Posts

Showing posts from May, 2020

গেলো পশুর মতন সারা জনম

Image
গেলো পশুর মতন সারা জনম যা মনে লয় তাই করি। কালের চাকার তালে তালে ফাল পাড়ি।। অন্তর বোঝাই লোভ লালসা দয়া মায়া কিছুই নাই ওরে ছলে বলে কল কৌশলে পরের মাইয়া ঘরে পাই করি তার সতিত্ব হরন হইয়া পশুরই মতন আমি দিয়া পীর আলি বচন ওলি আল্লার জাত মারি। কালের চাকার তালে তালে ফাল পাড়ি।।। ওরে চেনা জানা ভন্ড আমি সব লোকে জানে শয়তান ধোকা বাজি ফটকা বাজি পীর ধরেছি সাত আট খান দিয়া গুন্ডামি চালান হইছি কতই অপমান ভুলে ডাকে বাজান বাজান তার পরে জুতার বাড়ি কালের চাকার তালে তালে ফাল পাড়ি।। আমার যতো ভক্তবৃন্দ কোনো সালায় ভালানা ওরে গরু ছাগল চুরি কইরা সাইজা বইছে মাওলানা ওরে ভন্ড পীর আলি আমার মাল গুদাম খালি জীবন গেলো তালিবালি কয়দিন চলে ঝাঁক মারি কালের চাকার তালে তালে ফাল পাড়ি।। বাতের বেরাম নাইরে আরাম তার ওপরে হাপানি ওরে ক্যাপসুল বড়ি খাইতে খাইতে শরীরে নামছে পানি এখন ঘনো বহে শ্বাস এই দেহের নাই বিশ্বাস আমার দিনে দিনে দেহ বিনাস কয় দিন চলে ঝাঁক মারি। কালের চাকার তালে তালে ফাল পাড়ি।। মাতাল রাজ্জাকে কয় তেল ফুরাইছে নিবা যাইতে চায় বাতি ওরে জমকরা গলে পড়া ভাবছে রশিদ বয়াতি ...

গেলো পশুর মতন সারা জনম

Image
গেলো পশুর মতন সারা জনম যা মনে লয় তাই করি। কালের চাকার তালে তালে ফাল পাড়ি।। অন্তর বোঝাই লোভ লালসা দয়া মায়া কিছুই নাই ওরে ছলে বলে কল কৌশলে পরের মাইয়া ঘরে পাই করি তার সতিত্ব হরন হইয়া পশুরই মতন আমি দিয়া পীর আলি বচন ওলি আল্লার জাত মারি। কালের চাকার তালে তালে ফাল পাড়ি।।। ওরে চেনা জানা ভন্ড আমি সব লোকে জানে শয়তান ধোকা বাজি ফটকা বাজি পীর ধরেছি সাত আট খান দিয়া গুন্ডামি চালান হইছি কতই অপমান ভুলে ডাকে বাজান বাজান তার পরে জুতার বাড়ি কালের চাকার তালে তালে ফাল পাড়ি।। আমার যতো ভক্তবৃন্দ কোনো সালায় ভালানা ওরে গরু ছাগল চুরি কইরা সাইজা বইছে মাওলানা ওরে ভন্ড পীর আলি আমার মাল গুদাম খালি জীবন গেলো তালিবালি কয়দিন চলে ঝাঁক মারি কালের চাকার তালে তালে ফাল পাড়ি।। বাতের বেরাম নাইরে আরাম তার ওপরে হাপানি ওরে ক্যাপসুল বড়ি খাইতে খাইতে শরীরে নামছে পানি এখন ঘনো বহে শ্বাস এই দেহের নাই বিশ্বাস আমার দিনে দিনে দেহ বিনাস কয় দিন চলে ঝাঁক মারি। কালের চাকার তালে তালে ফাল পাড়ি।। মাতাল রাজ্জাকে কয় তেল ফুরাইছে নিবা যাইতে চায় বাতি ওরে জমকরা গলে পড়া ভাবছে রশিদ বয়াতি তর সামনে যে কয়দিন বড়ই কঠিন আজ মরিলে কালকে...

গেলো পশুর মতন সারা জনম

Image
গেলো পশুর মতন সারা জনম যা মনে লয় তাই করি। কালের চাকার তালে তালে ফাল পাড়ি।। অন্তর বোঝাই লোভ লালসা দয়া মায়া কিছুই নাই ওরে ছলে বলে কল কৌশলে পরের মাইয়া ঘরে পাই করি তার সতিত্ব হরন হইয়া পশুরই মতন আমি দিয়া পীর আলি বচন ওলি আল্লার জাত মারি। কালের চাকার তালে তালে ফাল পাড়ি।।। ওরে চেনা জানা ভন্ড আমি সব লোকে জানে শয়তান ধোকা বাজি ফটকা বাজি পীর ধরেছি সাত আট খান দিয়া গুন্ডামি চালান হইছি কতই অপমান ভুলে ডাকে বাজান বাজান তার পরে জুতার বাড়ি কালের চাকার তালে তালে ফাল পাড়ি।। আমার যতো ভক্তবৃন্দ কোনো সালায় ভালানা ওরে গরু ছাগল চুরি কইরা সাইজা বইছে মাওলানা ওরে ভন্ড পীর আলি আমার মাল গুদাম খালি জীবন গেলো তালিবালি কয়দিন চলে ঝাঁক মারি কালের চাকার তালে তালে ফাল পাড়ি।। বাতের বেরাম নাইরে আরাম তার ওপরে হাপানি ওরে ক্যাপসুল বড়ি খাইতে খাইতে শরীরে নামছে পানি এখন ঘনো বহে শ্বাস এই দেহের নাই বিশ্বাস আমার দিনে দিনে দেহ বিনাস কয় দিন চলে ঝাঁক মারি। কালের চাকার তালে তালে ফাল পাড়ি।। মাতাল রাজ্জাকে কয় তেল ফুরাইছে নিবা যাইতে চায় বাতি ওরে জমকরা গলে পড়া ভাবছে রশিদ বয়াতি তর সামনে যে কয়দিন বড়ই কঠিন আজ মরিলে কালকে...

ধর্মের গৌরব করি

Image
শিল্পী: মাতাল কবি রাজ্জাক দেওয়ান কথা, সুর, শিল্পী: মাতাল কবি রাজ্জাক দেওয়ান ওরে সত্য কথার ধার ধারি না আমরা মিথ্যা কথার ছিগলি ছাড়ি ধর্মের গৌরব করি বড় ধর্মের গৌরব করি। সত্য কথার ধার ধারি না সত্য কথার ধার ধারি না মিথ্যা কথার ছিগলি ছাড়ি ধর্মের গৌরব করি বড় ধর্মের গৌরব করি। আমাদের ইসলামী আদর্শ যাহা, মূলে কেউ করিনা তাহা, মুখে মুখে সবাই আহা, ইসলাম দাবী করি।। রাত্র ভরা ঘুম আসে না কুচিন্তাতে মরি আমরা রাত্র ভরা ঘুম আসে না কুচিন্তাতে মরি। ওরে সকালে উঠিয়া আমি সকালে উঠিয়া আমি ভাইয়ের মাথায় দিব বারি। ধর্মের গৌরব করি আমরা ধর্মের গৌরব করি। সত্য কথার ধার ধারি না সত্য কথার ধার ধারি না মিথ্যা কথার ছিগলি ছাড়ি ধর্মের গৌরব করি আমরা ধর্মের গৌরব করি।। আমি দেখেছি ঢাকার শহরে, যুবতীরা টেড়ি পরে, যার তার সাথে ঘুরিয়া ফিরে, মনের দুঃখে মরি।। তারা কোঁচা দিয়া পিন্দে শাড়ী হাতে লাগায় ঘড়ি; ভোলা মন মনরে আমার কোঁচা দিয়া পিন্দে শাড়ী হাতে লাগায় ঘড়ি। বাবা! এই কি রে ইসলামী বিধান এই কি রে ইসলামী বিধান মাইয়ায় করে দোকানদারী। ধর্মের গৌরব করি আমরা ধর্মের গৌরব করি। আজক...

ধর্মের গৌরব করি

Image
কথা, সুর, শিল্পী: মাতাল কবি রাজ্জাক দেওয়ান ওরে সত্য কথার ধার ধারি না আমরা মিথ্যা কথার ছিগলি ছাড়ি ধর্মের গৌরব করি বড় ধর্মের গৌরব করি। সত্য কথার ধার ধারি না সত্য কথার ধার ধারি না মিথ্যা কথার ছিগলি ছাড়ি ধর্মের গৌরব করি বড় ধর্মের গৌরব করি। আমাদের ইসলামী আদর্শ যাহা, মূলে কেউ করিনা তাহা, মুখে মুখে সবাই আহা, ইসলাম দাবী করি।। রাত্র ভরা ঘুম আসে না কুচিন্তাতে মরি আমরা রাত্র ভরা ঘুম আসে না কুচিন্তাতে মরি। ওরে সকালে উঠিয়া আমি সকালে উঠিয়া আমি ভাইয়ের মাথায় দিব বারি। ধর্মের গৌরব করি আমরা ধর্মের গৌরব করি। সত্য কথার ধার ধারি না সত্য কথার ধার ধারি না মিথ্যা কথার ছিগলি ছাড়ি ধর্মের গৌরব করি আমরা ধর্মের গৌরব করি।। আমি দেখেছি ঢাকার শহরে, যুবতীরা টেড়ি পরে, যার তার সাথে ঘুরিয়া ফিরে, মনের দুঃখে মরি।। তারা কোঁচা দিয়া পিন্দে শাড়ী হাতে লাগায় ঘড়ি; ভোলা মন মনরে আমার কোঁচা দিয়া পিন্দে শাড়ী হাতে লাগায় ঘড়ি। বাবা! এই কি রে ইসলামী বিধান এই কি রে ইসলামী বিধান মাইয়ায় করে দোকানদারী। ধর্মের গৌরব করি আমরা ধর্মের গৌরব করি। আজকাল ঘরে ঘরে ফকির বেটা মাথায় রেখে লম্বা জটা চিমটা হাতে কপনি আটা তারা নাম ফলায় ফ...

ধর্মের গৌরব করি

Image
কথা, সুর, শিল্পী: মাতাল কবি রাজ্জাক দেওয়ান ওরে সত্য কথার ধার ধারি না আমরা মিথ্যা কথার ছিগলি ছাড়ি ধর্মের গৌরব করি বড় ধর্মের গৌরব করি। সত্য কথার ধার ধারি না সত্য কথার ধার ধারি না মিথ্যা কথার ছিগলি ছাড়ি ধর্মের গৌরব করি বড় ধর্মের গৌরব করি। আমাদের ইসলামী আদর্শ যাহা, মূলে কেউ করিনা তাহা, মুখে মুখে সবাই আহা, ইসলাম দাবী করি।। রাত্র ভরা ঘুম আসে না কুচিন্তাতে মরি আমরা রাত্র ভরা ঘুম আসে না কুচিন্তাতে মরি। ওরে সকালে উঠিয়া আমি সকালে উঠিয়া আমি ভাইয়ের মাথায় দিব বারি। ধর্মের গৌরব করি আমরা ধর্মের গৌরব করি। সত্য কথার ধার ধারি না সত্য কথার ধার ধারি না মিথ্যা কথার ছিগলি ছাড়ি ধর্মের গৌরব করি আমরা ধর্মের গৌরব করি।। আমি দেখেছি ঢাকার শহরে, যুবতীরা টেড়ি পরে, যার তার সাথে ঘুরিয়া ফিরে, মনের দুঃখে মরি।। তারা কোঁচা দিয়া পিন্দে শাড়ী হাতে লাগায় ঘড়ি; ভোলা মন মনরে আমার কোঁচা দিয়া পিন্দে শাড়ী হাতে লাগায় ঘড়ি। বাবা! এই কি রে ইসলামী বিধান এই কি রে ইসলামী বিধান মাইয়ায় করে দোকানদারী। ধর্মের গৌরব করি আমরা ধর্মের গৌরব করি। আজকাল ঘরে ঘরে ফকির বেটা মাথায় রেখে লম্বা জটা চিমটা হাতে কপনি আটা তারা নাম ফলায় ফ...

আমি লাজে মরি কিযে করি

Image
আমি লাজে মরি কিযে করি গলায় দড়ি দিয়া বিপদে পইড়াছি বড় বাউল গান শিখিয়া আমি লাজে মরি । ভেবেছিলাম গানের জগৎ খুবই একটা ভাল আমি গান শিখিবো বাউল হব জ্বালবো জ্ঞানের আলো দেখলাম বাউল হইয়া গানে গিয়া কপাল বড় পোড়া এই গান গাইয়া বেড়ায় ইতর ফাতরা যারা আমি লাজে মরি । সাধু মহৎ বাউল ছিলো,যত জ্ঞানী গুনি পালাইয়া গেছে তারা গানে নামছে খুনি ওরা গায়ের জোরে মুরুব্বিরে করে অপমান কথায় কথায় তুইলা বহে হাদিস আর কোরআন আমি লাজে মরি । ঢিলাঢোলা পান্জাবী গায় মাথায় লম্বা চুল নিজেরে পরিচয় দেয় সে মস্ত এক বাউল শেষে বায়না লইয়া গানে গিয়া আন্তাজে গান তুলি নিজে খায় জোতার বারি তার মা বাপ শুনে গালি আমি লাজে মরি । কেউ ক্যাসেটে দুলাভাই কেউ হইয়াছে শালি কেউ সাজিলো সুজন বাইদ্দা কারো মাথায় চুরির ঢালি কেহ নানা হইলো জড়ায়ইলো নাতিনেরে গিয়া দিলো বাউলের কপালে কালি এই সব ক্যাসেট দিয়া আমি লাজে মরি । গান না শিখিয়া কিছু মাইয়া গানের সুযোগ নিয়া বছরে বছরে বহে সাত আট খান বিয়া কেহ স্বামী হারা খাইছে ধরা রাখছে উপ স্বামী আবার কেহ স্বামী থুইয়াই করতেছে ভন্ডামী আমি লাজে মরি । মান্...

আমি লাজে মরি কিযে করি

Image
আমি লাজে মরি কিযে করি গলায় দড়ি দিয়া বিপদে পইড়াছি বড় বাউল গান শিখিয়া আমি লাজে মরি । ভেবেছিলাম গানের জগৎ খুবই একটা ভাল আমি গান শিখিবো বাউল হব জ্বালবো জ্ঞানের আলো দেখলাম বাউল হইয়া গানে গিয়া কপাল বড় পোড়া এই গান গাইয়া বেড়ায় ইতর ফাতরা যারা আমি লাজে মরি । সাধু মহৎ বাউল ছিলো,যত জ্ঞানী গুনি পালাইয়া গেছে তারা গানে নামছে খুনি ওরা গায়ের জোরে মুরুব্বিরে করে অপমান কথায় কথায় তুইলা বহে হাদিস আর কোরআন আমি লাজে মরি । ঢিলাঢোলা পান্জাবী গায় মাথায় লম্বা চুল নিজেরে পরিচয় দেয় সে মস্ত এক বাউল শেষে বায়না লইয়া গানে গিয়া আন্তাজে গান তুলি নিজে খায় জোতার বারি তার মা বাপ শুনে গালি আমি লাজে মরি । কেউ ক্যাসেটে দুলাভাই কেউ হইয়াছে শালি কেউ সাজিলো সুজন বাইদ্দা কারো মাথায় চুরির ঢালি কেহ নানা হইলো জড়ায়ইলো নাতিনেরে গিয়া দিলো বাউলের কপালে কালি এই সব ক্যাসেট দিয়া আমি লাজে মরি । গান না শিখিয়া কিছু মাইয়া গানের সুযোগ নিয়া বছরে বছরে বহে সাত আট খান বিয়া কেহ স্বামী হারা খাইছে ধরা রাখছে উপ স্বামী আবার কেহ স্বামী থুইয়াই করতেছে ভন্ডামী আমি লাজে মরি । মান্য গন্য নাই আর এখন উল্টা গেছে ধারা চেয়ারে বই...

আমি লাজে মরি কিযে করি

Image
আমি লাজে মরি কিযে করি গলায় দড়ি দিয়া বিপদে পইড়াছি বড় বাউল গান শিখিয়া আমি লাজে মরি । ভেবেছিলাম গানের জগৎ খুবই একটা ভাল আমি গান শিখিবো বাউল হব জ্বালবো জ্ঞানের আলো দেখলাম বাউল হইয়া গানে গিয়া কপাল বড় পোড়া এই গান গাইয়া বেড়ায় ইতর ফাতরা যারা আমি লাজে মরি । সাধু মহৎ বাউল ছিলো,যত জ্ঞানী গুনি পালাইয়া গেছে তারা গানে নামছে খুনি ওরা গায়ের জোরে মুরুব্বিরে করে অপমান কথায় কথায় তুইলা বহে হাদিস আর কোরআন আমি লাজে মরি । ঢিলাঢোলা পান্জাবী গায় মাথায় লম্বা চুল নিজেরে পরিচয় দেয় সে মস্ত এক বাউল শেষে বায়না লইয়া গানে গিয়া আন্তাজে গান তুলি নিজে খায় জোতার বারি তার মা বাপ শুনে গালি আমি লাজে মরি । কেউ ক্যাসেটে দুলাভাই কেউ হইয়াছে শালি কেউ সাজিলো সুজন বাইদ্দা কারো মাথায় চুরির ঢালি কেহ নানা হইলো জড়ায়ইলো নাতিনেরে গিয়া দিলো বাউলের কপালে কালি এই সব ক্যাসেট দিয়া আমি লাজে মরি । গান না শিখিয়া কিছু মাইয়া গানের সুযোগ নিয়া বছরে বছরে বহে সাত আট খান বিয়া কেহ স্বামী হারা খাইছে ধরা রাখছে উপ স্বামী আবার কেহ স্বামী থুইয়াই করতেছে ভন্ডামী আমি লাজে মরি । মান্য গন্য নাই আর এখন উল্টা গেছে ধারা চেয়ারে বই...

ও বন্ধু লাল গোলাপী

ও বন্ধু লাল গোলাপী, ও বন্ধু লাল গোলাপী কই রইলা রে, এসো, এসো বুকে রাখবো তোরে এসো, এসো বুকে রাখবো তোরে (২) তুমি বন্ধু হইলে আমার নাইতো কিছু বাকি চাওয়ার তুমি আমি দু’জন মিলা সাজাইবো সুখের সংসার আরে সাজাইবো সুখের সংসার তোমারে পাইলে সখি, তোমারে পাইলে সখি হইতরে এসো, এসো বুকে রাখবো তোরে এসো, এসো বুকে রাখবো তোরে ফুলশয্যা সাজাইবো, ফুলশয্যা, প্রেম দশা খেলাইবো আমার মনের যত্ত আশা সবি মিটাইবো মিটাইবো, আরে আশা সবি মিটাইবো রাখিব তোরে আমার, রাখিব তোরে আমার আদরে এসো, এসো বুকে রাখবো তোরে এসো, এসো বুকে রাখবো তোরে ।।

মন আমার পাথরের দেয়াল সে এক

মন আমার পাথরের দেয়াল সে এক যত আঘাত কর সব সহ্য করেই যাবে মন আমার তুমি যত দুরে যাও আজীবন তোমাকে ভালবেসে তবু যাবেই কত ভালবাসা তোমার জন্য রাখা সে কথা তুমি যদি জানতে বুক চিরে দেখাতে পারলে লুকিয়ে চোখ তুমিও কানতে। ভালবাসা আমার সুদৃশ্য কাঁচ তো নয় একটু আঘাতে চূর্ণ সে হবেই। এই ভালবাসা গোলাপের পাপড়ি নয় একটু বাতাসে ঝরে কেন যাবে ? ।। কত ভালবাসা তোমার জন্য রাখা সে কথা তুমি যদি জানতে বুক চিরে দেখাতে পারলে লুকিয়ে চোখ তুমিও কানতে। এই ভালবাসা গিটারের শুরে বাঁধা নেওন’এর শুর সে তো তুলে যাবেই। মনের মিছিল এতটা ছোট নয় তোমার সামনে স্লোগান সে দেবেই ।। কত ভালবাসা তোমার জন্য রাখা সে কথা যদি তুমি জানতে বুক চিরে দেখাতে পারলে লুকিয়ে চোখ তুমিও কানতে।

পাগল তোর জন্যরে পাগল এ মন পাগল

Image
শিল্পী: বেলাল খান পাগল তোর জন্যরে পাগল এ মন পাগল। মুখে বলি দূরে যা মন বলে থেকে যা দূরে গেলে মন বোঝে তুই কত আপন।। মুখ বলে এই দূরে গেলে তুই বেশী কিছু আর হবে কি মেঘ ঢাকা দিন চলে গেলে দেবে চাঁদ উঁকি রাতে যখন ওঠে চাঁদ ছুঁতে চাই কেন তোরই হাত। সারাক্ষণই যাস ছুঁয়ে তুই আমার এ মন।। মরি ভেবে হায় উথাল পাতাল এই মনের ভেতরে কি আছে কেন এমন হয় দূরে গেলে তুই চাই কাছে নির্ঘুম কেন কাটে রাত কেন শুধু আর্তনাদ। প্রতিদিন কেন তোকে ভেবে এই হৃদয় ক্ষরণ।। মুখে বলি দূরে যা মন বলে থেকে যা। দূরে গেলে মন বোঝে তুই কত আপন পাগল তোর জন্যরে পাগল এ মন পাগল।।

একটি মনের আশীষ তুমি

একটি মনের আশীষ তুমি কাছে যখন এলে। নিলেম তোমায় নিবিড় করে মনের মাঝে তুলে।। মেঘলা চোখের দৃষ্টি তোমার আনলো যে আজ শপথ আবার। চলার পথে আলোর মানিক ছড়িয়ে যেন ফেরে।। ছন্দময়ী বন্ধু বেশে থাকবে তুমি আমার পাশে। চাওয়া পাওয়ার হিসেব কষে নাইবা কিছু দিলে।।

ওগো সোনার মেয়ে যাও গো শুনে

ওগো সোনার মেয়ে যাও গো শুনে মৃদু কাকনের রিনিঝিনি বাজিয়ে এসো কোমল পদভরে আমার কপোলে মৃদু পরশ বুলিয়ে শুধু যাও গো বলে ওগো দুষ্টু ছেলে আমি শুনবো না গো তুমি আমার স্বপনে কেন আস গো চুপি চুপি এসে কভু বলবো না গো সেই গোপন কথাটি যাও যাও গো চলে।। তুমি হেসে হেসে কথা বল যবে মনের গহনে এক মাধুরী জাগে কোন মধুর লাজে আমি চুপটি বসে শরমে লুকায়ে আঁখি অনুরাগে আকূল করা এই ব্যাকুলতা। মনের মাঝারে এলো রঙ ছড়িয়ে প্রিয় যাও গো শুনে, আমি শুনবো না গো তুমি আমার স্বপনে কেন আস গো চুপি চুপি এসে কভু বলবো না গো সেই গোপন কথাটি যাও যাও গো চলে।। অনেক কিছুই তো হলো যে বলা এর চেয়ে বেশী কিছু বলবো না গো আসল কথাটি তো হলো না বলা রাত জাগা চোখে ঘুম আসবে না গো আকূল করা এই ব্যাকুলতা। হৃদয় আমার কেন দিলে রাঙ্গিয়ে ওগো দুষ্টু ছেলে আমি শুনবো না গো তুমি আমার স্বপনে কেন আস গো চুপি চুপি এসে কভু বলবো না গো সেই গোপন কথাটি যাও যাও গো চলে।।

তুমি জানলে না

তুমি জানলে না আমার হাসির আড়ালে কত যন্ত্রণা, কত বেদনা কত যে দুঃখ বোনা ।। পাহাড়ের কান্নাকে ঝর্ণা সবাই বলে সেই ঝর্ণা ধারায় পাহাড় কষ্টের নদী বয়ে চলে আমাকে দেখেছো তুমি দেখনি এই হৃদয় অনিশ্চয়তার আগুনে পুরে হয়ে গেছে তা ক্ষয় এতদিন পাশে থেকেও আহা আহাহা বুঝনি পাথরের নীরবতা তুমি জানলে না। তুমি জানলে না আমার হাসির আড়ালে কত যন্ত্রণা, কত বেদনা কত যে দুঃখ বোনা তুমি জানলে না।।

মাতওয়ালী

মায়াবি মাতওয়ালী চাঁদ রূপওয়ালি হিজাবের আড়ালে কি ঝলক দেখালি [ও মাতওয়ালি কি ঝলক দেখালি তোর রূপের দেওয়াইন্যা বানাইলি] দৃষ্টিতে তোমার আছে যাদু গোলাপ রাঙা ওই ঠোঁটেতে মধু এক দেখাতেই নজর কাড়িলি হিজাবের আড়ালে কি ঝলক দেখালি [ও মাতওয়ালি কি ঝলক দেখালি তোর রূপের দেওয়াইন্যা বানাইলি] পারিনা বোঝাতে এই মন টাকে তোমাকে চাই আপন করে নিতে হিজাবের আড়ালে কি ঝলক দেখালি [ও মাতওয়ালি কি ঝলক দেখালি তোর রূপের দেওয়াইন্যা বানাইলি] ভাবি গো তোমায় দিবা নিশি কেমনে বোঝাই কত ভালবাসি প্রেমে ডুবাই দেওয়াইন্যা বানাইলি হিজাবের আড়ালে কি ঝলক দেখালি [ও মাতওয়ালি কি ঝলক দেখালি তোর রূপের দেওয়াইন্যা বানাইলি]

সবাই বলে যত সর্বনাশের মুল

সবাই বলে যত সর্বনাশের মুল সে নাকি আমারই এই ভ্রমর কাল চুল।। সে চুলে তুললে বাতাস ঢেউ পারে না সইতে বুঝি কেউ। তখনই সাধ নাকি হয়। করতে আবার ভালবাসার ভুল।। সে চুলে বন্দি গহীন রাত সবার তাই স্বপ্ন দেখার সাধ। বুঝি না তাই কী হারাই। সেই আধারে সবার মনের ফুল।।

স্বার্থপর (চলে যদি যাবি দূরে স্বার্থপর)

চলে যদি যাবি দূরে স্বার্থপর আমাকে কেন জোছনা দেখালি হবি যদি নাও ভাসিয়ে দেশান্তর পাথরের বুকে ফুল কেন ফোঁটালি। আমারই সীমানায় সে তো তোর ছায়া সেখানে করে বিচরণ দুঃখের নিবাস রাখিস কি খবর তোর আঘাতেই জমে গেছে নীল আকাশের জমিনে নীল বেদনা।। জানি না কোন প্রহরে হয়েছিলো যে পরিচয় কি পেলাম কি হারালাম সে তো এক সংশয় নীরব এ আড়াল থেকে করেছি যে সব পরিণয় সেই তুমি হারালে ঠিকই সেকি নয় বিষ্ময় আমারই সীমানায় সে তো তোর ছায়া সেখানে করে বিচরণ দুঃখের নিবাস রাখিস কি খবর তোর আঘাতেই জমে গেছে নীল আকাশের জমিনে নীল বেদনা। আঁধার এর অন্তরালে বসে যতবার ভেবেছি শূণ্যতারই হাহকার একাকী শুনেছি তোমারই আঁখি পটে আকাশের নীল দেখেছি সে তো বিবর্ণ হবে কখনো ভাবিনি।।

মাঝি

হেইয়াহো। হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো। হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো। হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো। হেইয়াহো। মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না আইতাছে ভাইঙ্গা এত বড় ঢেউ সারা বাংলাদেশ জানলো মাঝি তুই তো জানলি না রে। মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না আইতাছে ভাইঙ্গা এত বড় ঢেউ সারা বাংলাদেশ জানলো মাঝি তুই তো জানলি না রে। মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না। হেইয়াহো। হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো। হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো। হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো। হেইয়াহো। পইড়া খবর পত্রিকাতে বুক ভাইসা যায় চোখের জলে দেখতাছি যে টেলিভিশনে ভাইসা গেছে সাগর জলে কুকুর গরু বাছুরের মাঝে উলঙ্গ তোর দেহ খানা। মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না আইতাছে ভাইঙ্গা এত বড় ঢেউ সারা বাংলাদেশ জানলো মাঝি তুই তো জানলি না রে। মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না। হেইয়াহো। হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো। হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো। হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো। হেইয়াহো। দেইখা ভীষণ অবাক লাগে বড় মানুষ বড় মুখে তারাই নাকি বড় হোটেলে তোর কারনেই ত...

কেন চলে গেলে দূরে

কেন চলে গেলে দূরে ভাসায় মোরে সুরে কেন ফিরে এলে না আবার বাড়াতে দুঃখের বার কেন চলে গেলে দূরে ভাসায় মোরে সুরে কেন চলে গেলে দূরে বেদনার রংধনু চেয়েছিল মোর অন্তর দুঃখের সুখের ঘর বাঁধিনু বাঁধিনু হৃদয়ে প্রান্তর। আজ এই ঝড় এসে বাধন গেছে চুটে অসীমতার দুঃখ আর অনন্ত পারাপার।।

ধ্রুব তারা

রাতের আকাশের নিশ্চুপ সাক্ষী দূরের ঐ ধ্রুব তারা কতটা বেসেছি ভালো শুধু মন জানে এ হৃদয় জানে।। জানি তুমি আর ফিরবে না নিভে যাওয়া দ্বীপ জ্বালাবেনা আর প্রতি নিঃশ্বাসে কষ্ট ধরে বেঁচে থাকা দায় তোমাকে ছাড়া দূরের ঐ ধ্রুব তারা … এ জীবনে তুমি আমার হবে না নিয়তি কি তবে এভাবে লেখা কেন এ জীবন ছন্নছাড়া স্বাক্ষী তো তুমি প্রিয় ধ্রুব তারা দূরের ঐ ধ্রুব তারা …

গিটার কাঁদতে জানে

ছয়টি তারে লুকিয়ে আছে ছয় রকমের কষ্ট আমার।। ফুরিয়ে যাওয়া মানুষের মত নির্ঘুম রাত জেগে জেগে গিটার কাঁদতে জানে গিটার কাঁদতে জানে। অভিমানী একটি তারের নিজ চোখের মত চিরদুখী একটি তারের বুকটা জমাট ক্ষত। ফুরিয়ে যাওয়া মানুষের মত নির্ঘুম রাত জেগে জেগে গিটার কাঁদতে জানে গিটার কাঁদতে জানে। একা নামের একটি তারের সুখের একটু পাশে পরবাসী তারটি বড় বিষাদ ভালোবাসে। ফুরিয়ে যাওয়া মানুষের মত নির্ঘুম রাত জেগে জেগে গিটার কাঁদতে জানে গিটার কাঁদতে জানে। ছয়টি তারে লুকিয়ে আছে ছয় রকমের কষ্ট আমার।। ফুরিয়ে যাওয়া মানুষের মত নির্ঘুম রাত জেগে জেগে গিটার কাঁদতে জানে গিটার কাঁদতে জানে।

হায়রে বৃষ্টি হায়রে হায়

হায়রে বৃষ্টি হায়রে হায় আয়রে মেঘ আয় হায়রে হায়।। চারিদিকে দেখো থৈথৈ পানি পানির নাইরে শেষ অতি বৃষ্টির পাল্লায় পড়ে বন্যায় ভাসে দেশ পানির তোড়ে যায়রে ভেসে হাজারো ঘর-বাড়ি সাধের সংসার নিয়ে কেহ নৌকাতে দেয় পাড়ি আবার এরই মধ্যে সখ করে কেউ ডাইল খিচুড়ি খায়। হায়রে বৃষ্টি হায়রে হায় আয়রে মেঘ আয় হায়রে হায়। সবাই জানে একটুখানি বৃষ্টি হয় যদি ঢাকা শহরের রাস্তা-ঘাট হয়ে যায়রে নদী ম্যানহোলের ঢাকনাটা খোলা যায়না কিছু বুঝা একবার যে পড়েছে সে জানে উঠা নয় সোজা হায় যানজটে জলজটে পড়ে যাত্রীদের জান যায়। হায়রে বৃষ্টি হায়রে হায় আয়রে মেঘ আয় হায়রে হায়। চলচ্চিত্রে বৃষ্টির সিন ধরে ক্যামেরায় নকল বৃষ্টিতে নায়িকারে ভিজায় সিনেমায় শ্রাবণ মাসে ছিদ্র থাকে যাদের ঘরের চালা দুনিয়াতে তারাই জানে মেঘ-বৃষ্টির কি জ্বালা তাই দুঃখের বৃষ্টি চায়না মনে সুখের বৃষ্টি চায়। আয়রে বৃষ্টি আয়রে আয় আয়রে সুখের বৃষ্টি আয়।

ভালবাসার উৎসবে

রাতের চোখে দেখো চেয়ে জোছনার অভিপ্রায়ে নেশাতুর মন আমার খুঁজছে তোমায় শুন্যতা বুকে নিয়ে মৌনতা ভেংগে দিয়ে একাকীনি মন আমার ভাবছে তোমায় এসো তবে অনুভবে ভালবাসার উৎসবে রূপালী মন মাতাল হবে বিমুগ্ধতায় ভাবছো কি রাত জেগে জেগে অচেনা কোনো বিকেল কাঁপছে কি থরো থরো খুব অজানায় আঁকছো কি ফুল রঙ তুলিতে মন উদাসী ক্ষন গুলিতে …………বুক জুড়ে ঝড় হয়ে যায় এসো তবে অনুভবে ভালবাসার উৎসবে রূপালী মন মাতাল হবে বিমুগ্ধতায় শুনছো কি সুর নীরবতায় অজানা ডাকে হারাবার বসছো কি নীল চেয়ারটাতে ঝুল বারান্দায় দেখছো কি বিমুর্ত ছায়া অন্ধকারে অন্য কায়া ভাবনা কি দূরদেশে হারিয়ে যাবার এসো তবে অনুভবে ভালবাসার উৎসবে রূপালী মন মাতাল হবে বিমুগ্ধতায়

কি নেশা

রাতেরই এ আঁধারে অজানা ছোয়া মায়াবী চোখে কি মায়া যেন গোধুলী আবীর মাখা ।। কি নেশা ছড়ালে কি মায়ায় জড়ালে ।। চোখে চোখে চেয়ে এভাবে কবে হবে বলো কথা বলা আবেগী মন বাঁধা মানে না তুমি ছাড়া কিছু চাই না কি নেশা ছড়ালে কি মায়ায় জড়ালে ।। জানি তুমি আছো একা তবে কেন বলো দূরে থাকা সময় তো থেমে থাকে না দ্বিধা ভেংগে কাছে এসো না কি নেশা ছড়ালে কি মায়ায় জড়ালে ।। রাতেরই এ আঁধারে অজানা ছোয়া মায়াবী চোখে কি মায়া যেন গোধুলী আবীর মাখা ।।

লুকোচুরি

এভাবে আরে ডেকোনা বাঁকা চোখে চেয়ো না ক্ষরণ হয়ে যাবো আমায় খুঁজে পাবে না লুকোচুরি খেলো না দিও না যাতনা মান অভিমান ভুলে আমায় কাছে ডাকো না প্রেম যমুনার মাতাল ডিংগায় আমায় পার করো না ঘুরে ঘুরে দিশেহারা হলাম আমি দিওয়ানা সাঁঝের আধার ভাংগা তোমার শীতল মায়ায় সোহাগের শিহরণে মায়াডোরে বাঁধো না লুকোচুরি খেলো না দিও না যাতনা মান অভিমান ভুলে আমায় কাছে ডাকো না প্রেম যমুনার মাতাল ডিংগায় আমায় পার করো না ঘুরে ঘুরে দিশেহারা হলাম আমি দিওয়ানা দখিনা হাওয়া দোলে এলোমেলো তোমার চুলে বৃষ্টির অঝোর ধারায় আমায় সিক্ত করো না লুকোচুরি খেলো না দিও না যাতনা মান অভিমান ভুলে আমায় কাছে ডাকো না প্রেম যমুনার মাতাল ডিংগায় আমায় পার করো না ঘুরে ঘুরে দিশেহারা হলাম আমি দিওয়ানা এভাবে………হলাম আমি দিওয়ানা .

নদীতে তুফান এলে

নদীতে তুফান এলে মন ভেংগে যায় সহজেই তাকে দেখা যায় মনেতে তুফান এলে বুক ভেংগে যায় দেখানোর নেই যে উপায় ।। ফুলে তে ফাগুন এলে ফোটে সে আগুন জেলে ডালে ডালে পাতায় পাতায় ।। মনেতে ফাগুন এলে মন জ্বলে যায় দেখানোর নেই যে উপায় ।। নদীতে তুফান এলে ……… আকাশে চাঁদনী আসে আলোতে ভুবন ভাসে দিকে দিকে সে আলো ছড়ায় ।। মনে তে চাঁদনী এলে মন আলো পায় দেখানোর নেই যে উপায় ।। নদীতে তুফান এলে …. দেখানোর নেই যে উপায় ।।

এই যে আমি

কতদিন কেটে গেলো তোমায় না দেখে কতরাত পার হলো তোমায় পাশে না পেয়ে.. মাঝে মাঝে মনে হয় যদি দেখাতে পারতাম কতো ভালোবাসি তোমাকে। যেদিকে তাকাই সেদিকে দেখি তোমার সেই প্রতিচ্ছবি.. মনে পড়ে যায় যে বৃষ্টিতে প্রথম ভালোবাসেছিলাম তোমায়। আধারে ঘেরা আমার এই দুনিয়ায় আলো দিয়ে ভরে দিলে তুমি.. ঘোলাটে মেঘলা আকাশে আমার রংধনু হয়ে এলে তুমি। জানলার পাশে যখনই রাগ করে কাদতে বুঝতে পারিনি জমে কতরাগ সেই বুকে.. সময়ের কাটাঁ যদি ঘুরিয়ে দিতে পারতাম দেখতে আমার আদর কিভাবে। জরিয়ে তোমায় হদয়ে রেখে..কষ্ট গুলো মুছে দিয়ে তুমি আমার ভোরেরই আলো তোমাতেই বেধে নিলে। শুধু তোমায় কাগজে লিখে সাজিয়েছি কবিতায় কবিতায়.. জোছসার রাত আর সবকিছু আজ তোমার সেই প্রতিক্ষায়। যেদিকে তাকাই সেদিকে দেখি তোমার সেই প্রতিচ্ছবি.. মনে পড়ে যায় যে বৃষ্টিতে প্রথম ভালোবাসেছিলাম তোমায়। আধারে ঘেরা আমার এই দুনিয়ায় আলো দিয়ে ভরে দিলে তুমি.. ঘোলাটে মেঘলা আকাশে আমার রংধনু হয়ে এলে তুমি। কেদো না দেখো এই যে আমি..হাত তোমার ধরে রেখেছি আপ্পি তুমি আমার আপ্পি..চোখ খুলে দেখো এই যে..

আজ এই মেঘে ঢাকা রাত

আজ এই মেঘে ঢাকা রাত..স্তব্ধতায় ভাবি আঁধারে সে তো চলে যায়..নীরবে কাঁদি। স্মৃতিগুলো ডেকে যায় আজ আমারে কাঁদায় দোষগুলো শুধুই কি আমার। বলো কি বা অপরাধ আমি ভেংগে দেবো আজ সবই.. ফিরে এসো আহত হদয়ে চাই ফিরে সেদিন,কোথায় তুমি হারালে। নিঝুম রাতে তুমিও কি ভাবছো আমারই মত একাকী জানালায়। আজও পথ চেয়ে রই..আসবেই ফিরে রেখেছি সব আদর আমার..তোমারই তরে। আজ এই মেঘে ঢাকা রাত..স্তব্ধতায় ভাবি আঁধারে সে তো চলে যায়..নীরবে কাঁদি। স্মৃতিগুলো ডেকে যায় আজ আমারে কাঁদায় দোষগুলো শুধুই কি আমার। বলো কি বা অপরাধ আমি ভেংগে দেবো আজ সবই.. ফিরে এসো আহত হদয়ে চাই ফিরে সেদিন,কোথায় তুমি হারালে। নিঝুম রাতে তুমিও কি ভাবছো আমারই মত একাকী জানালায়। ফিরে এসো..

কথা

কি হবে আর কথা বলে এখনই তো যাবে চলে.. তবে থাক তোলা থাক না বলা কথা আমি রবো একা কেবলই..একা। যাও দূরে দেখো না তো ফিরে তবে থাক তোলা থাক না বলা কথা আমি রবো একা কেবলই..একা। কি হবে আর কথা বলে এখনই তো যাবে চলে.. তবে থাক তোলা থাক না বলা কথা আমি রবো একা কেবলই..একা। বলবে কি কথা যত সবই জানা কথার প্রাচীর ভেংগে দাও.. ভুলে যাও মিছে ভালোবাসার দেনা বিষাদের গোধূলি ঢেকে দাও। যাও দূরে দেখো না তো ফিরে তবে থাক তোলা থাক না বলা কথা আমি রবো একা কেবলই..একা। নিরবে জমে উঠা কত কথা চোখের পাতায় সাজানো.. সে ছবি চেয়ে দেখো না অযথা দেখো না ফিরে তো কখোনো। যাও দূরে দেখো না তো ফিরে তবে থাক তোলা থাক না বলা কথা আমি রবো একা কেবলই..একা। কি হবে আর কথা বলে এখনই তো যাবে চলে.. তবে থাক তোলা থাক না বলা কথা আমি রবো একা কেবলই..একা।

নদীর নাম ময়ুরাক্ষী

নদীর নামটি ময়ূরাক্ষী কাক কালো তার জল কোন ডুবুরি সেই নদীটির পায়নি খুজেঁ তল.. নদীর নামটি ময়ূরাক্ষী কাক কালো তার জল কোন ডুবুরি সেই নদীটির পায়নি খুজেঁ তল । তুমি যাবে কি ময়ূরাক্ষীতে হাতে হাত রেখে জলে নাওয়া.. যে ভালোবাসার রং জ্বলে গেছে সেই রংটুকু খুজেঁ পাওয়া। সখী কারে ভালোবাসা কারে কয়.. নদীর জলে ভালোবাসা খোজার কোন অর্থ কি হয়। কণ্যা আমার কথা শোনো নদীর প্রান্তরে বন জংগলে..ভালোবাসা নেই কোন । ভালোবাসা থাকে চোখের মাঝে চোখে চোখে শুধু চাওয়া.. তাই চোখের জলে তোমার আমার ভালোবাসা খুজেঁ পাওয়া। সখী কারে ভালোবাসা কারে কয়.. নদীর জলে ভালোবাসা খোজাঁর কোন অর্থ কি হয়।

স্বপ্নকথা

যদি কখনো রোদ হাসে তোমার আকাশে যদি কখনো বৃষ্টি ভেজায় তোমার চুল.. রাতের তারাগুলো যদি জ্বলে থাকে ভুলে যেওনা আমার স্মৃতি ছেড়ে যেওনা আমায় একা ফেলে। যদি কখনো রোদ হাসে তোমার আকাশে যদি কখনো বৃষ্টি ভেজায় তোমার চুল.. আমার ধূসর স্বপ্নে রঙের ছটা আধার আকেঁ আলোর অভাব.. যখন তোমার অনূভব আমার মাঝে সাগরের কূলে মিশে যাবো একসাথে। ভুলে যেওনা আমার স্মৃতি ছেড়ে যেওনা আমায় একা ফেলে। স্বপ্নবিভোর তুমি যখন থাকো জানালার পাশে বসে.. চাঁদ ঐ ঈর্ষে করে তোমায় দেখে জোছনার রাতে পাড়ি দেবো আনন্দে। ভুলে যেওনা আমার স্মৃতি ছেড়ে যেওনা আমায় একা ফেলে। যদি কখনো রোদ হাসে তোমার আকাশে যদি কখনো বৃষ্টি ভেজায় তোমার চুল.. যদি ভুলে যাও যদি ভুলে যাও যদি যদি ভুলে যাও যদি ভুলে যাও যদি..

আমি খোলা জানালা

আমি খোলা জানালা তুমি ওই দখিনা বাতাস আমি নিঝুম রাত তুমি কোজাগরি আকাশ ।। উধাও সাগর তুমি অঢেল নীলে আমি অস্তরাগ শেষ বিকেলে তুমি কথা না রাখা নিরালা দুপুর আমি বিমনা অবকাশ ।। শুধুই ছবি আমি ধুলোয় ঢাকা তুমি চলমান সুর স্বপ্ন মাখা তুমি কাছে না থাকা খেয়ালী সুদুর আমি বিরহী ইতিহাস আমি খোলা জানালা তুমি ওই দখিনা বাতাস আমি নিঝুম রাত তুমি কোজাগরি আকাশ

জানলা খোলা

জানলা খোলা দেখে থমকে দাড়ালো দুষ্টু হাওয়ায় উড়া এলোমেলো সুর.. আমার কানে কিছু বলতে এলো সে হাতছানি তার অজানায় বহুদূর। শাওন মেঘের দেয়া বৃষ্টি যেখানে পড়ে ভেজা সেই মাঠে গান গাওয়া.. টুকরো সূখের দেয়া একটু আদর ছুঁয়ে অভিমান জলে ভেসে যাওয়া। বলতে না পারা কথা বলে গেলো সেই সূর.. ভাসলো আকাশ অজানায় বহুদূর। জানলা খোলা দেখে থমকে দাড়ালো দুষ্টু হাওয়ায় উড়া এলোমেলো সুর.. আমার কানে কিছু বলতে এলো সে হাতছানি তার অজানায় বহুদূর। তোমার আমার কাছে সূর আসে মাঝে মাঝে ফিরে আসে সেই চেনা হাওয়া.. বলে যায় আজও যেন কিছুটা সময় আছে পরে আছে কত চাওয়া পাওয়া। য্তদিন পারো তুমি বুকে টেনো এই সূর.. ডাকবে আকাশ অজানায় বহুদূর। জানলা খোলা দেখে থমকে দাড়ালো দুষ্টু হাওয়ায় উড়া এলোমেলো সুর.. আমার কানে কিছু বলতে এলো সে হাতছানি তার অজানায় বহুদূর।

হৃদয়

হদয়ের ঝড়ে আকাশ পাতাল কত ডাকাডাকি সারা রাত্রি তোমার স্বপ্নে নির্ঘুম জেগে থাকি। কত সাধ নিবিড় করে তোমাকে ভালোবাসি তোমারই জন্যে আমার এত কান্না হাসি.. কেন যে মনে হয় বোঝো না আমাকে তোমারই কারণে ফিরিয়ে দিলাম পৃথিবীকে। হদয়ের ঝড়ে আকাশ পাতাল কত ডাকাডাকি সারা রাত্রি তোমার স্বপ্নে নির্ঘুম জেগে থাকি। কত সাধ নিবিড় করে তোমাকে ভালোবাসি তোমারই জন্যে আমার এত কান্না হাসি.. কেন যে মনে হয় বোঝো না আমাকে তোমারই কারণে ফিরিয়ে দিলাম পৃথিবীকে। স্বপ্নের বুকে আকাশ নদীর কত মাখামাখি ঘুম হারা এ দুচোখে তুমিও দেখো নাকি.. মন চায় তোমায় নিয়ে অনূভবে ভাসি তোমারই জন্যে আমার এত কান্না হাসি। কেন যে মনে হয় বোঝো না আমাকে তোমারই কারণে ফিরিয়ে দিলাম পৃথিবীকে।

হারানো হিয়ার নিকুঞ্জ পথে

হারানো হিয়ার নিকুঞ্জ পথে কুড়াই ঝরা ফুল একেলা আমি তুমি কেন হায় আসিলে হেথায় সুখের সরব বইতে নারি। চারিপাশে মোর উড়িছে কেবল শুকানো পাতা মলিন ফুলদল। বৃথায় কেন হায় তব আঁখিজল ছিটাও অবিরল দিবসজামি।। এলে অবেলা পথিক বে’ ভুল বিধিছে কাঁটা নাহি পাবে ফুল। কি দিয়ে বরণ করিও চরণ নিভিছে জীবন জীবনস্বামী।।

যাও মেঘদূত

যাও মেঘদূত, দিও প্রিয়ার হাতে আমার বিরহলিপি লেখা কেয়া পাতে আমার প্রিয়ার দিরঘ নিশাসে থির হয়ে আছে মেঘ যে দেশেরই আকাশে আমার প্রিয়ার ßান মুখ হেরি ওঠে না চাঁদ আর যে দেশে রাতে পাইবে যে দেশে কুন্তল-সুরভি বকুল ফুলে আমার প্রিয়া কাঁদে এলায়ে কেশ সেই মেঘনা কুলে স্বর্ণলতার সম যার ক্ষীণ করে বারে বারে কঙ্কণ-চুড়ি খুলে পড়ে মুকুল-বাসে যথা বরষার ফুলদল বেদনায় মূর্চ্ছিয়া আছে আঙিনাতে।।

সমুদ্রের কিনারে

সমুদ্রের কিনারে থেকে জল বিনে চাতকি মরলো হায়রে বিধি ওরে বিধি ।। তোর মনে কি ইহাই ছিল সমুদ্রের কিনারে থেকে জল বিনে চাতকি মইলো চাতক থাকে মেঘের আসে মেঘ বর্ষাল অন্য দেশে ।। বলো চাতক বাঁচে কিসে ওষ্ঠা গত প্রাণ আকুল হায়রে বিধি ওরে বিধি ।। তোর মনে কি ইহাই ছিল সমুদ্রের কিনারে থেকে জল বিনে চাতকি মইলো বিনে নব ঘন বারি খায়না তারা অন্য বাড়ি চাতকের প্রতিজ্ঞা ভারি ।। যায় যাবে প্রান সেও ভাল হায়রে বিধি ওরে বিধি ।। তোর মনে কি ইহাই ছিল সমুদ্রের কিনারে থেকে লালন বলে বুঝলো না ক্ষন হইল না মোর ভজন সাধন ভুলে সিরাজ সাঁইজী’র চরন ।। তাইতে জনম বৃথা গেল হায়রে বিধি ওরে বিধি বিধিরে………ওরে বিধি হায়রে বিধি ওরে বিধি তোর মনে কি ইহাই ছিল সমুদ্রের কিনারে থেকে জল বিনে চাতকি মইলো ।।

ও পাখি

ও পাখি তারে বলে দিস আমার দুচোখে ধারা আর বাধা মানে না কেমনে কাটাই দিনেরাত প্রিয় বিনা হায় যেদিন সেতো গেল চলে জানি না ঘুম কারে বলে ও পাখি পাখি আর অন্য কারো কথা শুনে না ও পাখি তারে বলে দিস আমার দুচোখে ধারা আর বাধা মানে না কেমনে কাটাই দিনেরাত প্রিয় বিনা হায়

নিকশ আঁধার

নিকশ আঁধার ঘোলাটে অন্ধকার পূর্ণিমা চেয়ে রয় জোনাকির আলো ছায়ায়.. ঝিরঝির বাতাসে পাতারই মড়মড় শব্দ বাজে এসেছো কি তুমি নুপুরের শব্দ সাজে। চরণধব্নি আসে যেন আমার কানে জানালা খুলে যায় প্রিয় ফুলের গন্ধরাজে.. জোৎসনা রাতে আসে যেন আমার পানে আজ রাতেরই শব্দ কেন শুধু আমারই কানে বাজে। সেই মেঘলা দিনের কথা যে মনে পড়ে যায় দুজনে মিলে খেলেছি কত অবেলায়.. মনেরই সব স্বপ্ন দুজনে দুহাতে জড়িয়ে ছড়িয়ে দিয়ে ছিলাম ভালোবাসার প্রান্তরে। কোন ঘূর্ণিঝড়ে ভেংগে দিলো সব আমার.. নিকশ আঁধার ঘোলাটে অন্ধকার পূর্ণিমা চেয়ে রয় জোনাকির আলো ছায়ায়.. ঝিরঝির বাতাসে পাতারই মড়মড় শব্দ বাজে এসেছো কি তুমি নুপুরের শব্দ সাজে। চরণধব্নি আসে যেন আমার কানে জানালা খুলে যায় প্রিয় ফুলের গন্ধরাজে.. জোৎসনা রাতে আসে যেন আমার পানে আজ রাতেরই শব্দ কেন শুধু আমারই কানে বাজে।

কালো মেঘ

কালো মেঘ জমেছে আকাশে এখনই অঝরে বৃষ্টি ঝরবে তবু পাই না তোমাকে খুজে পাই না তোমায় পাশে। মেঘ ভেংগে অবিরাম বৃষ্টি ঝরে সেই বৃষ্টির মাঝে একাকি দাড়িয়ে.. সময় কেটে যায়,বৃষ্টিও থেমে যায় আমি হায়,তোমারই অপেক্ষায়। তবু পাই না তোমাকে খুজে পাই না তোমায় পাশে। বৃষ্টি থেমে গেলে মেঘ সরে যায় মেঘ সরে গিয়ে সূর্যটা উকি দেয়.. তবু আমি শুধু ভাবি হয়ত তুমি আসবে এখনই। তবু পাই না তোমাকে খুজে পাই না তোমায় পাশে। কালো মেঘ জমেছে আকাশে এখনই অঝরে বৃষ্টি ঝরবে তবু পাই না তোমাকে খুজে পাই না তোমায় পাশে।

শূন্য হাতে

হাত বাড়িয়ে যায় না ছোঁয়া চোখ তাড়িয়ে যায় না দেখা। অপোটা অনেক দূরে স্বপ্ন টাকে আঁকড়ে ধরে শূন্য হাতে বাড়ি ফিরি। প্রতি ক্ষণে তোমার খুঁজি, সকাল দুপুর সাঁঝে আড়াল হয়ে থাক তবু, মেঘের ভাজে। দৃষ্টি আমার থমকে দাঁড়ায়, চেনা পথের বাঁকে বোঝে না সে ভালবাসা, ভালবাসি যাকে।

মাধবী

চোখে সানগ্লাস ঠোঁটে হাসি বাঁকা হাসি তার সব কিছুতেই বড় বেশী বাড়াবাড়ি যে চায় সে পায় মাধবী নয় ফুল নয় লতা মাধবী সে নষ্ট নারী রাতের আঁধারে তাকে শুধু দেখা যায় লাল নীল নানান রঙের গাড়িতে দিনের আলোতে তাকে মিশে যেতে দেকা যায় সবার সাথে সবার সাথে কখন কোথায় সে যে কার সে নিজেও তা জানে না সে শুধু জানে দেহের বিনিময়ে খাদ্য চাই খাদ্য চাই যে চায় সে পায় মাধবী নয় ফুল নয় লতা মাধবী সে নষ্ট নারী তাকে সমাজ সভ্যতা এড়িয়ে চলে আইনের শেকল তার পেছনে চলে ধরা পরে ছাড়া পায় ফিরে আসে আবার মানুষের কাছে , মানুষের কাছে নষ্ট নারী কেন তারে বলে সে নিজেও তা জানে না সে শুধু জানে দেহের বিনিময়ে খাদ্য চাই খাদ্য চাই যে চায় সে পায় মাধবী নয় ফুল নয় লতা মাধবী সে নষ্ট নারী নষ্ট সে হয়েছে কাদের ইশারায় দুঃখ অভাব আর ক্ষুধারই জ্বালায় নষ্ট পুরুষ সব কাছে চলে আসে তাদের দুচোখে লোভী দৃষ্টি ভাসে মাধবী জানে না কেমন করে বদলে গেছে সে নষ্ট নারীতে সংসার শান্তি এসব কিছু আর নিলো না মাধবীকে আপন করে যে চায় সে পায় মাধবী নয় ফুল নয় লতা মাধবী সে নষ্ট নারী সময়ের আগে তাকে চলে যেতে হয় প্রান...

সাড়ে তিন হাত মাটি

টাকা কড়ি ধন সম্পত্তি অনেক অনেক বাড়ী গাড়ি ঠিকানার ছরাছরি আমি তুমি বারাবারি মরলে সংগে যাবেনা কোনই কিছু তোমার অংশীদারি। ঠিকানা শুধু এক সমাধি সাড়ে তিন হাত মাটি… সংসারে যুদ্ধ চলে কারন হলো জায়গা জমি দেহ ত্যাগ করার পরে স্মৃতি হয়ে যাবে জানি মরলে সংগে যাবেনা কোনই কিছু তোমার অংশীদারি। ঠিকানা শুধু এক সমাধি সাড়ে তিন হাত মাটি… সুখের আশা পৃথিবীতে করে শুধু জানি উপর থেকে ডাক এলে উড়াল দেবে জীবন পাখি মরলে সংগে যাবেনা কোনই কিছু তোমার অংশীদারি। ঠিকানা শুধু এক সমাধি সাড়ে তিন হাত মাটি…

ঘুমন্ত শহরে

ঘুমন্ত শহরে রূপালী রাতে স্বপ্নের নীল চাদর বিছিয়ে কষ্টের শীতল আবরণ জড়িয়ে আমি আছি আছি তোমার স্মৃতিতে ভালোবাসার সরল বাঁধন ছিঁড়ে চলে গেছ এই হৃদয়টাকে ভেঙে তুমি আমি একই শহরে তবুও একাকী ভিন্ন গ্রহে মনে পড়ে সেই নিয়ন জ্বলা রাতে অনন্ত প্রেম দিয়েছি উজার করে নিঃসঙ্গ নিশি পথিক পেছনে ফেলে পথে হেঁটেছি বাঁধা দুটি হাতে দূর আঁধারের ভালোবাসায় হারাতে ছুটেছিলাম সেই রূপালী রাতে এই রাতে সব প্রেম হারিয়েছি অকারণে নিশি ব্যস্ত মানুষ হয়েছি কেমনে সমুদ্র কোলাহলের মনে অবিরাম ক্ষণে নগরের যত বিষাদ আমাকে ভর করে দরজার চৌকাঠকে পিঁড়ি বানিয়ে বিনিদ্র জেগে আছি এই রূপালী রাতে

কবে

কত কথা ঝরে ছিল এই পথে তবে এত কথা দিয়ে কি হবে যদি নাই দেখি এই পথ চলে যদি নাই থাকি তোমারি হয়ে কবে কথাগুলো গাব সুরে কবে এই কথা? কবে কথাগুলো গাব সুরে কবে এই কথা? আমি ফিরে দেখি ভাঙ্গা আয়নাতে এই শেষ রাতের গল্পগুলোকে মনেরই বন্ধ জানালাতে কথাগুলো আজ হারিয়ে তবে তোমার কথা শুনে কতটা পথ দেখব ঘুরে? কবে কথাগুলো গাব সুরে কবে এই কথা? কবে কথাগুলো গাব সুরে কবে এই কথা? কবে কথাগুলো গাব সুরে কবে কল্পনা আজ পেছনে ফিরে রয় অন্ধ ভুবনে কথাগুলো আজ জড়িয়ে একসাথে অন্য কারো সুরে কবে…কবে…… কবে কথাগুলো গাব সুরে কবে এই কথা? কবে কথাগুলো গাব সুরে কবে……

ভালবাসি তোমার ঐ রোদ্দুর হাসি

ভালবাসি তোমার ঐ রোদ্দুর হাসি দেখে স্বপ্ন কাটে আমার দিবা নিশি, কি হল আজ আমি ভেবে না পাই সব হারালেও শুধু তোমাকে চাই।। সব উপমা শেষে তুমি তুমি আমার একটাই তুমি, কতশত ভুল আজ নিত্য চারিপাশে, ভুলগুলো ফুল হয়ে ফিরে আসে। জোছনার এই রাত জাগে আমারি সাথে দীঘির জলধারা তোমার ছবি আঁকে, কোথায় আমার আজ ঘুম হারাল স্বপ্ন হয়ে তবু দু’হাত বাড়ালো।

বন্ধু তোমায়

ছেড়া ঘুড়ি রঙিন বল এইটুকুই সম্বল আর ছিলো রোদ্দুরে পাওয়া বিকেলবেলা বাজে বকা রাত্রি দিন এসটিরিক্স টিনটিন এলোমেলো কথা উড়ে যেতো হাসির ঠেলায় সে হাসি ছুটে যেতো গোধুলী মিছিলে সবার অলক্ষেতে তুমিও কি ছিলে হাওয়ায় হাওয়ায় হাওয়ায় হাওয়ায় বন্ধু তোমায় এ গান শোনাবো বিকেলবেলায় আরেকবার যদি তোমাদের দলে নাও খেলায় ।। গল্পের মতো ইশকুল বাড়ী জমে ওঠা ক্ষত খেলবো না আড়ি সে খেলা কানা গলি রোদ চুপিসারে এবং আগুন ছিলো লাস্ট কাউন্টারে হাওয়ায় হাওয়ায় হাওয়ায় হাওয়ায় বন্ধু তোমায় এ গান শোনাবো বিকেলবেলায় আরেকবার যদি তোমাদের দলে নাও খেলায় ।। বইমেলা গুলো গার্গি শ্রেয়শী চেনা মুখগুলো পরিচিত হাসি সে হাসি রোদ ঝিকিমিকি কার্নিশে সাহসী চুম্বন আজো পারেনি সে হাওয়ায় হাওয়ায় হাওয়ায় হাওয়ায় বন্ধু তোমায় এ গান শোনাবো বিকেলবেলায় আরেকবার যদি তোমাদের দলে নাও খেলায় ।। ছেড়াছবি স্ফটিক জল এইটুকুই সম্বল বাদবাকী রোদ চলে যাওয়া বিকেল বেলায় একঘেয়ে ক্লান্ত দিন টানকুস এসপিরিন যানজটে দেরী হয়ে গেল এ কালবেলা মরা মাছের চোখ যায় যতদূরে শুকানো জলছবি আজো রোদ্দুরে হাওয়ায় হাওয়ায় হা...

মনবাড়ি

একটা যায়গা রাখিস আমার লাগি মনবাড়িতে তোর যেখানেতে আমার রাত্রি, আমার হবে ভোর তুই রাখিস বন্ধু তা, এই ঘরটা ছেড়ে কোথাও যাব না ঘরের একটাই থাকবে দরজা একটাই জনালা ভালো থাকার সময় গুলোর থাকবে আসা-যাওয়া দিবি কি আমায় এমন এক ঘর যেখানে নই আমি পর ছুটবে বাতাস উঠোন জুড়ে ছুটবে স্বপ্ন কিছু ঘরের ভেতর তুই আর আমি ছুটবো তার পিছু দিবি কি আমায় এমন এক ঘর যেখানে নই আমি পর

চুপি চুপি

চুপি চুপি কেন আসনি, স্বপনে ধরা দিয়ে যাও। বেসেছো ভালো গোপনে গোপনে, বলোনা আমি যে তোমার। কি করে বলি বলো ভালোবাসি, বড় ভালোবাসি তবু লাজে মরি। আমারই জীবন শুধুই তোমার, তুমি হীনা সবই যে আধার। ছিলেনা যখন তুমি এই জীবনে, দেখেনি স্বপণ কভু দু-নয়নে।। হৃদয় চিরে দেখো তোমারি ছবি, বড় ভালোবাসি তুবও লাজে মরি। আমারই জীবন শুধুই তোমার, তুমি হীনা সবই যে আধার। এতো কাছে রয়েছো তবু আরো কাছে চাই, এ চাওয়া পাওয়ার যেন কোন শেষ নাই।। হৃদয় চিরে দেখো তোমারি ছবি, বড় ভালোবাসি তুবও লাজে মরি। আমারই জীবন শুধুই তোমার, তুমি হীনা সবই যে আধার।

চাই তোমায়

চাই তোমায় প্রার্থনায় অনুভূতির গভীর উপমায়। সব চাওয়া তোমার বলো আমাকে মেঘ হওয়া মনের কথা ভেজাও আবেশে। চাই তোমায় প্রতি নিঃশ্বাসে অন্তহীন ভালবেসে। জানিনা কি অনুভবে চাঁদটাকে গল্প শোনায়। আলোকিত সূর্য্য স্নানে ক্লান্তিহীন তোমাকে চাই। না বলা কথাটা ফিরে ফিরে আসে। চাই তোমায় প্রতি নিঃশ্বাসে অন্তহীন ভালবেসে। স্বপ্নময় শত রঙে দৃষ্টিহীন হৃদয় সাজায়। বিমুগ্ধ কোন সুরে শব্দহীন তোমাকে চাই। অচেনা ভাবনায় ঘিরে ঘিরে রাখে। চাই তোমায় প্রতি নিঃশ্বাসে অন্তহীন ভালবেসে।

গুরু উপায় বলো না

গুরু উপায় বলো না জনম দুখী কপাল পোড়া গুরু আমি একজনা।। গিয়েছিলাম ভবের বাজারে ছয়জন চোরা করলো চুরি গুরু বাঁধল আমারে।। ছয় চোরা খালাস পাইলো রে গুরু আমি রইলাম জেলখানায়।। শিশুকালে মরে গেল মা গর্ভে থাকতে মরলো পিতা গুরু চোখে দেখলাম না। কে করিবে লালন-পালন গুরু কে দিবে মোরে সান্ত্বনা।।

মা তোমায়

পৃথিবীর এক পাশে মাকে রেখে অন্য পাশেও মাকে রাখি পৃথিবীর সব কথা ভুলে গিয়ে ব্যাকুল প্রাণে মাকে ডাকি জীবনের সবখানে সব গানে মাকে ছাড়া জীবনের নিলামে মা হীন এলোমেলেও হৃদয়ে আর কোনও ঠিকানা কেউ কি জানে? ও…ও…হো……মা মায়েরই মুখ দেখে দুঃখ ভুলি মায়েরই আঁচলে জীবন বুঝি। যখনই দুরে যাই আড়ালে থাকি নিরবে চোখ মেলে মাকে খুঁজি। মায়েরই পায়েতে স্বর্গ আছে স্বর্গ খুঁজি না তাই অন্যখানে মায়েরই কারনে বাঁচতে শেখা দু চোখে মা তুমি জগৎ জানে ও…..মা….মা……আ….. ও…..মা….মা……আ…..।।

স্পর্শ

ঘন কুয়াশার গাঢ় ভীড়ে শীত কননে ভেসে আসে, তোমার আঁকা সপ্ন ছবি বাঁধি আমি সপ্ন ডোরে।। তারার মেলার অঢেল ভীড়ে খুঁজছি তোমায় নিয়ম দিয়ে, তোমার বলা মিষ্টি বুলি শুনছি আমি অবাক হয়ে। আধার আলোর খেলা ঘরে বসে আছি অলস দেহে, অলীক প্রেমের মাতম তুলে ভাবি তোমায় একা বসে। দিচ্ছি আজ প্রথম চিঠি বৃষ্টি বিন্দুর কালি মেখে, দেখছি আজ নতুন ধরা তোমার দু’চোখ দিয়ে। ঐ ভির আঁকড়ে ধরি তোমায় চেতনার অবসাদে, ভালবাসি শুধু তোমায় এ জীবন ভরে। তারার মেলার অঢেল ভীড়ে… হুম..মম..ম… তোমার বলা মিষ্টিবুলি… হে..এ..এ… তারার মেলার অঢেল ভীড়ে খুঁজছি তোমায় নিয়ম দিয়ে, তোমার বলা মিষ্টি বুলি শুনছি আমি অবাক হয়ে। আধার আলোর খেলা ঘরে বসে আছি অলস দেহে, অলীক প্রেমের মাতম তুলে ভাবি তোমায় একা বসে।

মেঘ ছুড়ে দেই

যদি ভুলে যাও না হয় আমাকে, পারবে কি ভুলে যেতে আমার স্নৃতিকে যদি মুছে দাও আমার স্নৃতিকে, পারবে সুখি হতে আমাকে ভুলে আমি মেঘ ছুড়ে দেই তোমারও আকাশে বুঝে নিও তুমি এই আমাকে।। ব্যাথা গুলো আর ব্যাথা দেয় না, ব্যাথা গুলো ভুলে গেছি জ্বালা গুলো আর জ্বালা দেয় না, জ্বালা গুলো পুষে রাখি অনেক কেঁদেছি আর কাঁদতে চাইনা, কাঁদতে আমার আর ভাল লাগেনা। আমি মেঘ ছুড়ে দেই তোমারও আকাশে, বুঝে নিও তুমি এই আমাকে।। বৃষ্টি হলে ভেবেনিও তুমি এ আমার চোখেরও জল।। অনেক ভেবেছি আর ভাবতে চাইনা, ভাবতে আমার ভালো লাগে না। আমি মেঘ ছুড়ে দেই তোমারও আকাশে, বুঝে নিও তুমি এই আমাকে।।

তোমারি পরশ

আমি যত বেশি ভালোবাসি তোমায়. তার চেয়েও বেশি ভালোবাসতে চাই আমি যত বেশি কাছে আসি তোমার, তার চেয়েও বেশি কাছে আসতে চাই ভালোবেসে আমাকে নাও জড়িয়ে , তোমার প্রেমের ছোয়াতে দাও রাঙিয়ে সকালের সোনা রোদ প্রতিদিন আমার ঘুম ভাঙ্গায়…. চোখ মেলে এ হৃদয় তোমারি পরশ চায়……. হিমেল হাওয়াতে এ মন জুড়ালে গো হায় তবু এ মন জুড়েনাত যদি কাছে না পাই তোমায়

না বলা ভালবাসা

মাঝে মাঝে সপ্ন দেখে অবাক কোনো রাতে মাঝে মাঝে গল্প বলি নিজেই নিজের সাথে ও মাঝে মাঝে ইচ্চে করে কষ্ট উড়াই হাওয়ায় মাঝে মাঝে তোমায় সাজাই সকল চাওয়া পাওয়ায় তুমি আমার না বলা ভালবাসা এক সুরে বোনা এ হৃদয়ের শত আশা মাঝে মাঝে ভাসে যে মন দুরের খেয়া ঘাটে মাঝে মাঝে বুকের ভেতর একলা পথিক হাটে মাঝে মাঝে ভাসাই যে মন দুরের খেয়া ঘাটে ও মাঝে মাঝে বুকের ভেতর একলা পথিক হাটে মাঝে মাঝে যাই যে ভুলে ভালবাসার মানে মাঝে মাঝে দুঃখ ছোটে সুখের পিছুটানে………

পলকে পলকে

পলকে পলকে কি যে হলো দুটি হৃদয় ভেসে গেলো পাজর ছুয়ে অবুঝ নদী ঢেউয়ে ঢেউয়ে মাতিয়ে দিল মনের ভেতর মন নামিয়ে স্বপ্নবুনি চলো ।। একটা পলক তুমি হলে আড়াল মনে হয় দেখি নাই অনন্তকাল মনের ভেতর করে কেমন কেমন রাত শেষে আসে না যেন সকাল চলো দু’জন হৃদয় খুলে হয়ে যাই এলোমেলো ।। মনটা ছুয়ে তুমি সুনীল আকাশ সেখানে শুধু তোমার বসবাস বুকের ভেতর তোমার আসন জুড়ে আছো সবটা নিঃশ্বাস তোমায় ছাড়া এক জীবনে যায় কি বাচা বলো ।

বলো না কোথায় তুমি

বলোনা কোথায় তুমি, এবুকে আছো কোন পাশে? বলোনা কোথায় তুমি, আছো কি মিশে নিঃশ্বাসে? মনের ঘরে যতন করে তোমায় রেখেছি আপন করে। ভালোবাসা দিয়ে তুমি দাও রাঙিয়ে, এ কোন প্রেমে নিলে জড়িয়ে।। জোছনা নামাও তুমি হৃদয় আঙিনায় আমার পৃথিবী সাঁজাও মধু পূর্ণিমায়। রাত শেষে ভোর নামাও কতো ভালোবেসে সারাদিন জড়িয়ে রাখো সুখেরি আবেশে, তুমি আছো বলে, ফাগুন আসে কোলে। মনের নাওটা তুমি দোলাও আনমনে ছবি হয়ে থাকো তুমি এ মনের গহীনে। কখনো বা তুমি এ হৃদয়ে হারাও কখনো তুমি এসে সামনে দাড়াও হাতে হাত রেখে ছুঁয়ে দেওনা আমাকে মনের ঘরে যতন করে তোমায় রেখেছি আপন করে। ভালোবাসা দিয়ে তুমি দাও রাঙিয়ে, এ কোন প্রেমে নিলে জড়িয়ে।।

পাগল তোর জন্যরে পাগল এ মন পাগল

Image
পাগল তোর জন্যরে পাগল এ মন পাগল। মুখে বলি দূরে যা মন বলে থেকে যা দূরে গেলে মন বোঝে তুই কত আপন।। মুখ বলে এই দূরে গেলে তুই বেশী কিছু আর হবে কি মেঘ ঢাকা দিন চলে গেলে দেবে চাঁদ উঁকি রাতে যখন ওঠে চাঁদ ছুঁতে চাই কেন তোরই হাত। সারাক্ষণই যাস ছুঁয়ে তুই আমার এ মন।। মরি ভেবে হায় উথাল পাতাল এই মনের ভেতরে কি আছে কেন এমন হয় দূরে গেলে তুই চাই কাছে নির্ঘুম কেন কাটে রাত কেন শুধু আর্তনাদ। প্রতিদিন কেন তোকে ভেবে এই হৃদয় ক্ষরণ।। মুখে বলি দূরে যা মন বলে থেকে যা। দূরে গেলে মন বোঝে তুই কত আপন পাগল তোর জন্যরে পাগল এ মন পাগল।।

খুঁজে খুঁজে

তোমাকে খুঁজে পাই ঐ নীল আকাশে পাই যে খুঁজে ঐ মিষ্টি বাতাসে।। তোমায় ভালোবাসি আমি ভালোবাসি পেতে চাই আরো কাছে, আরো কাছে খুঁজে খুঁজে দু’চোখ বুঝে পাই তোমায় আরো কাছে, একই ডোরে বাঁধা দু’জন থাকবো সারা জনম ধরে। কপালের ঐ টিপ চোখেরই কাজলে, তোমাকে জড়িয়ে রাখবো প্রেমেরই আঁচলে। রংধনুর রঙে নয়, নয় ঝর্না ধারাতে তোমার উপমা খুঁজি দু’চোখের তারাতে। খুঁজে খুঁজে দু’চোখ বুঝে পাই তোমায় আরো কাছে, একই ডোরে বাধা দু’জন থাকবো সারা জনম ধরে। তুমি ফুল হয়ে সুরোভী ছড়ালে, প্রেমেরই চাদরে হৃদয় জড়ালে। দাওনা তুমি দু’হাত বাড়িয়ে, ভালোবেসে যেতে চাই তোমাতে হারিয়ে। খুঁজে খুঁজে দু’চোখ বুঝে পাই তোমায় আরো কাছে, একই ডোরে বাধা দু’জন থাকবো সারা জনম ধরে।

তোমায় ভেবে

তোমায় ভেবে .. (সম্পূর্ণ লিরিক আসছে )

বলো না কোথায় তুমি

বলোনা কোথায় তুমি, এবুকে আছো কোন পাশে? বলোনা কোথায় তুমি, আছো কি মিশে নিঃশ্বাসে? মনের ঘরে যতন করে তোমায় রেখেছি আপন করে। ভালোবাসা দিয়ে তুমি দাও রাঙিয়ে, এ কোন প্রেমে নিলে জড়িয়ে।। জোছনা নামাও তুমি হৃদয় আঙিনায় আমার পৃথিবী সাঁজাও মধু পূর্ণিমায়। রাত শেষে ভোর নামাও কতো ভালোবেসে সারাদিন জড়িয়ে রাখো সুখেরি আবেশে, তুমি আছো বলে, ফাগুন আসে কোলে। মনের নাওটা তুমি দোলাও আনমনে ছবি হয়ে থাকো তুমি এ মনের গহীনে। কখনো বা তুমি এ হৃদয়ে হারাও কখনো তুমি এসে সামনে দাড়াও হাতে হাত রেখে ছুঁয়ে দেওনা আমাকে মনের ঘরে যতন করে তোমায় রেখেছি আপন করে। ভালোবাসা দিয়ে তুমি দাও রাঙিয়ে, এ কোন প্রেমে নিলে জড়িয়ে।।

পলকে পলকে

পলকে পলকে কি যে হলো দুটি হৃদয় ভেসে গেলো পাজর ছুয়ে অবুঝ নদী ঢেউয়ে ঢেউয়ে মাতিয়ে দিল মনের ভেতর মন নামিয়ে স্বপ্নবুনি চলো ।। একটা পলক তুমি হলে আড়াল মনে হয় দেখি নাই অনন্তকাল মনের ভেতর করে কেমন কেমন রাত শেষে আসে না যেন সকাল চলো দু’জন হৃদয় খুলে হয়ে যাই এলোমেলো ।। মনটা ছুয়ে তুমি সুনীল আকাশ সেখানে শুধু তোমার বসবাস বুকের ভেতর তোমার আসন জুড়ে আছো সবটা নিঃশ্বাস তোমায় ছাড়া এক জীবনে যায় কি বাচা বলো ।

না বলা ভালবাসা

মাঝে মাঝে সপ্ন দেখে অবাক কোনো রাতে মাঝে মাঝে গল্প বলি নিজেই নিজের সাথে ও মাঝে মাঝে ইচ্চে করে কষ্ট উড়াই হাওয়ায় মাঝে মাঝে তোমায় সাজাই সকল চাওয়া পাওয়ায় তুমি আমার না বলা ভালবাসা এক সুরে বোনা এ হৃদয়ের শত আশা মাঝে মাঝে ভাসে যে মন দুরের খেয়া ঘাটে মাঝে মাঝে বুকের ভেতর একলা পথিক হাটে মাঝে মাঝে ভাসাই যে মন দুরের খেয়া ঘাটে ও মাঝে মাঝে বুকের ভেতর একলা পথিক হাটে মাঝে মাঝে যাই যে ভুলে ভালবাসার মানে মাঝে মাঝে দুঃখ ছোটে সুখের পিছুটানে………

তোমারি পরশ

আমি যত বেশি ভালোবাসি তোমায়. তার চেয়েও বেশি ভালোবাসতে চাই আমি যত বেশি কাছে আসি তোমার, তার চেয়েও বেশি কাছে আসতে চাই ভালোবেসে আমাকে নাও জড়িয়ে , তোমার প্রেমের ছোয়াতে দাও রাঙিয়ে সকালের সোনা রোদ প্রতিদিন আমার ঘুম ভাঙ্গায়…. চোখ মেলে এ হৃদয় তোমারি পরশ চায়……. হিমেল হাওয়াতে এ মন জুড়ালে গো হায় তবু এ মন জুড়েনাত যদি কাছে না পাই তোমায়

মেঘ ছুড়ে দেই

যদি ভুলে যাও না হয় আমাকে, পারবে কি ভুলে যেতে আমার স্নৃতিকে যদি মুছে দাও আমার স্নৃতিকে, পারবে সুখি হতে আমাকে ভুলে আমি মেঘ ছুড়ে দেই তোমারও আকাশে বুঝে নিও তুমি এই আমাকে।। ব্যাথা গুলো আর ব্যাথা দেয় না, ব্যাথা গুলো ভুলে গেছি জ্বালা গুলো আর জ্বালা দেয় না, জ্বালা গুলো পুষে রাখি অনেক কেঁদেছি আর কাঁদতে চাইনা, কাঁদতে আমার আর ভাল লাগেনা। আমি মেঘ ছুড়ে দেই তোমারও আকাশে, বুঝে নিও তুমি এই আমাকে।। বৃষ্টি হলে ভেবেনিও তুমি এ আমার চোখেরও জল।। অনেক ভেবেছি আর ভাবতে চাইনা, ভাবতে আমার ভালো লাগে না। আমি মেঘ ছুড়ে দেই তোমারও আকাশে, বুঝে নিও তুমি এই আমাকে।।

স্পর্শ

ঘন কুয়াশার গাঢ় ভীড়ে শীত কননে ভেসে আসে, তোমার আঁকা সপ্ন ছবি বাঁধি আমি সপ্ন ডোরে।। তারার মেলার অঢেল ভীড়ে খুঁজছি তোমায় নিয়ম দিয়ে, তোমার বলা মিষ্টি বুলি শুনছি আমি অবাক হয়ে। আধার আলোর খেলা ঘরে বসে আছি অলস দেহে, অলীক প্রেমের মাতম তুলে ভাবি তোমায় একা বসে। দিচ্ছি আজ প্রথম চিঠি বৃষ্টি বিন্দুর কালি মেখে, দেখছি আজ নতুন ধরা তোমার দু’চোখ দিয়ে। ঐ ভির আঁকড়ে ধরি তোমায় চেতনার অবসাদে, ভালবাসি শুধু তোমায় এ জীবন ভরে। তারার মেলার অঢেল ভীড়ে… হুম..মম..ম… তোমার বলা মিষ্টিবুলি… হে..এ..এ… তারার মেলার অঢেল ভীড়ে খুঁজছি তোমায় নিয়ম দিয়ে, তোমার বলা মিষ্টি বুলি শুনছি আমি অবাক হয়ে। আধার আলোর খেলা ঘরে বসে আছি অলস দেহে, অলীক প্রেমের মাতম তুলে ভাবি তোমায় একা বসে।

মা তোমায়

পৃথিবীর এক পাশে মাকে রেখে অন্য পাশেও মাকে রাখি পৃথিবীর সব কথা ভুলে গিয়ে ব্যাকুল প্রাণে মাকে ডাকি জীবনের সবখানে সব গানে মাকে ছাড়া জীবনের নিলামে মা হীন এলোমেলেও হৃদয়ে আর কোনও ঠিকানা কেউ কি জানে? ও…ও…হো……মা মায়েরই মুখ দেখে দুঃখ ভুলি মায়েরই আঁচলে জীবন বুঝি। যখনই দুরে যাই আড়ালে থাকি নিরবে চোখ মেলে মাকে খুঁজি। মায়েরই পায়েতে স্বর্গ আছে স্বর্গ খুঁজি না তাই অন্যখানে মায়েরই কারনে বাঁচতে শেখা দু চোখে মা তুমি জগৎ জানে ও…..মা….মা……আ….. ও…..মা….মা……আ…..।।

গুরু উপায় বলো না

গুরু উপায় বলো না জনম দুখী কপাল পোড়া গুরু আমি একজনা।। গিয়েছিলাম ভবের বাজারে ছয়জন চোরা করলো চুরি গুরু বাঁধল আমারে।। ছয় চোরা খালাস পাইলো রে গুরু আমি রইলাম জেলখানায়।। শিশুকালে মরে গেল মা গর্ভে থাকতে মরলো পিতা গুরু চোখে দেখলাম না। কে করিবে লালন-পালন গুরু কে দিবে মোরে সান্ত্বনা।।

চাই তোমায়

চাই তোমায় প্রার্থনায় অনুভূতির গভীর উপমায়। সব চাওয়া তোমার বলো আমাকে মেঘ হওয়া মনের কথা ভেজাও আবেশে। চাই তোমায় প্রতি নিঃশ্বাসে অন্তহীন ভালবেসে। জানিনা কি অনুভবে চাঁদটাকে গল্প শোনায়। আলোকিত সূর্য্য স্নানে ক্লান্তিহীন তোমাকে চাই। না বলা কথাটা ফিরে ফিরে আসে। চাই তোমায় প্রতি নিঃশ্বাসে অন্তহীন ভালবেসে। স্বপ্নময় শত রঙে দৃষ্টিহীন হৃদয় সাজায়। বিমুগ্ধ কোন সুরে শব্দহীন তোমাকে চাই। অচেনা ভাবনায় ঘিরে ঘিরে রাখে। চাই তোমায় প্রতি নিঃশ্বাসে অন্তহীন ভালবেসে।

মনবাড়ি

একটা যায়গা রাখিস আমার লাগি মনবাড়িতে তোর যেখানেতে আমার রাত্রি, আমার হবে ভোর তুই রাখিস বন্ধু তা, এই ঘরটা ছেড়ে কোথাও যাব না ঘরের একটাই থাকবে দরজা একটাই জনালা ভালো থাকার সময় গুলোর থাকবে আসা-যাওয়া দিবি কি আমায় এমন এক ঘর যেখানে নই আমি পর ছুটবে বাতাস উঠোন জুড়ে ছুটবে স্বপ্ন কিছু ঘরের ভেতর তুই আর আমি ছুটবো তার পিছু দিবি কি আমায় এমন এক ঘর যেখানে নই আমি পর

বন্ধু তোমায়

ছেড়া ঘুড়ি রঙিন বল এইটুকুই সম্বল আর ছিলো রোদ্দুরে পাওয়া বিকেলবেলা বাজে বকা রাত্রি দিন এসটিরিক্স টিনটিন এলোমেলো কথা উড়ে যেতো হাসির ঠেলায় সে হাসি ছুটে যেতো গোধুলী মিছিলে সবার অলক্ষেতে তুমিও কি ছিলে হাওয়ায় হাওয়ায় হাওয়ায় হাওয়ায় বন্ধু তোমায় এ গান শোনাবো বিকেলবেলায় আরেকবার যদি তোমাদের দলে নাও খেলায় ।। গল্পের মতো ইশকুল বাড়ী জমে ওঠা ক্ষত খেলবো না আড়ি সে খেলা কানা গলি রোদ চুপিসারে এবং আগুন ছিলো লাস্ট কাউন্টারে হাওয়ায় হাওয়ায় হাওয়ায় হাওয়ায় বন্ধু তোমায় এ গান শোনাবো বিকেলবেলায় আরেকবার যদি তোমাদের দলে নাও খেলায় ।। বইমেলা গুলো গার্গি শ্রেয়শী চেনা মুখগুলো পরিচিত হাসি সে হাসি রোদ ঝিকিমিকি কার্নিশে সাহসী চুম্বন আজো পারেনি সে হাওয়ায় হাওয়ায় হাওয়ায় হাওয়ায় বন্ধু তোমায় এ গান শোনাবো বিকেলবেলায় আরেকবার যদি তোমাদের দলে নাও খেলায় ।। ছেড়াছবি স্ফটিক জল এইটুকুই সম্বল বাদবাকী রোদ চলে যাওয়া বিকেল বেলায় একঘেয়ে ক্লান্ত দিন টানকুস এসপিরিন যানজটে দেরী হয়ে গেল এ কালবেলা মরা মাছের চোখ যায় যতদূরে শুকানো জলছবি আজো রোদ্দুরে হাওয়ায় হাওয়ায় হাওয়...

চুপি চুপি

চুপি চুপি কেন আসনি, স্বপনে ধরা দিয়ে যাও। বেসেছো ভালো গোপনে গোপনে, বলোনা আমি যে তোমার। কি করে বলি বলো ভালোবাসি, বড় ভালোবাসি তবু লাজে মরি। আমারই জীবন শুধুই তোমার, তুমি হীনা সবই যে আধার। ছিলেনা যখন তুমি এই জীবনে, দেখেনি স্বপণ কভু দু-নয়নে।। হৃদয় চিরে দেখো তোমারি ছবি, বড় ভালোবাসি তুবও লাজে মরি। আমারই জীবন শুধুই তোমার, তুমি হীনা সবই যে আধার। এতো কাছে রয়েছো তবু আরো কাছে চাই, এ চাওয়া পাওয়ার যেন কোন শেষ নাই।। হৃদয় চিরে দেখো তোমারি ছবি, বড় ভালোবাসি তুবও লাজে মরি। আমারই জীবন শুধুই তোমার, তুমি হীনা সবই যে আধার।

ভালবাসি তোমার ঐ রোদ্দুর হাসি

ভালবাসি তোমার ঐ রোদ্দুর হাসি দেখে স্বপ্ন কাটে আমার দিবা নিশি, কি হল আজ আমি ভেবে না পাই সব হারালেও শুধু তোমাকে চাই।। সব উপমা শেষে তুমি তুমি আমার একটাই তুমি, কতশত ভুল আজ নিত্য চারিপাশে, ভুলগুলো ফুল হয়ে ফিরে আসে। জোছনার এই রাত জাগে আমারি সাথে দীঘির জলধারা তোমার ছবি আঁকে, কোথায় আমার আজ ঘুম হারাল স্বপ্ন হয়ে তবু দু’হাত বাড়ালো।

কবে

কত কথা ঝরে ছিল এই পথে তবে এত কথা দিয়ে কি হবে যদি নাই দেখি এই পথ চলে যদি নাই থাকি তোমারি হয়ে কবে কথাগুলো গাব সুরে কবে এই কথা? কবে কথাগুলো গাব সুরে কবে এই কথা? আমি ফিরে দেখি ভাঙ্গা আয়নাতে এই শেষ রাতের গল্পগুলোকে মনেরই বন্ধ জানালাতে কথাগুলো আজ হারিয়ে তবে তোমার কথা শুনে কতটা পথ দেখব ঘুরে? কবে কথাগুলো গাব সুরে কবে এই কথা? কবে কথাগুলো গাব সুরে কবে এই কথা? কবে কথাগুলো গাব সুরে কবে কল্পনা আজ পেছনে ফিরে রয় অন্ধ ভুবনে কথাগুলো আজ জড়িয়ে একসাথে অন্য কারো সুরে কবে…কবে…… কবে কথাগুলো গাব সুরে কবে এই কথা? কবে কথাগুলো গাব সুরে কবে……

ঘুমন্ত শহরে

ঘুমন্ত শহরে রূপালী রাতে স্বপ্নের নীল চাদর বিছিয়ে কষ্টের শীতল আবরণ জড়িয়ে আমি আছি আছি তোমার স্মৃতিতে ভালোবাসার সরল বাঁধন ছিঁড়ে চলে গেছ এই হৃদয়টাকে ভেঙে তুমি আমি একই শহরে তবুও একাকী ভিন্ন গ্রহে মনে পড়ে সেই নিয়ন জ্বলা রাতে অনন্ত প্রেম দিয়েছি উজার করে নিঃসঙ্গ নিশি পথিক পেছনে ফেলে পথে হেঁটেছি বাঁধা দুটি হাতে দূর আঁধারের ভালোবাসায় হারাতে ছুটেছিলাম সেই রূপালী রাতে এই রাতে সব প্রেম হারিয়েছি অকারণে নিশি ব্যস্ত মানুষ হয়েছি কেমনে সমুদ্র কোলাহলের মনে অবিরাম ক্ষণে নগরের যত বিষাদ আমাকে ভর করে দরজার চৌকাঠকে পিঁড়ি বানিয়ে বিনিদ্র জেগে আছি এই রূপালী রাতে

সাড়ে তিন হাত মাটি

টাকা কড়ি ধন সম্পত্তি অনেক অনেক বাড়ী গাড়ি ঠিকানার ছরাছরি আমি তুমি বারাবারি মরলে সংগে যাবেনা কোনই কিছু তোমার অংশীদারি। ঠিকানা শুধু এক সমাধি সাড়ে তিন হাত মাটি… সংসারে যুদ্ধ চলে কারন হলো জায়গা জমি দেহ ত্যাগ করার পরে স্মৃতি হয়ে যাবে জানি মরলে সংগে যাবেনা কোনই কিছু তোমার অংশীদারি। ঠিকানা শুধু এক সমাধি সাড়ে তিন হাত মাটি… সুখের আশা পৃথিবীতে করে শুধু জানি উপর থেকে ডাক এলে উড়াল দেবে জীবন পাখি মরলে সংগে যাবেনা কোনই কিছু তোমার অংশীদারি। ঠিকানা শুধু এক সমাধি সাড়ে তিন হাত মাটি…

মাধবী

চোখে সানগ্লাস ঠোঁটে হাসি বাঁকা হাসি তার সব কিছুতেই বড় বেশী বাড়াবাড়ি যে চায় সে পায় মাধবী নয় ফুল নয় লতা মাধবী সে নষ্ট নারী রাতের আঁধারে তাকে শুধু দেখা যায় লাল নীল নানান রঙের গাড়িতে দিনের আলোতে তাকে মিশে যেতে দেকা যায় সবার সাথে সবার সাথে কখন কোথায় সে যে কার সে নিজেও তা জানে না সে শুধু জানে দেহের বিনিময়ে খাদ্য চাই খাদ্য চাই যে চায় সে পায় মাধবী নয় ফুল নয় লতা মাধবী সে নষ্ট নারী তাকে সমাজ সভ্যতা এড়িয়ে চলে আইনের শেকল তার পেছনে চলে ধরা পরে ছাড়া পায় ফিরে আসে আবার মানুষের কাছে , মানুষের কাছে নষ্ট নারী কেন তারে বলে সে নিজেও তা জানে না সে শুধু জানে দেহের বিনিময়ে খাদ্য চাই খাদ্য চাই যে চায় সে পায় মাধবী নয় ফুল নয় লতা মাধবী সে নষ্ট নারী নষ্ট সে হয়েছে কাদের ইশারায় দুঃখ অভাব আর ক্ষুধারই জ্বালায় নষ্ট পুরুষ সব কাছে চলে আসে তাদের দুচোখে লোভী দৃষ্টি ভাসে মাধবী জানে না কেমন করে বদলে গেছে সে নষ্ট নারীতে সংসার শান্তি এসব কিছু আর নিলো না মাধবীকে আপন করে যে চায় সে পায় মাধবী নয় ফুল নয় লতা মাধবী সে নষ্ট নারী সময়ের আগে তাকে চলে যেতে হয় প্রানহীন ...

শূন্য হাতে

হাত বাড়িয়ে যায় না ছোঁয়া চোখ তাড়িয়ে যায় না দেখা। অপোটা অনেক দূরে স্বপ্ন টাকে আঁকড়ে ধরে শূন্য হাতে বাড়ি ফিরি। প্রতি ক্ষণে তোমার খুঁজি, সকাল দুপুর সাঁঝে আড়াল হয়ে থাক তবু, মেঘের ভাজে। দৃষ্টি আমার থমকে দাঁড়ায়, চেনা পথের বাঁকে বোঝে না সে ভালবাসা, ভালবাসি যাকে।

কালো মেঘ

কালো মেঘ জমেছে আকাশে এখনই অঝরে বৃষ্টি ঝরবে তবু পাই না তোমাকে খুজে পাই না তোমায় পাশে। মেঘ ভেংগে অবিরাম বৃষ্টি ঝরে সেই বৃষ্টির মাঝে একাকি দাড়িয়ে.. সময় কেটে যায়,বৃষ্টিও থেমে যায় আমি হায়,তোমারই অপেক্ষায়। তবু পাই না তোমাকে খুজে পাই না তোমায় পাশে। বৃষ্টি থেমে গেলে মেঘ সরে যায় মেঘ সরে গিয়ে সূর্যটা উকি দেয়.. তবু আমি শুধু ভাবি হয়ত তুমি আসবে এখনই। তবু পাই না তোমাকে খুজে পাই না তোমায় পাশে। কালো মেঘ জমেছে আকাশে এখনই অঝরে বৃষ্টি ঝরবে তবু পাই না তোমাকে খুজে পাই না তোমায় পাশে।

নিকশ আঁধার

নিকশ আঁধার ঘোলাটে অন্ধকার পূর্ণিমা চেয়ে রয় জোনাকির আলো ছায়ায়.. ঝিরঝির বাতাসে পাতারই মড়মড় শব্দ বাজে এসেছো কি তুমি নুপুরের শব্দ সাজে। চরণধব্নি আসে যেন আমার কানে জানালা খুলে যায় প্রিয় ফুলের গন্ধরাজে.. জোৎসনা রাতে আসে যেন আমার পানে আজ রাতেরই শব্দ কেন শুধু আমারই কানে বাজে। সেই মেঘলা দিনের কথা যে মনে পড়ে যায় দুজনে মিলে খেলেছি কত অবেলায়.. মনেরই সব স্বপ্ন দুজনে দুহাতে জড়িয়ে ছড়িয়ে দিয়ে ছিলাম ভালোবাসার প্রান্তরে। কোন ঘূর্ণিঝড়ে ভেংগে দিলো সব আমার.. নিকশ আঁধার ঘোলাটে অন্ধকার পূর্ণিমা চেয়ে রয় জোনাকির আলো ছায়ায়.. ঝিরঝির বাতাসে পাতারই মড়মড় শব্দ বাজে এসেছো কি তুমি নুপুরের শব্দ সাজে। চরণধব্নি আসে যেন আমার কানে জানালা খুলে যায় প্রিয় ফুলের গন্ধরাজে.. জোৎসনা রাতে আসে যেন আমার পানে আজ রাতেরই শব্দ কেন শুধু আমারই কানে বাজে।

ও পাখি

ও পাখি তারে বলে দিস আমার দুচোখে ধারা আর বাধা মানে না কেমনে কাটাই দিনেরাত প্রিয় বিনা হায় যেদিন সেতো গেল চলে জানি না ঘুম কারে বলে ও পাখি পাখি আর অন্য কারো কথা শুনে না ও পাখি তারে বলে দিস আমার দুচোখে ধারা আর বাধা মানে না কেমনে কাটাই দিনেরাত প্রিয় বিনা হায়

সমুদ্রের কিনারে

সমুদ্রের কিনারে থেকে জল বিনে চাতকি মরলো হায়রে বিধি ওরে বিধি ।। তোর মনে কি ইহাই ছিল সমুদ্রের কিনারে থেকে জল বিনে চাতকি মইলো চাতক থাকে মেঘের আসে মেঘ বর্ষাল অন্য দেশে ।। বলো চাতক বাঁচে কিসে ওষ্ঠা গত প্রাণ আকুল হায়রে বিধি ওরে বিধি ।। তোর মনে কি ইহাই ছিল সমুদ্রের কিনারে থেকে জল বিনে চাতকি মইলো বিনে নব ঘন বারি খায়না তারা অন্য বাড়ি চাতকের প্রতিজ্ঞা ভারি ।। যায় যাবে প্রান সেও ভাল হায়রে বিধি ওরে বিধি ।। তোর মনে কি ইহাই ছিল সমুদ্রের কিনারে থেকে লালন বলে বুঝলো না ক্ষন হইল না মোর ভজন সাধন ভুলে সিরাজ সাঁইজী’র চরন ।। তাইতে জনম বৃথা গেল হায়রে বিধি ওরে বিধি বিধিরে………ওরে বিধি হায়রে বিধি ওরে বিধি তোর মনে কি ইহাই ছিল সমুদ্রের কিনারে থেকে জল বিনে চাতকি মইলো ।।

যাও মেঘদূত

যাও মেঘদূত, দিও প্রিয়ার হাতে আমার বিরহলিপি লেখা কেয়া পাতে আমার প্রিয়ার দিরঘ নিশাসে থির হয়ে আছে মেঘ যে দেশেরই আকাশে আমার প্রিয়ার ßান মুখ হেরি ওঠে না চাঁদ আর যে দেশে রাতে পাইবে যে দেশে কুন্তল-সুরভি বকুল ফুলে আমার প্রিয়া কাঁদে এলায়ে কেশ সেই মেঘনা কুলে স্বর্ণলতার সম যার ক্ষীণ করে বারে বারে কঙ্কণ-চুড়ি খুলে পড়ে মুকুল-বাসে যথা বরষার ফুলদল বেদনায় মূর্চ্ছিয়া আছে আঙিনাতে।।

হৃদয়

হদয়ের ঝড়ে আকাশ পাতাল কত ডাকাডাকি সারা রাত্রি তোমার স্বপ্নে নির্ঘুম জেগে থাকি। কত সাধ নিবিড় করে তোমাকে ভালোবাসি তোমারই জন্যে আমার এত কান্না হাসি.. কেন যে মনে হয় বোঝো না আমাকে তোমারই কারণে ফিরিয়ে দিলাম পৃথিবীকে। হদয়ের ঝড়ে আকাশ পাতাল কত ডাকাডাকি সারা রাত্রি তোমার স্বপ্নে নির্ঘুম জেগে থাকি। কত সাধ নিবিড় করে তোমাকে ভালোবাসি তোমারই জন্যে আমার এত কান্না হাসি.. কেন যে মনে হয় বোঝো না আমাকে তোমারই কারণে ফিরিয়ে দিলাম পৃথিবীকে। স্বপ্নের বুকে আকাশ নদীর কত মাখামাখি ঘুম হারা এ দুচোখে তুমিও দেখো নাকি.. মন চায় তোমায় নিয়ে অনূভবে ভাসি তোমারই জন্যে আমার এত কান্না হাসি। কেন যে মনে হয় বোঝো না আমাকে তোমারই কারণে ফিরিয়ে দিলাম পৃথিবীকে।

হারানো হিয়ার নিকুঞ্জ পথে

হারানো হিয়ার নিকুঞ্জ পথে কুড়াই ঝরা ফুল একেলা আমি তুমি কেন হায় আসিলে হেথায় সুখের সরব বইতে নারি। চারিপাশে মোর উড়িছে কেবল শুকানো পাতা মলিন ফুলদল। বৃথায় কেন হায় তব আঁখিজল ছিটাও অবিরল দিবসজামি।। এলে অবেলা পথিক বে’ ভুল বিধিছে কাঁটা নাহি পাবে ফুল। কি দিয়ে বরণ করিও চরণ নিভিছে জীবন জীবনস্বামী।।

আমি খোলা জানালা

আমি খোলা জানালা তুমি ওই দখিনা বাতাস আমি নিঝুম রাত তুমি কোজাগরি আকাশ ।। উধাও সাগর তুমি অঢেল নীলে আমি অস্তরাগ শেষ বিকেলে তুমি কথা না রাখা নিরালা দুপুর আমি বিমনা অবকাশ ।। শুধুই ছবি আমি ধুলোয় ঢাকা তুমি চলমান সুর স্বপ্ন মাখা তুমি কাছে না থাকা খেয়ালী সুদুর আমি বিরহী ইতিহাস আমি খোলা জানালা তুমি ওই দখিনা বাতাস আমি নিঝুম রাত তুমি কোজাগরি আকাশ

জানলা খোলা

জানলা খোলা দেখে থমকে দাড়ালো দুষ্টু হাওয়ায় উড়া এলোমেলো সুর.. আমার কানে কিছু বলতে এলো সে হাতছানি তার অজানায় বহুদূর। শাওন মেঘের দেয়া বৃষ্টি যেখানে পড়ে ভেজা সেই মাঠে গান গাওয়া.. টুকরো সূখের দেয়া একটু আদর ছুঁয়ে অভিমান জলে ভেসে যাওয়া। বলতে না পারা কথা বলে গেলো সেই সূর.. ভাসলো আকাশ অজানায় বহুদূর। জানলা খোলা দেখে থমকে দাড়ালো দুষ্টু হাওয়ায় উড়া এলোমেলো সুর.. আমার কানে কিছু বলতে এলো সে হাতছানি তার অজানায় বহুদূর। তোমার আমার কাছে সূর আসে মাঝে মাঝে ফিরে আসে সেই চেনা হাওয়া.. বলে যায় আজও যেন কিছুটা সময় আছে পরে আছে কত চাওয়া পাওয়া। য্তদিন পারো তুমি বুকে টেনো এই সূর.. ডাকবে আকাশ অজানায় বহুদূর। জানলা খোলা দেখে থমকে দাড়ালো দুষ্টু হাওয়ায় উড়া এলোমেলো সুর.. আমার কানে কিছু বলতে এলো সে হাতছানি তার অজানায় বহুদূর।

স্বপ্নকথা

যদি কখনো রোদ হাসে তোমার আকাশে যদি কখনো বৃষ্টি ভেজায় তোমার চুল.. রাতের তারাগুলো যদি জ্বলে থাকে ভুলে যেওনা আমার স্মৃতি ছেড়ে যেওনা আমায় একা ফেলে। যদি কখনো রোদ হাসে তোমার আকাশে যদি কখনো বৃষ্টি ভেজায় তোমার চুল.. আমার ধূসর স্বপ্নে রঙের ছটা আধার আকেঁ আলোর অভাব.. যখন তোমার অনূভব আমার মাঝে সাগরের কূলে মিশে যাবো একসাথে। ভুলে যেওনা আমার স্মৃতি ছেড়ে যেওনা আমায় একা ফেলে। স্বপ্নবিভোর তুমি যখন থাকো জানালার পাশে বসে.. চাঁদ ঐ ঈর্ষে করে তোমায় দেখে জোছনার রাতে পাড়ি দেবো আনন্দে। ভুলে যেওনা আমার স্মৃতি ছেড়ে যেওনা আমায় একা ফেলে। যদি কখনো রোদ হাসে তোমার আকাশে যদি কখনো বৃষ্টি ভেজায় তোমার চুল.. যদি ভুলে যাও যদি ভুলে যাও যদি যদি ভুলে যাও যদি ভুলে যাও যদি..

নদীর নাম ময়ুরাক্ষী

নদীর নামটি ময়ূরাক্ষী কাক কালো তার জল কোন ডুবুরি সেই নদীটির পায়নি খুজেঁ তল.. নদীর নামটি ময়ূরাক্ষী কাক কালো তার জল কোন ডুবুরি সেই নদীটির পায়নি খুজেঁ তল । তুমি যাবে কি ময়ূরাক্ষীতে হাতে হাত রেখে জলে নাওয়া.. যে ভালোবাসার রং জ্বলে গেছে সেই রংটুকু খুজেঁ পাওয়া। সখী কারে ভালোবাসা কারে কয়.. নদীর জলে ভালোবাসা খোজার কোন অর্থ কি হয়। কণ্যা আমার কথা শোনো নদীর প্রান্তরে বন জংগলে..ভালোবাসা নেই কোন । ভালোবাসা থাকে চোখের মাঝে চোখে চোখে শুধু চাওয়া.. তাই চোখের জলে তোমার আমার ভালোবাসা খুজেঁ পাওয়া। সখী কারে ভালোবাসা কারে কয়.. নদীর জলে ভালোবাসা খোজাঁর কোন অর্থ কি হয়।

আজ এই মেঘে ঢাকা রাত

আজ এই মেঘে ঢাকা রাত..স্তব্ধতায় ভাবি আঁধারে সে তো চলে যায়..নীরবে কাঁদি। স্মৃতিগুলো ডেকে যায় আজ আমারে কাঁদায় দোষগুলো শুধুই কি আমার। বলো কি বা অপরাধ আমি ভেংগে দেবো আজ সবই.. ফিরে এসো আহত হদয়ে চাই ফিরে সেদিন,কোথায় তুমি হারালে। নিঝুম রাতে তুমিও কি ভাবছো আমারই মত একাকী জানালায়। আজও পথ চেয়ে রই..আসবেই ফিরে রেখেছি সব আদর আমার..তোমারই তরে। আজ এই মেঘে ঢাকা রাত..স্তব্ধতায় ভাবি আঁধারে সে তো চলে যায়..নীরবে কাঁদি। স্মৃতিগুলো ডেকে যায় আজ আমারে কাঁদায় দোষগুলো শুধুই কি আমার। বলো কি বা অপরাধ আমি ভেংগে দেবো আজ সবই.. ফিরে এসো আহত হদয়ে চাই ফিরে সেদিন,কোথায় তুমি হারালে। নিঝুম রাতে তুমিও কি ভাবছো আমারই মত একাকী জানালায়। ফিরে এসো..

কথা

কি হবে আর কথা বলে এখনই তো যাবে চলে.. তবে থাক তোলা থাক না বলা কথা আমি রবো একা কেবলই..একা। যাও দূরে দেখো না তো ফিরে তবে থাক তোলা থাক না বলা কথা আমি রবো একা কেবলই..একা। কি হবে আর কথা বলে এখনই তো যাবে চলে.. তবে থাক তোলা থাক না বলা কথা আমি রবো একা কেবলই..একা। বলবে কি কথা যত সবই জানা কথার প্রাচীর ভেংগে দাও.. ভুলে যাও মিছে ভালোবাসার দেনা বিষাদের গোধূলি ঢেকে দাও। যাও দূরে দেখো না তো ফিরে তবে থাক তোলা থাক না বলা কথা আমি রবো একা কেবলই..একা। নিরবে জমে উঠা কত কথা চোখের পাতায় সাজানো.. সে ছবি চেয়ে দেখো না অযথা দেখো না ফিরে তো কখোনো। যাও দূরে দেখো না তো ফিরে তবে থাক তোলা থাক না বলা কথা আমি রবো একা কেবলই..একা। কি হবে আর কথা বলে এখনই তো যাবে চলে.. তবে থাক তোলা থাক না বলা কথা আমি রবো একা কেবলই..একা।

এই যে আমি

কতদিন কেটে গেলো তোমায় না দেখে কতরাত পার হলো তোমায় পাশে না পেয়ে.. মাঝে মাঝে মনে হয় যদি দেখাতে পারতাম কতো ভালোবাসি তোমাকে। যেদিকে তাকাই সেদিকে দেখি তোমার সেই প্রতিচ্ছবি.. মনে পড়ে যায় যে বৃষ্টিতে প্রথম ভালোবাসেছিলাম তোমায়। আধারে ঘেরা আমার এই দুনিয়ায় আলো দিয়ে ভরে দিলে তুমি.. ঘোলাটে মেঘলা আকাশে আমার রংধনু হয়ে এলে তুমি। জানলার পাশে যখনই রাগ করে কাদতে বুঝতে পারিনি জমে কতরাগ সেই বুকে.. সময়ের কাটাঁ যদি ঘুরিয়ে দিতে পারতাম দেখতে আমার আদর কিভাবে। জরিয়ে তোমায় হদয়ে রেখে..কষ্ট গুলো মুছে দিয়ে তুমি আমার ভোরেরই আলো তোমাতেই বেধে নিলে। শুধু তোমায় কাগজে লিখে সাজিয়েছি কবিতায় কবিতায়.. জোছসার রাত আর সবকিছু আজ তোমার সেই প্রতিক্ষায়। যেদিকে তাকাই সেদিকে দেখি তোমার সেই প্রতিচ্ছবি.. মনে পড়ে যায় যে বৃষ্টিতে প্রথম ভালোবাসেছিলাম তোমায়। আধারে ঘেরা আমার এই দুনিয়ায় আলো দিয়ে ভরে দিলে তুমি.. ঘোলাটে মেঘলা আকাশে আমার রংধনু হয়ে এলে তুমি। কেদো না দেখো এই যে আমি..হাত তোমার ধরে রেখেছি আপ্পি তুমি আমার আপ্পি..চোখ খুলে দেখো এই যে..

নদীতে তুফান এলে

নদীতে তুফান এলে মন ভেংগে যায় সহজেই তাকে দেখা যায় মনেতে তুফান এলে বুক ভেংগে যায় দেখানোর নেই যে উপায় ।। ফুলে তে ফাগুন এলে ফোটে সে আগুন জেলে ডালে ডালে পাতায় পাতায় ।। মনেতে ফাগুন এলে মন জ্বলে যায় দেখানোর নেই যে উপায় ।। নদীতে তুফান এলে ……… আকাশে চাঁদনী আসে আলোতে ভুবন ভাসে দিকে দিকে সে আলো ছড়ায় ।। মনে তে চাঁদনী এলে মন আলো পায় দেখানোর নেই যে উপায় ।। নদীতে তুফান এলে …. দেখানোর নেই যে উপায় ।।

লুকোচুরি

এভাবে আরে ডেকোনা বাঁকা চোখে চেয়ো না ক্ষরণ হয়ে যাবো আমায় খুঁজে পাবে না লুকোচুরি খেলো না দিও না যাতনা মান অভিমান ভুলে আমায় কাছে ডাকো না প্রেম যমুনার মাতাল ডিংগায় আমায় পার করো না ঘুরে ঘুরে দিশেহারা হলাম আমি দিওয়ানা সাঁঝের আধার ভাংগা তোমার শীতল মায়ায় সোহাগের শিহরণে মায়াডোরে বাঁধো না লুকোচুরি খেলো না দিও না যাতনা মান অভিমান ভুলে আমায় কাছে ডাকো না প্রেম যমুনার মাতাল ডিংগায় আমায় পার করো না ঘুরে ঘুরে দিশেহারা হলাম আমি দিওয়ানা দখিনা হাওয়া দোলে এলোমেলো তোমার চুলে বৃষ্টির অঝোর ধারায় আমায় সিক্ত করো না লুকোচুরি খেলো না দিও না যাতনা মান অভিমান ভুলে আমায় কাছে ডাকো না প্রেম যমুনার মাতাল ডিংগায় আমায় পার করো না ঘুরে ঘুরে দিশেহারা হলাম আমি দিওয়ানা এভাবে………হলাম আমি দিওয়ানা .

কি নেশা

রাতেরই এ আঁধারে অজানা ছোয়া মায়াবী চোখে কি মায়া যেন গোধুলী আবীর মাখা ।। কি নেশা ছড়ালে কি মায়ায় জড়ালে ।। চোখে চোখে চেয়ে এভাবে কবে হবে বলো কথা বলা আবেগী মন বাঁধা মানে না তুমি ছাড়া কিছু চাই না কি নেশা ছড়ালে কি মায়ায় জড়ালে ।। জানি তুমি আছো একা তবে কেন বলো দূরে থাকা সময় তো থেমে থাকে না দ্বিধা ভেংগে কাছে এসো না কি নেশা ছড়ালে কি মায়ায় জড়ালে ।। রাতেরই এ আঁধারে অজানা ছোয়া মায়াবী চোখে কি মায়া যেন গোধুলী আবীর মাখা ।।

ভালবাসার উৎসবে

রাতের চোখে দেখো চেয়ে জোছনার অভিপ্রায়ে নেশাতুর মন আমার খুঁজছে তোমায় শুন্যতা বুকে নিয়ে মৌনতা ভেংগে দিয়ে একাকীনি মন আমার ভাবছে তোমায় এসো তবে অনুভবে ভালবাসার উৎসবে রূপালী মন মাতাল হবে বিমুগ্ধতায় ভাবছো কি রাত জেগে জেগে অচেনা কোনো বিকেল কাঁপছে কি থরো থরো খুব অজানায় আঁকছো কি ফুল রঙ তুলিতে মন উদাসী ক্ষন গুলিতে …………বুক জুড়ে ঝড় হয়ে যায় এসো তবে অনুভবে ভালবাসার উৎসবে রূপালী মন মাতাল হবে বিমুগ্ধতায় শুনছো কি সুর নীরবতায় অজানা ডাকে হারাবার বসছো কি নীল চেয়ারটাতে ঝুল বারান্দায় দেখছো কি বিমুর্ত ছায়া অন্ধকারে অন্য কায়া ভাবনা কি দূরদেশে হারিয়ে যাবার এসো তবে অনুভবে ভালবাসার উৎসবে রূপালী মন মাতাল হবে বিমুগ্ধতায়

হায়রে বৃষ্টি হায়রে হায়

হায়রে বৃষ্টি হায়রে হায় আয়রে মেঘ আয় হায়রে হায়।। চারিদিকে দেখো থৈথৈ পানি পানির নাইরে শেষ অতি বৃষ্টির পাল্লায় পড়ে বন্যায় ভাসে দেশ পানির তোড়ে যায়রে ভেসে হাজারো ঘর-বাড়ি সাধের সংসার নিয়ে কেহ নৌকাতে দেয় পাড়ি আবার এরই মধ্যে সখ করে কেউ ডাইল খিচুড়ি খায়। হায়রে বৃষ্টি হায়রে হায় আয়রে মেঘ আয় হায়রে হায়। সবাই জানে একটুখানি বৃষ্টি হয় যদি ঢাকা শহরের রাস্তা-ঘাট হয়ে যায়রে নদী ম্যানহোলের ঢাকনাটা খোলা যায়না কিছু বুঝা একবার যে পড়েছে সে জানে উঠা নয় সোজা হায় যানজটে জলজটে পড়ে যাত্রীদের জান যায়। হায়রে বৃষ্টি হায়রে হায় আয়রে মেঘ আয় হায়রে হায়। চলচ্চিত্রে বৃষ্টির সিন ধরে ক্যামেরায় নকল বৃষ্টিতে নায়িকারে ভিজায় সিনেমায় শ্রাবণ মাসে ছিদ্র থাকে যাদের ঘরের চালা দুনিয়াতে তারাই জানে মেঘ-বৃষ্টির কি জ্বালা তাই দুঃখের বৃষ্টি চায়না মনে সুখের বৃষ্টি চায়। আয়রে বৃষ্টি আয়রে আয় আয়রে সুখের বৃষ্টি আয়।

গিটার কাঁদতে জানে

ছয়টি তারে লুকিয়ে আছে ছয় রকমের কষ্ট আমার।। ফুরিয়ে যাওয়া মানুষের মত নির্ঘুম রাত জেগে জেগে গিটার কাঁদতে জানে গিটার কাঁদতে জানে। অভিমানী একটি তারের নিজ চোখের মত চিরদুখী একটি তারের বুকটা জমাট ক্ষত। ফুরিয়ে যাওয়া মানুষের মত নির্ঘুম রাত জেগে জেগে গিটার কাঁদতে জানে গিটার কাঁদতে জানে। একা নামের একটি তারের সুখের একটু পাশে পরবাসী তারটি বড় বিষাদ ভালোবাসে। ফুরিয়ে যাওয়া মানুষের মত নির্ঘুম রাত জেগে জেগে গিটার কাঁদতে জানে গিটার কাঁদতে জানে। ছয়টি তারে লুকিয়ে আছে ছয় রকমের কষ্ট আমার।। ফুরিয়ে যাওয়া মানুষের মত নির্ঘুম রাত জেগে জেগে গিটার কাঁদতে জানে গিটার কাঁদতে জানে।

ধ্রুব তারা

রাতের আকাশের নিশ্চুপ সাক্ষী দূরের ঐ ধ্রুব তারা কতটা বেসেছি ভালো শুধু মন জানে এ হৃদয় জানে।। জানি তুমি আর ফিরবে না নিভে যাওয়া দ্বীপ জ্বালাবেনা আর প্রতি নিঃশ্বাসে কষ্ট ধরে বেঁচে থাকা দায় তোমাকে ছাড়া দূরের ঐ ধ্রুব তারা … এ জীবনে তুমি আমার হবে না নিয়তি কি তবে এভাবে লেখা কেন এ জীবন ছন্নছাড়া স্বাক্ষী তো তুমি প্রিয় ধ্রুব তারা দূরের ঐ ধ্রুব তারা …

মাঝি

হেইয়াহো। হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো। হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো। হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো। হেইয়াহো। মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না আইতাছে ভাইঙ্গা এত বড় ঢেউ সারা বাংলাদেশ জানলো মাঝি তুই তো জানলি না রে। মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না আইতাছে ভাইঙ্গা এত বড় ঢেউ সারা বাংলাদেশ জানলো মাঝি তুই তো জানলি না রে। মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না। হেইয়াহো। হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো। হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো। হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো। হেইয়াহো। পইড়া খবর পত্রিকাতে বুক ভাইসা যায় চোখের জলে দেখতাছি যে টেলিভিশনে ভাইসা গেছে সাগর জলে কুকুর গরু বাছুরের মাঝে উলঙ্গ তোর দেহ খানা। মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না আইতাছে ভাইঙ্গা এত বড় ঢেউ সারা বাংলাদেশ জানলো মাঝি তুই তো জানলি না রে। মাঝি তোর রেডিও নাই বইলা জানতেও পারলি না। হেইয়াহো। হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো। হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো। হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়ো হেইয়াহো। হেইয়াহো। দেইখা ভীষণ অবাক লাগে বড় মানুষ বড় মুখে তারাই নাকি বড় হোটেলে তোর কারনেই তোরই দ...

কেন চলে গেলে দূরে

কেন চলে গেলে দূরে ভাসায় মোরে সুরে কেন ফিরে এলে না আবার বাড়াতে দুঃখের বার কেন চলে গেলে দূরে ভাসায় মোরে সুরে কেন চলে গেলে দূরে বেদনার রংধনু চেয়েছিল মোর অন্তর দুঃখের সুখের ঘর বাঁধিনু বাঁধিনু হৃদয়ে প্রান্তর। আজ এই ঝড় এসে বাধন গেছে চুটে অসীমতার দুঃখ আর অনন্ত পারাপার।।

স্বার্থপর (চলে যদি যাবি দূরে স্বার্থপর)

চলে যদি যাবি দূরে স্বার্থপর আমাকে কেন জোছনা দেখালি হবি যদি নাও ভাসিয়ে দেশান্তর পাথরের বুকে ফুল কেন ফোঁটালি। আমারই সীমানায় সে তো তোর ছায়া সেখানে করে বিচরণ দুঃখের নিবাস রাখিস কি খবর তোর আঘাতেই জমে গেছে নীল আকাশের জমিনে নীল বেদনা।। জানি না কোন প্রহরে হয়েছিলো যে পরিচয় কি পেলাম কি হারালাম সে তো এক সংশয় নীরব এ আড়াল থেকে করেছি যে সব পরিণয় সেই তুমি হারালে ঠিকই সেকি নয় বিষ্ময় আমারই সীমানায় সে তো তোর ছায়া সেখানে করে বিচরণ দুঃখের নিবাস রাখিস কি খবর তোর আঘাতেই জমে গেছে নীল আকাশের জমিনে নীল বেদনা। আঁধার এর অন্তরালে বসে যতবার ভেবেছি শূণ্যতারই হাহকার একাকী শুনেছি তোমারই আঁখি পটে আকাশের নীল দেখেছি সে তো বিবর্ণ হবে কখনো ভাবিনি।।

সবাই বলে যত সর্বনাশের মুল

সবাই বলে যত সর্বনাশের মুল সে নাকি আমারই এই ভ্রমর কাল চুল।। সে চুলে তুললে বাতাস ঢেউ পারে না সইতে বুঝি কেউ। তখনই সাধ নাকি হয়। করতে আবার ভালবাসার ভুল।। সে চুলে বন্দি গহীন রাত সবার তাই স্বপ্ন দেখার সাধ। বুঝি না তাই কী হারাই। সেই আধারে সবার মনের ফুল।।

তুমি জানলে না

তুমি জানলে না আমার হাসির আড়ালে কত যন্ত্রণা, কত বেদনা কত যে দুঃখ বোনা ।। পাহাড়ের কান্নাকে ঝর্ণা সবাই বলে সেই ঝর্ণা ধারায় পাহাড় কষ্টের নদী বয়ে চলে আমাকে দেখেছো তুমি দেখনি এই হৃদয় অনিশ্চয়তার আগুনে পুরে হয়ে গেছে তা ক্ষয় এতদিন পাশে থেকেও আহা আহাহা বুঝনি পাথরের নীরবতা তুমি জানলে না। তুমি জানলে না আমার হাসির আড়ালে কত যন্ত্রণা, কত বেদনা কত যে দুঃখ বোনা তুমি জানলে না।।

মাতওয়ালী

মায়াবি মাতওয়ালী চাঁদ রূপওয়ালি হিজাবের আড়ালে কি ঝলক দেখালি [ও মাতওয়ালি কি ঝলক দেখালি তোর রূপের দেওয়াইন্যা বানাইলি] দৃষ্টিতে তোমার আছে যাদু গোলাপ রাঙা ওই ঠোঁটেতে মধু এক দেখাতেই নজর কাড়িলি হিজাবের আড়ালে কি ঝলক দেখালি [ও মাতওয়ালি কি ঝলক দেখালি তোর রূপের দেওয়াইন্যা বানাইলি] পারিনা বোঝাতে এই মন টাকে তোমাকে চাই আপন করে নিতে হিজাবের আড়ালে কি ঝলক দেখালি [ও মাতওয়ালি কি ঝলক দেখালি তোর রূপের দেওয়াইন্যা বানাইলি] ভাবি গো তোমায় দিবা নিশি কেমনে বোঝাই কত ভালবাসি প্রেমে ডুবাই দেওয়াইন্যা বানাইলি হিজাবের আড়ালে কি ঝলক দেখালি [ও মাতওয়ালি কি ঝলক দেখালি তোর রূপের দেওয়াইন্যা বানাইলি]

ওগো সোনার মেয়ে যাও গো শুনে

ওগো সোনার মেয়ে যাও গো শুনে মৃদু কাকনের রিনিঝিনি বাজিয়ে এসো কোমল পদভরে আমার কপোলে মৃদু পরশ বুলিয়ে শুধু যাও গো বলে ওগো দুষ্টু ছেলে আমি শুনবো না গো তুমি আমার স্বপনে কেন আস গো চুপি চুপি এসে কভু বলবো না গো সেই গোপন কথাটি যাও যাও গো চলে।। তুমি হেসে হেসে কথা বল যবে মনের গহনে এক মাধুরী জাগে কোন মধুর লাজে আমি চুপটি বসে শরমে লুকায়ে আঁখি অনুরাগে আকূল করা এই ব্যাকুলতা। মনের মাঝারে এলো রঙ ছড়িয়ে প্রিয় যাও গো শুনে, আমি শুনবো না গো তুমি আমার স্বপনে কেন আস গো চুপি চুপি এসে কভু বলবো না গো সেই গোপন কথাটি যাও যাও গো চলে।। অনেক কিছুই তো হলো যে বলা এর চেয়ে বেশী কিছু বলবো না গো আসল কথাটি তো হলো না বলা রাত জাগা চোখে ঘুম আসবে না গো আকূল করা এই ব্যাকুলতা। হৃদয় আমার কেন দিলে রাঙ্গিয়ে ওগো দুষ্টু ছেলে আমি শুনবো না গো তুমি আমার স্বপনে কেন আস গো চুপি চুপি এসে কভু বলবো না গো সেই গোপন কথাটি যাও যাও গো চলে।।

একটি মনের আশীষ তুমি

একটি মনের আশীষ তুমি কাছে যখন এলে। নিলেম তোমায় নিবিড় করে মনের মাঝে তুলে।। মেঘলা চোখের দৃষ্টি তোমার আনলো যে আজ শপথ আবার। চলার পথে আলোর মানিক ছড়িয়ে যেন ফেরে।। ছন্দময়ী বন্ধু বেশে থাকবে তুমি আমার পাশে। চাওয়া পাওয়ার হিসেব কষে নাইবা কিছু দিলে।।

পাগল তোর জন্যরে পাগল এ মন পাগল

Image
পাগল তোর জন্যরে পাগল এ মন পাগল। মুখে বলি দূরে যা মন বলে থেকে যা দূরে গেলে মন বোঝে তুই কত আপন।। মুখ বলে এই দূরে গেলে তুই বেশী কিছু আর হবে কি মেঘ ঢাকা দিন চলে গেলে দেবে চাঁদ উঁকি রাতে যখন ওঠে চাঁদ ছুঁতে চাই কেন তোরই হাত। সারাক্ষণই যাস ছুঁয়ে তুই আমার এ মন।। মরি ভেবে হায় উথাল পাতাল এই মনের ভেতরে কি আছে কেন এমন হয় দূরে গেলে তুই চাই কাছে নির্ঘুম কেন কাটে রাত কেন শুধু আর্তনাদ। প্রতিদিন কেন তোকে ভেবে এই হৃদয় ক্ষরণ।। মুখে বলি দূরে যা মন বলে থেকে যা। দূরে গেলে মন বোঝে তুই কত আপন পাগল তোর জন্যরে পাগল এ মন পাগল।।

মন আমার পাথরের দেয়াল সে এক

মন আমার পাথরের দেয়াল সে এক যত আঘাত কর সব সহ্য করেই যাবে মন আমার তুমি যত দুরে যাও আজীবন তোমাকে ভালবেসে তবু যাবেই কত ভালবাসা তোমার জন্য রাখা সে কথা তুমি যদি জানতে বুক চিরে দেখাতে পারলে লুকিয়ে চোখ তুমিও কানতে। ভালবাসা আমার সুদৃশ্য কাঁচ তো নয় একটু আঘাতে চূর্ণ সে হবেই। এই ভালবাসা গোলাপের পাপড়ি নয় একটু বাতাসে ঝরে কেন যাবে ? ।। কত ভালবাসা তোমার জন্য রাখা সে কথা তুমি যদি জানতে বুক চিরে দেখাতে পারলে লুকিয়ে চোখ তুমিও কানতে। এই ভালবাসা গিটারের শুরে বাঁধা নেওন’এর শুর সে তো তুলে যাবেই। মনের মিছিল এতটা ছোট নয় তোমার সামনে স্লোগান সে দেবেই ।। কত ভালবাসা তোমার জন্য রাখা সে কথা যদি তুমি জানতে বুক চিরে দেখাতে পারলে লুকিয়ে চোখ তুমিও কানতে।

তোমায় ভেবে

তোমায় ভেবে .. (সম্পূর্ণ লিরিক আসছে )

ও বন্ধু লাল গোলাপী

ও বন্ধু লাল গোলাপী, ও বন্ধু লাল গোলাপী কই রইলা রে, এসো, এসো বুকে রাখবো তোরে এসো, এসো বুকে রাখবো তোরে (২) তুমি বন্ধু হইলে আমার নাইতো কিছু বাকি চাওয়ার তুমি আমি দু’জন মিলা সাজাইবো সুখের সংসার আরে সাজাইবো সুখের সংসার তোমারে পাইলে সখি, তোমারে পাইলে সখি হইতরে এসো, এসো বুকে রাখবো তোরে এসো, এসো বুকে রাখবো তোরে ফুলশয্যা সাজাইবো, ফুলশয্যা, প্রেম দশা খেলাইবো আমার মনের যত্ত আশা সবি মিটাইবো মিটাইবো, আরে আশা সবি মিটাইবো রাখিব তোরে আমার, রাখিব তোরে আমার আদরে এসো, এসো বুকে রাখবো তোরে এসো, এসো বুকে রাখবো তোরে ।।

খুঁজে খুঁজে

তোমাকে খুঁজে পাই ঐ নীল আকাশে পাই যে খুঁজে ঐ মিষ্টি বাতাসে।। তোমায় ভালোবাসি আমি ভালোবাসি পেতে চাই আরো কাছে, আরো কাছে খুঁজে খুঁজে দু’চোখ বুঝে পাই তোমায় আরো কাছে, একই ডোরে বাঁধা দু’জন থাকবো সারা জনম ধরে। কপালের ঐ টিপ চোখেরই কাজলে, তোমাকে জড়িয়ে রাখবো প্রেমেরই আঁচলে। রংধনুর রঙে নয়, নয় ঝর্না ধারাতে তোমার উপমা খুঁজি দু’চোখের তারাতে। খুঁজে খুঁজে দু’চোখ বুঝে পাই তোমায় আরো কাছে, একই ডোরে বাধা দু’জন থাকবো সারা জনম ধরে। তুমি ফুল হয়ে সুরোভী ছড়ালে, প্রেমেরই চাদরে হৃদয় জড়ালে। দাওনা তুমি দু’হাত বাড়িয়ে, ভালোবেসে যেতে চাই তোমাতে হারিয়ে। খুঁজে খুঁজে দু’চোখ বুঝে পাই তোমায় আরো কাছে, একই ডোরে বাধা দু’জন থাকবো সারা জনম ধরে।

ও দাদী ও দাদী

ও দাদী ও দাদী আমি তোমার দিওয়ানা ।। ও দাদী ও দাদী একটু আদর করো না । তুমি মাথা ঠান্ডা করিয়া নাও আমায় ঘরে তুলিয়া ।। ও দাদী ও দাদী আমি তোমার দিওয়ানা । এসেছি গো এসেছি গো ভালবেসে এমেরিকা থেকে এই বাংলা দেশে সাদা সাদা কত মেমে ঘুরতো পিছে সব ফেলে এসেছি তোমার কাছে বকো ঝকো মারো ধরো যাই খুশি তাই করো আমি যাবো না ও দাদী ও দাদী আমি তোমার দিওয়ানা । ও দাদী ও দাদী একটু আদর করো না । বুড়ো কালে পেয়েছো কচি হিরো এত বড় ভাগ্য হবে না কারো কাঁচাপাকা চুল দেবো বেনী করে টিপ দেব পড়িয়ে কপাল জুড়ে রাগারাগি ঝেড়ে ফেলো দার খোল দার খোল দেরি করো না ও দাদী ও দাদী আমি তোমার দিওয়ানা । ও দাদী ও দাদী একটু আদর করো না । তুমি মাথা ঠান্ডা করিয়া নাও আমায় ঘরে তুলিয়া ।। ও দাদী ও দাদী আমি তোমার দিওয়ানা ।

একা আছি তো কি হয়েছে

একা আছি তো কি হয়েছে সবই তো আছে আমারই কাছে এই তুমি আছো, হৃদয়ে আছো আমারই জীবন তোমারই এখন একা আছি তো কি হয়েছে সবই তো আছে আমারই কাছে এই তুমি আছো, হৃদয়ে আছো আমারই জীবন তোমারই এখন একা আছি তো কি হয়েছে আজ আমারই স্বপ্ন সত্যি যে হলো এই মনে এই প্রাণে গড়েছি স্বর্গ এই ভুবনে এই তুমি আছো, হৃদয়ে আছো আমারই জীবন তোমারই এখন একা আছি তো কি হয়েছে আর কভু খুলবে না আমাদের বন্ধন জীবনে মরণে করি না যে ভয় কভু দু’জনে এই তুমি আছো, হৃদয়ে আছো আমারই জীবন তোমারই এখন একা আছি তো কি হয়েছে দিনরাত সারাবেলা থাকবো লুকিয়ে ।। নয়নে গোপনে জড়িয়ে রবো মধু মিলনে এই তুমি আছো,হৃদয়ে আছো আমারই জীবন তোমারই এখন একা আছি তো কি হয়েছে