীন এ জীবনে যেন আসে এমনই স্বপ্নের দিন একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণ বিহীন এ জীবনে যেন আসে এমনই স্বপ্নের দিন সেই ভাবনায়, ভাবি মনে হয় দু'টি নয়নেতে ঘোর বর্ষা নামে সেই ভাবনায়, ভাবি মনে হয় দু'টি নয়নেতে ঘোর বর্ষা নামে আসে না ফাগুন, মনেতে আগুন আসে না ফাগুন, মনেতে আগুন এমন বিরহ জ্বালায়, স্মৃতির মেলায় কাটেনা আর দিন একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণ বিহীন একদিন স্বপ্নের দিন একদিন হঠাৎ হাওয়া থামিয়ে আসা যাওয়া প্রশ্নের জাল বুনে শুরু হয় চাওয়া-পাওয়া আজ শুধু পথ চাওয়া বিরহের গান গাওয়া ভাবনার নদী বুকে উজানেতে তরী বাওয়া শুধু সেই গান ভোলে অভিমান চোখে অকারণ, ঘোর বর্ষা নামে শুধু সেই গান ভোলে অভিমান চোখে অকারণ, ঘোর বর্ষা নামে আসে না ফাগুন, মনেতে আগুন আসে না ফাগুন, মনেতে আগুন এমন বিরহ জ্বালায়, স্মৃতির মেলায় কাটেনা আর দিন একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণ বিহীন একদিন স্বপ্নের দিন যদি এ পথ ধরে আমার এ মনের ঘরে চিঠি হয়ে অগোচরে আসে কেউ চুপিসারে চাঁদের ঐ আলো হয়ে আসো মোর ভাঙা ঘরে ...

একদিন স্বপ্নের দিন

ছবি
শিল্পী: নচিকেতা একদিন স্বপ্নের দিন একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণ বিহীন একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণ বিহীন এ জীবনে যেন আসে এমনই স্বপ্নের দিন একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণ বিহীন এ জীবনে যেন আসে এমনই স্বপ্নের দিন সেই ভাবনায়, ভাবি মনে হয় দু'টি নয়নেতে ঘোর বর্ষা নামে সেই ভাবনায়, ভাবি মনে হয় দু'টি নয়নেতে ঘোর বর্ষা নামে আসে না ফাগুন, মনেতে আগুন আসে না ফাগুন, মনেতে আগুন এমন বিরহ জ্বালায়, স্মৃতির মেলায় কাটেনা আর দিন একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণ বিহীন একদিন স্বপ্নের দিন একদিন হঠাৎ হাওয়া থামিয়ে আসা যাওয়া প্রশ্নের জাল বুনে শুরু হয় চাওয়া-পাওয়া আজ শুধু পথ চাওয়া বিরহের গান গাওয়া ভাবনার নদী বুকে উজানেতে তরী বাওয়া শুধু সেই গান ভোলে অভিমান চোখে অকারণ, ঘোর বর্ষা নামে শুধু সেই গান ভোলে অভিমান চোখে অকারণ, ঘোর বর্ষা নামে আসে না ফাগুন, মনেতে আগুন আসে না ফাগুন, মনেতে আগুন এমন বিরহ জ্বালায়, স্মৃতির মেলায় কাটেনা আর দিন একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণ বিহীন একদিন স্বপ্নের দিন যদি এ পথ ধরে আমার এ মনের ঘরে চিঠি হয়ে অগোচরে আসে কেউ চুপিসারে চাঁদের ঐ আলো হয়ে ...

একদিন স্বপ্নের দিন

ছবি
শিল্পী: নচিকেতা একদিন স্বপ্নের দিন একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণ বিহীন একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণ বিহীন এ জীবনে যেন আসে এমনই স্বপ্নের দিন একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণ বিহীন এ জীবনে যেন আসে এমনই স্বপ্নের দিন সেই ভাবনায়, ভাবি মনে হয় দু'টি নয়নেতে ঘোর বর্ষা নামে সেই ভাবনায়, ভাবি মনে হয় দু'টি নয়নেতে ঘোর বর্ষা নামে আসে না ফাগুন, মনেতে আগুন আসে না ফাগুন, মনেতে আগুন এমন বিরহ জ্বালায়, স্মৃতির মেলায় কাটেনা আর দিন একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণ বিহীন একদিন স্বপ্নের দিন একদিন হঠাৎ হাওয়া থামিয়ে আসা যাওয়া প্রশ্নের জাল বুনে শুরু হয় চাওয়া-পাওয়া আজ শুধু পথ চাওয়া বিরহের গান গাওয়া ভাবনার নদী বুকে উজানেতে তরী বাওয়া শুধু সেই গান ভোলে অভিমান চোখে অকারণ, ঘোর বর্ষা নামে শুধু সেই গান ভোলে অভিমান চোখে অকারণ, ঘোর বর্ষা নামে আসে না ফাগুন, মনেতে আগুন আসে না ফাগুন, মনেতে আগুন এমন বিরহ জ্বালায়, স্মৃতির মেলায় কাটেনা আর দিন একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণ বিহীন একদিন স্বপ্নের দিন যদি এ পথ ধরে আমার এ মনের ঘরে চিঠি হয়ে অগোচরে আসে কেউ চুপিসারে চাঁদের ঐ আলো হয়ে ...

আমি মুখ্যু-সুখ্যু মানুষ

আমি   মুখ্যু – সুখ্যু   মানুষ কথা ,  সুর   ও   কণ্ঠ :  নচিকেতা অ্যালবাম :  মুখোমুখি  ( ২০০৩ ) আমি   মুখ্যু – সুখ্যু   মানুষ   বাবু কিছুই   জানি   না। এই   এদেশের   রঙ   তামাশা   কিছুই   বুঝি   না। আজকে   যিনি   দক্ষিণেতে   কালকে   তিনি   বামের আজকে   যিনি   তেরঙ্গাতে   কাল   ভক্ত   রামের। কে   যে   কখন   কার   পেছনে বুঝি   না   কে   খাঁটি আসলে   সবাই   সবার   পেছনেতে সবার   হাতেই   কাঠি ! কথায়   কথায়   ধর্মঘট   আর   সবাই   ধর্মঘটি অধার্মিকের   ধর্মজ্ঞানে ,  স্লোগান   আর   স্লোগানে – গোলক   ধাঁধায়   ঘুরে   আমার   হারিয়ে   গেছে   ঘটি ! মন্ত্রীরা   সব   হারামজাদা আস্ত   বদের   ধাড়ি ,  তুড়ুক   নাচে ,  মন্ত্রিসভা   এখন   বাঈজী   বাড়ি। আজকে ...

আমি মুখ্যু-সুখ্যু মানুষ

শিল্পী: নচিকেতা আমি মুখ্যু – সুখ্যু মানুষ কথা , সুর ও কণ্ঠ : নচিকেতা অ্যালবাম : মুখোমুখি ( ২০০৩ ) আমি মুখ্যু – সুখ্যু মানুষ বাবু কিছুই জানি না। এই এদেশের রঙ তামাশা কিছুই বুঝি না। আজকে যিনি দক্ষিণেতে কালকে তিনি বামের আজকে যিনি তেরঙ্গাতে কাল ভক্ত রামের। কে যে কখন কার পেছনে বুঝি না কে খাঁটি আসলে সবাই সবার পেছনেতে সবার হাতেই কাঠি ! কথায় কথায় ধর্মঘট আর সবাই ধর্মঘটি অধার্মিকের ধর্মজ্ঞানে , স্লোগান আর স্লোগানে – গোলক ধাঁধায় ঘুরে আমার হারিয়ে গেছে ঘটি ! মন্ত্রীরা সব হারামজাদা আস্ত বদের ধাড়ি , তুড়ুক নাচে , মন্ত্রিসভা এখন বাঈজী বাড়ি। আজকে যিনি কয়লা মন্ত্রী কালকে তিনি শিক্ষা , তাই , কয়লাকালো শিক্ষা নিয়ে মানুষ করে ভিক্ষা। আর মানুষ শালাও মাথা মোটা , ভোট দিতে যায় নেচে দেশের মানুষ তো কোন ছার মন্ত্রী গুলো কুলাঙ্গার ভালো দাম পেলে এরা বাপকেও দেবে বেচে !

আমি মুখ্যু-সুখ্যু মানুষ

আমি   মুখ্যু - সুখ্যু   মানুষ কথা ,  সুর   ও   কণ্ঠ :  নচিকেতা অ্যালবাম :  মুখোমুখি  ( ২০০৩ ) আমি   মুখ্যু - সুখ্যু   মানুষ   বাবু কিছুই   জানি   না। এই   এদেশের   রঙ   তামাশা   কিছুই   বুঝি   না। আজকে   যিনি   দক্ষিণেতে   কালকে   তিনি   বামের আজকে   যিনি   তেরঙ্গাতে   কাল   ভক্ত   রামের। কে   যে   কখন   কার   পেছনে বুঝি   না   কে   খাঁটি আসলে   সবাই   সবার   পেছনেতে সবার   হাতেই   কাঠি ! কথায়   কথায়   ধর্মঘট   আর   সবাই   ধর্মঘটি অধার্মিকের   ধর্মজ্ঞানে ,  স্লোগান   আর   স্লোগানে - গোলক   ধাঁধায়   ঘুরে   আমার   হারিয়ে   গেছে   ঘটি ! মন্ত্রীরা   সব   হারামজাদা আস্ত   বদের   ধাড়ি ,  তুড়ুক   নাচে ,  মন্ত্রিসভা   এখন   বাঈজী ...

আমি মুখ্যু-সুখ্যু মানুষ

শিল্পী: নচিকেতা আমি মুখ্যু – সুখ্যু মানুষ কথা , সুর ও কণ্ঠ : নচিকেতা অ্যালবাম : মুখোমুখি ( ২০০৩ ) আমি মুখ্যু – সুখ্যু মানুষ বাবু কিছুই জানি না। এই এদেশের রঙ তামাশা কিছুই বুঝি না। আজকে যিনি দক্ষিণেতে কালকে তিনি বামের আজকে যিনি তেরঙ্গাতে কাল ভক্ত রামের। কে যে কখন কার পেছনে বুঝি না কে খাঁটি আসলে সবাই সবার পেছনেতে সবার হাতেই কাঠি ! কথায় কথায় ধর্মঘট আর সবাই ধর্মঘটি অধার্মিকের ধর্মজ্ঞানে , স্লোগান আর স্লোগানে – গোলক ধাঁধায় ঘুরে আমার হারিয়ে গেছে ঘটি ! মন্ত্রীরা সব হারামজাদা আস্ত বদের ধাড়ি , তুড়ুক নাচে , মন্ত্রিসভা এখন বাঈজী বাড়ি। আজকে যিনি কয়লা মন্ত্রী কালকে তিনি শিক্ষা , তাই , কয়লাকালো শিক্ষা নিয়ে মানুষ করে ভিক্ষা। আর মানুষ শালাও মাথা মোটা , ভোট দিতে যায় নেচে দেশের মানুষ তো কোন ছার মন্ত্রী গুলো কুলাঙ্গার ভালো দাম পেলে এরা বাপকেও দেবে বেচে !

বৃদ্ধাশ্রম

ছেলে আমার মস্ত মানুষ মস্ত অফিসার মস্ত ফ্ল্যাটে যায়না দেখা এপার ওপার (x2) নানান রকম জিনিস আর আসবাব দামী দামী সবচে কম দামী ছিলাম একমাত্র আমি। ছেলের আমার, আমার প্রতি অগাধ সম্ভ্রম আমার ঠিকানা তাই বৃদ্ধাশ্রম। আমার ব্যবহারের সেই আলমারি আর আয়না ও সব নাকি বেশ পুরনো ফ্লাটে রাখা যায় না (x2) ওর বাবার ছবি ঘড়ি ছড়ি বিদেয় হল তাড়াতাড়ি ছেড়ে দিলো কাকে খেল পোষা বুড়ো ময়না। স্বামী স্ত্রী আর আলসেসিয়ান জায়গা বড়ই কম আমার ঠিকানা তাই বৃদ্ধাশ্রম। নিজে হাতে ভাত খেতে পারতো না খোকা বলতাম আমি না থাকলে রে কি করবি বোকা ঠোট ফুলিয়ে কাঁদত খোকা আমার কথা শুনে খোকা বোধহয় আর কাঁদেনা নেই বুঝি আর মনে ছোট্ট বেলায় স্বপ্ন দেখে উঠত খোকা কেঁদে দুহাত দিয়ে বুকের কাছে রেখে দিতাম বেঁধে। দুহাত আজো খোঁজে ভুলে যায়যে একদম আমার ঠিকানা এখন বৃদ্ধাশ্রম। খোকারও হয়েছে ছেলে দুবছর হল আরতো মাত্র বছর পঁচিশ ঠাকুর মুখ তোল একশ বছর বাঁচতে চাই এখন আমার ষাট পচিশ বছর পরে খোকার হবে উনষাট আশ্রমের এই ঘরটা ছোট জায়গা অনেক বেশি খোকা আমি দুজনেতে থাকবো পাশাপাশি সেই দিনটার স্বপ্ন দেখি ভীষণ রকম মুখোমুখি আমি খোকা আর বৃদ্ধাশ্রম মুখোমুখি আমি খোকা আ...

বৃদ্ধাশ্রম

ছেলে আমার মস্ত মানুষ মস্ত অফিসার মস্ত ফ্ল্যাটে যায়না দেখা এপার ওপার (x2) নানান রকম জিনিস আর আসবাব দামী দামী সবচে কম দামী ছিলাম একমাত্র আমি। ছেলের আমার, আমার প্রতি অগাধ সম্ভ্রম আমার ঠিকানা তাই বৃদ্ধাশ্রম। আমার ব্যবহারের সেই আলমারি আর আয়না ও সব নাকি বেশ পুরনো ফ্লাটে রাখা যায় না (x2) ওর বাবার ছবি ঘড়ি ছড়ি বিদেয় হল তাড়াতাড়ি ছেড়ে দিলো কাকে খেল পোষা বুড়ো ময়না। স্বামী স্ত্রী আর আলসেসিয়ান জায়গা বড়ই কম আমার ঠিকানা তাই বৃদ্ধাশ্রম। নিজে হাতে ভাত খেতে পারতো না খোকা বলতাম আমি না থাকলে রে কি করবি বোকা ঠোট ফুলিয়ে কাঁদত খোকা আমার কথা শুনে খোকা বোধহয় আর কাঁদেনা নেই বুঝি আর মনে ছোট্ট বেলায় স্বপ্ন দেখে উঠত খোকা কেঁদে দুহাত দিয়ে বুকের কাছে রেখে দিতাম বেঁধে। দুহাত আজো খোঁজে ভুলে যায়যে একদম আমার ঠিকানা এখন বৃদ্ধাশ্রম। খোকারও হয়েছে ছেলে দুবছর হল আরতো মাত্র বছর পঁচিশ ঠাকুর মুখ তোল একশ বছর বাঁচতে চাই এখন আমার ষাট পচিশ বছর পরে খোকার হবে উনষাট আশ্রমের এই ঘরটা ছোট জায়গা অনেক বেশি খোকা আমি দুজনেতে থাকবো পাশাপাশি সেই দিনটার স্বপ্ন দেখি ভ...

বৃদ্ধাশ্রম

শিল্পী: নচিকেতা ছেলে আমার মস্ত মানুষ মস্ত অফিসার মস্ত ফ্ল্যাটে যায়না দেখা এপার ওপার (x2) নানান রকম জিনিস আর আসবাব দামী দামী সবচে কম দামী ছিলাম একমাত্র আমি। ছেলের আমার, আমার প্রতি অগাধ সম্ভ্রম আমার ঠিকানা তাই বৃদ্ধাশ্রম। আমার ব্যবহারের সেই আলমারি আর আয়না ও সব নাকি বেশ পুরনো ফ্লাটে রাখা যায় না (x2) ওর বাবার ছবি ঘড়ি ছড়ি বিদেয় হল তাড়াতাড়ি ছেড়ে দিলো কাকে খেল পোষা বুড়ো ময়না। স্বামী স্ত্রী আর আলসেসিয়ান জায়গা বড়ই কম আমার ঠিকানা তাই বৃদ্ধাশ্রম। নিজে হাতে ভাত খেতে পারতো না খোকা বলতাম আমি না থাকলে রে কি করবি বোকা ঠোট ফুলিয়ে কাঁদত খোকা আমার কথা শুনে খোকা বোধহয় আর কাঁদেনা নেই বুঝি আর মনে ছোট্ট বেলায় স্বপ্ন দেখে উঠত খোকা কেঁদে দুহাত দিয়ে বুকের কাছে রেখে দিতাম বেঁধে। দুহাত আজো খোঁজে ভুলে যায়যে একদম আমার ঠিকানা এখন বৃদ্ধাশ্রম। খোকারও হয়েছে ছেলে দুবছর হল আরতো মাত্র বছর পঁচিশ ঠাকুর মুখ তোল একশ বছর বাঁচতে চাই এখন আমার ষাট পচিশ বছর পরে খোকার হবে উনষাট আশ্রমের এই ঘরটা ছোট জায়গা অনেক বেশি খোকা আমি দুজনেতে থাকবো পাশাপাশি সেই দিনটার স্বপ্ন দেখি ভীষণ রকম মুখোমু...