পোস্টগুলি

নাঈম মিয়া লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভক্তিগীতি – মোঃ নাঈম মিয়া

শিল্পী: নাঈম মিয়া ১/ দুর্গতি নাশ করতে মাগো ধরার বুকে এলে বিপদ সকল দেখলে তোরে যাবে মাগো পলে।। মাতৃ চরণ ছায়া যে ঐ নাচবে আজি শীর্ষ আলোয় কালো মায়ের চরণালয় আলোতে আজ জ্বলে।। কালি মায়ের কালো চরণ আজি মোরে করলো আপন নাশ হইলো পাপ যে কখন মাতৃ চরণ তলে।। ভিরু শঙ্কর বাজে শঙ্খ নিয়াছে সবে হাতে তুলে পূজো পুষ্প,আরতি ডালা মায়ের পূজোর বলে।। ২/ দে মা মোরে কী দিবি দে মুক্তি নাকি শক্তি দিবি নে মা এবার কী নিবি তুই ভকতি নাকি স্তুতি নিবি।। দেখছি জগৎ নাচচে আলোয় তোর আসাতে উঠলো রবি হৃদয় মন্দির খুললো তালা তোর আসাতে পেলেম চাবি।। বল মা মোরে রাঙ আঁচল তোর কোথা গিয়ে উড়াবি নাকি রে তোর পাগল সন্তান অধমেদের ক্রন্দন দেখবি।। ডাক মা এবার ডাক সবারে নিয়ে এলো যারা দাবি পূজোর তালা হস্তে সবার সবার পূজো গ্রহণ করবি।। ৩/ মা কালি তোর কালো রুপে দেখিলেম এ কেমন আলো যে আলোতে জগৎ সাড়া সকল আঁধার লোপ পাহিলো।। কী যে আর বলি তোরে মনে যে মানেনা রে তোর ঐ রুপ নাগরে শীর যে আমার ধাবিল রে। দিয়াছ মোর দুখ ভাঙিয়া উঠিলো হৃদয় রাঙিয়া আজিকে অশান্ত মনে শান্তি যে এলো।। পূজিতে মা তোরে এবার বরণডালা ...

মোহাম্মদের নামের ধ্যায়ান এ হৃদয়ে আমার

শিল্পী: নাঈম মিয়া মোহাম্মদের নামের ধ্যায়ান এ হৃদয়ে আমার হাবিবী ইয়া হাবিব আমায় করিও উদ্ধার।। তুমি এ জগতের নিশান তুমি নবী সততার বাগান আমারে করে মেহেরবান দেখা দাও হই দয়াধার।। নবী তোমার নামের গুণে পার কত পাপী কতজনে মোহাম্মদ নামের স্মরণে ছাড়লাম এ নাও আমার।। আসলে তুমি সত্যের ন্যায়ে এই বিশ্ব মোহনায়ে নিও আমায় নিদানে উদ্ধারিয়ে হে পারের কান্ডার।। তাওহিদেরই মুর্শিদ তুমি উম্মতে রাসুল তুমি গুণাহগার নাদান আমি হে রাসুল হও কর্ণধার।।

নবী কমলিওয়ালা দুজাহানের বাদশা

শিল্পী: নাঈম মিয়া নবী কমলিওয়ালা দুজাহানের বাদশা(কামলিওয়ালা)।। মরু সাহারায় এলেন ফুল ফুটাতে আললাহর বন্ধু হাবিবুল্লাহ গুণাহ নাই যার আছে পূণ্য পাঠায়েছেন পাক রাব্বুল আল্লাহ।। যে নবীর নাম শুনে হৃদয় জুড়ায় খুলে যায় হৃদয়ের তালা পাপ সব হেরে যায় হৃদয় থেকে উজলে হয়ে যায় উতলা।। নবী নাম শুনে ঐ কেঁপে উঠে গিরিখাত ভেঙে যায় অগ্নিশালা থেমে যায় তাহাদের প্রখর উত্তাপ পৃথিবী হয়ে উঠে উজ্জ্বালা।।

নামাজ রোজা পালন করো মন বিনয় করি

শিল্পী: নাঈম মিয়া নামাজ রোজা পালন করো মন বিনয় করি তবেই তুমি জান্নাতে দিবে পাড়ি।। জুয়া খেল আর ঘুষ যে মহা পাপের ঠাই সবে মিলে জুয়া ঘুষ সব দূর সারাই মিথ্যা ঘুষ আর জুয়াখেলা দাও ছাড়ি হবে না কাজ যদি সেই টাকা আবার দান করি।। গাজা মদ ছাড়ো ওরে মনা দূর সরো একত্ববাদ মাবুদে বিশ্বাস করো তব মাঝে খোদার দয়া হবে সঞ্চারি যদি থাকো আল্লাহ কে ভয় করি।। রুপ দেখানো নামাজে মন নাইরে লাভ যদি না রয় রাসুল প্রেমে কোনো ভাব মা বাপেরে শ্বশুর শ্বাশুড়ি যদি না রও মান্য করি যমপুরে দয়া বিনে দুখ পাবি।। ক্রন্দনে তাই দীনহীন নাঈম বলে বিপথীরা পথ খুঁজরে চোখ খুলে নইলে যাইবা ঘোর আন্ধার মাঝে পড়ি কাজ হবে না টাকা পয়সা জমিদারি।।

নবীর শান গাহিতে বাধা আসে স্পর্ধা কী যে তার

শিল্পী: নাঈম মিয়া নবীর শান গাহিতে বাধা আসে স্পর্ধা কী যে তার ঘুম সমস্যা হয় শুনিলে আল্লাহু আকবার।। কানে ধরে শুনলে আউয়াজ নূনবীজির শান শুনতে তারা ভালোবাসে বাজনাওয়ালা গান নবীর শানে পড়লে গজল বলবে এবার আমায় পাগল করবে ঘরের বার।। ঘুমিয়ে আছে নিরিবিলি দালান কোটার ডোরে টাকা পয়সা জমিদারি তার অহংকার তাই করে গরিবের স্থান নাইকো যেথা আছে শুধু সমঝোতা মসজিদ নাকি তার।। ওরে ছেলে দেইরে বাধা গাইবে না আর গজল ঘুম হয় না যে ঐ আওয়াজে ফেলে রাখ তোর রাসুল রাসুল প্রতি নাইকো ইমান হৃদয়খানি কত পাষাণ বুঝো মানুষ তার।।

তুমি যে হলে শ্রেষ্ঠ বাংলার কূল

শিল্পী: নাঈম মিয়া তুমি যে হলে শ্রেষ্ঠ বাংলার কূল এ ধরাতে তুমি এক সুগন্ধময় ফুল। তোমারই নামে গাঁথি গো মালা তবে এই মনে পাই আমি সুখ ওগো শামসুল ওলামা মুর্শিদে বরহক।। ফুল সেরা ফুল তুমি হৃদয় কাননে কত ভ্রমর ঘুরে সেই ফুলেরই ঘ্রাণে ও ফুলের পাগল আমি খুলে হৃদ্দচোখ।। হাজারো ফুলের মাঝে তুমি যে শ্রেষ্ঠ পাপেরই হা-হা-জার করে দাও পিষ্ট নূরে যেন রাঙা তোমার নূরানী ত্বক।। হৃদয় ছুয়ে যায় ফুলেরই ঘ্রাণে তুমি যে সেই ফুল ত্রিলোক ভূবনে হাজারো মানব ভিরে দেখি তোমার মুখ।। ——– রচনাকাল-১৭ই রামাদ্বান ১৪৪৩ এপ্রিল ২০২২ গানপুর,মাঝহাটি

পড়ে দুরুদ শুনি আমার নবীর শানে

শিল্পী: নাঈম মিয়া পড়ে দুরুদ শুনি আমার নবীর শানে ওরে আওয়াজ ধ্বনি ভেসে আমার আসে কানে।। আমার নবীজির নাম শুনলে জুড়ায় হৃদয়খানি বলিস না রে থাম, থামতে যারা বলবে আমায় জানি তারা কাফের সব ভূবনে।। নবীর নামের গুণেতে পাপীগণে পায়রে মুক্তি সকলি পাপ হতে, তাই সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলো সবে সততার ধ্যানে।। হায়রে হায় মানব জাতি চিনিলাম না নবীজিকে করলাম নিজের ক্ষতি, চিনলো অজীব,পক্ষি,হাওয়া বনের হরিণ মানুষগণ বিনে।। রচনাকাল-১৮/০৪/১৪২৯

একবার যদি আমি আরব যেতাম নবীজির দেশে

শিল্পী: নাঈম মিয়া একবার যদি আমি আরব যেতাম নবীজির দেশে রওজা নবীর মদিনা শরিফ দেখতাম আফসোসে।। নবী মোদের মদিনাওয়ালা আসলেন ভূবন মাঝে জীব,জ্বীন পাহাড় টিলা করে কলরব সালাম জানায় চরণ মোবারক মাঝে।। ইয়া মুহাম্মদ সাল্লেআলা আওয়াজ ধ্বনি ঐ আসে বুলবুলিরা ডাকে শুনা যায় হাওয়ায় হাওয়ায় ভাসে।। অধম আমি কাঁদি সদা যেতে পারিনি মদিনাতে নবীর শানে তাই পড়ি দুরুদ আল্লাহ যেন শুনেন সকল নাতে।। রচনাকাল-২৩/১৯/২৩

দুজাহানের বাদশা নবীজি মোহাম্মদ রাসুল

শিল্পী: নাঈম মিয়া দুজাহানের বাদশা নবীজি মোহাম্মদ রাসুল আমেনা মায়ের উদরে এলেন বিশ্বকূল।। নবীর এনতেজারে খুশি দুনিয়ার সকল এসেছেন হাবিবুল্লাহ মোহাম্মদ রাসুল।। উৎফুল্লে সব জড় জীবেরা হয়েছে মশগুল ইসলাম শিশু নূর মোহাম্মদ নূর ইয়া নূরে দুল।। দোলারি দুলাল বিশ্ব দুলাল ইমানেরই ফুল দুদোল দুলে নূরে লালে লাজমুখী চাঁদ তুল।। পাপ হানিলো গুণাহ গেলো মুক্তি পেল ভূল নবী এলো নূর মোহাম্মদ গান গাহে বুলবুল।। আলোয় আলো দুনিয়া হলো আলোতে ঝলমল রাসুলুল্লাহ’র আবাস হলো দুনিয়া মদিনাতুল।। রচনাকাল-১/৩/২৩

নবীর নামে পড়ো দুরুদ,ওহে মুমিন মুসলমান

শিল্পী: নাঈম মিয়া নবীর নামে পড়ো দুরুদ,ওহে মুমিন মুসলমান গাওরে মানব গাও তোমরা,রাসুল নামের শান।। নবী মোদের ত্বরানেওয়ালা,ত্বরাবে আসলে উম্মতের নিদান নূরে গড়া নূরানী বদন-দেখিলে জুড়াবে বুঝি এ পরাণ।। রাসুলের নামের শান করিলে,দ্বীনের পথে চলিলে দেখিও কত শান্তি মিলে-বেহেশত হইবে শান্তিবিধান।। উম্মতের জন্য মদিনা শুয়ে,করেন নবীজি ক্রন্দন দান উম্মতি উম্মতি কাঁদেন যিনি-গাও সবে তার গুণগান।। ——- রচনাকাল-২৩ জিলহজ্জ্ব ১৪৩৮ শিবপাশা, পথেপ্রান্তে

আমি দিন দুখিনী গো কেমনে যাইবো মদিনা

শিল্পী: নাঈম মিয়া আমি দিন দুখিনী গো কেমনে যাইবো মদিনা আমি সামর্থ্য পাইনা আমি সামর্থ্য পাই না গো।। টাকাকড়ি নাই যে আমার নাই যে কোনো জমি তাহার মূল্যে মদিনাতে চলে যেতাম আমি শুনো গো কে যাও ভূস্বামী সালাম এ মোর নাওনা।। মোহাম্মদের নামে কত তাহবিহ পড়িলাম তবু ও এই পাপী আমি সমজিয়ে না দিলাম পড়িলাম গো কত কালাম মদিনাতে গেলাম না।। হাজার লক্ষ কোটি মানুষ ঐ মদিনায় ভীরে পাক রাব্বুলে গরিব কইরা বানাইলো আমারে বলছিলাম আশা করে পূরবে মনের বাসনা।। বুলবুলিরে যাও রে বুঝি ঐ আরব শহরে পৌছাইয়ো মোর সালামখানি নূর নবীর শিয়রে কাজটি দাও না করে পুড়াও মোর বাসনা।। যদি আমার থাকতো সামর্থ্য পুরাইতাম সব আশা নবীর রওজায় দাঁড়াই থাকতাম না হইতাম নিরাশা পুঁড়া কপাল দুঃখে খাসা করি সদা ভাবনা।।

আল্লাহ’কে হবে ভালোবাসা নবীকে বাসলে ভালো

শিল্পী: নাঈম মিয়া আল্লাহ’কে হবে ভালোবাসা নবীকে বাসলে ভালো যে নবীর খাতিরে সৃজন সবই চন্দ্র সুরুজ উদয় হলো।। যে নবীর প্রেমেতে বনের হরিণ দেওয়ানা হলো সে নবীর নাম ধ্বনি কত যে গুণ হে মুমিন স্বীকার করো।। মরু সাহারা ছিল হাহাকার বাতাস সেথায় এলো নবীর শানে বাতাসেরা জয়ধ্বনি করে উঠিলো।। প্রভূ নিজে যার প্রেমে মগ্ন তার প্রেমে মজতে কী দোষ বলো উম্মতে হাবিব রাসুলুল্লাহ যার শানে দ্বীন পয়দা হলো।।

আমার নবীর শানে ঐ পড়ে দুরুদ

শিল্পী: নাঈম মিয়া আমার নবীর শানে ঐ পড়ে দুরুদ জীব অজীব জ্বীন পরি হুর বৃক্ষ সম্প্রদায় পাগাড় ঝর্ণা আকাশ বাতাস পাতাল মরুভূমি সকলেরই কন্ঠে নবীর দুরুদ শোনা যায় রে।। আকাশের ঐ চন্দ্র কে রে আনলো দুনিয়ায় কমলিওয়ালা সাল্লাল্লাহু ধ্বনি শোনা যায় রে।। আল ইনসান ইয়া হাবিবুল্লাহ মুখে শোনা যায় কে এলো ঐ রাসুল রুপে সোনার মদিনায় রে।। চিনিলো নবীকে ঐ আবাবিল পাখিরায় নবীর জন্ম কালে তাইতো তারা কাবার পাশে ঘুরায় রে।। রাসুল নামের পড়লে দুরুদ পরাণো জুড়ায় কমলিওয়ালা নবীর শান জপো সবাই রে।। ———– রচনাকাল-২৮/০২/২০২৩ খ্রি. ১৫ ফাল্গুন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

আজ বিয়ার ও দিবসে পাড়া পরশি শেষে

শিল্পী: নাঈম মিয়া আজ বিয়ার ও দিবসে পাড়া পরশি শেষে আসে ঘরে ফিইরা, বিয়ার ঐ বাসর ও মাঝে জামাই নাঈম থুইয়া গো।। নয়া মুখে নয়া দামান বউ’র হম্মুখে গিয়া সোহাগ নি পাইবো বাসরে বউয়ের কাছে গিয়া গো। আজ নাঈমের বিয়া।। পিরিত যতন পিরিত রতন করলে সোহাগ গিয়া পিরিতে পিরিত ও মিলে বুঝিয়া যাচিয়া গো। আজ নাঈমের বিয়া।। নাঈম একজন আলাবুলা বউয়ের রুপ দেখিয়া আপন কর্ম কইবো সকল বাসর বাণী মুইয়া গো। আজ নাঈমের বিয়া।। সোহাগ সাধে সোহাগ পাইবো পাইবো নাঈম মিয়া নইলে বউয়ে চইলা যাইবো তিনটা টুক্কুর দিয়া গো। আজ নাঈমের বিয়া।।

আপন জেনে সহায় থেকো পারলে এক্তিয়ারে

শিল্পী: নাঈম মিয়া আপন জেনে সহায় থেকো পারলে এক্তিয়ারে তুমি মাবুদ সর্বদ্রষ্টা রক্ষা করো আমারে।। তোমার আশায় কতজনা মারহাবা পেয়ে সৎ যাপনা যার কেহ কাটা পথে তুমি বাঁচাও তারে।। তুমি অসীম ওগো সাঁই রাব্বানা দেখবো তোমায় বেহেশত চাই না ধন্য হইবো জীবন আমার দেখিয়া তোমারে।। কত পাপীর নাই ভাবনা দিনে রাতে করে ও গোণাহ মিথ্যার আশ্রয়ে লয় দানা এই ভব সংসারে।। দেখাও পারলে একটু করুণা নাঈমের মনে পাইবে স্বান্তনা জুরাইবো দুই নয়না দেখলে তোমারে।।

আজকে নাঈমের বিয়া রে

শিল্পী: নাঈম মিয়া আজকে নাঈমের বিয়া রে আজকে নাঈমের বিয়া নাঈম রে লইয়া যাইবো বরযাত্রী আসিয়া রে।। রঙ্গে ঢঙ্গে যায় বরযাত্রী নাঈম নাঈম কইয়া নাঈম কী আর দেখতে আছে কে যাইলো সঙ্গিয়া রে।। আতর গোলাপ চুয়া চন্দন ছিটাইয়া ছিটাইয়া নাঈম রে নেয় বরযাত্রী দল বিয়া বাড়িত লইয়া রে।। বিয়ার ফান্দে পড়ছো নাঈম লও ঠ্যালা সামলিয়া বাসর ঘরের বধূর কাছে জবাবদিহি দিয়া রে।।

নাঈমের গায়ে হলদি রে আনো তোমরা জলদি

শিল্পী: নাঈম মিয়া নাঈমের গায়ে হলদি রে আনো তোমরা জলদি। পাড়া পরশি সকলের মন উঠে ফালদি ফালদি রে।। কুঞ্জ মাঝে গেছ নাঈম বুর পারিবায় তুমি হওর বাড়িন্ত যাইবায় এবলা নয়া রুপ ও ধরি রে।। হলুদ বরন হইলো নাঈম কুঞ্জ মাইজো গিয়া কিলা রঙে হাজলায় নাঈম দেখছনি তাকাইয়া রে।। রকমফের কতজনা আইছে তোরে দেখতে সময় নি কাটিলো নাঈম সাধের পোশাক পিনতে রে।।

আল্লাজির নাম লও রে মনা আল্লাজির নাম লও

শিল্পী: নাঈম মিয়া আল্লাজির নাম লও রে মনা আল্লাজির নাম লও নামাজ রোজা কায়েম করো তাসবিহ লইয়া বও।। আছে কতক পাড়া পড়শি কিংবা সন্তান বউ কেউ কারোর নয় রাইখো মনে ডাকো দয়াময়।। দুনিয়াবি ছাড়ো মনা অকুত কর্ম থও আল্লাহ নামের পথের মাঝে সব বিলিয়া দেও।। নাঈম তুমি ধৈর্য ধরো অন্যায় নাহি সও পাপের ঘরে জ্বালাও আলো পথে ফিরতে কও।।

শূন্যের উপর ঘর যে আমার নড়বড় নড়বড় করে

শিল্পী: নাঈম মিয়া শূন্যের উপর ঘর যে আমার নড়বড় নড়বড় করে সেই ঘরেতে থাকি নাঈম আল্লাজির নাম ধরে।। কদিন রবো সেই ঘরেতে প্রশ্ন হয় অন্তরে আমি ভবে আসছি চলে যাবো, কে ঠেকাবে মোরে।। কান্দন ও জুটিলো নাঈম স্মরিয়া বার বারে আল্লাজি মোর হয় নি সহায় দুঃসময় হাশরে।। তাইতো নাঈম ঘর বাধিনা দিন যাইতেছে পুড়ে থাকবো নাকো জানি আমি মিছা রঙ্গপুরে।।

কদিন আর থাকিবে ভবমাঝারে ওরে ও নাঈম রে

শিল্পী: নাঈম মিয়া কদিন আর থাকিবে ভবমাঝারে ওরে ও নাঈম রে কদিন আর থাকিবে ভবমাঝারে। সময় থাকতে চাও পানা আল্লাজির দরবারে।। আল্লাহ আল্লাহ করে যেন যাই মৃত্যুপুরে সেই আকাঙ্খায় ইহকর্ম করবো ধৈর্য ধরে।। এক আল্লাতে বিশ্বাসী মুই ত্রি জগত মাঝারে দেখছনি ভাবিয়া মনা থাকবা কোথায় পরে।। আল্লাহ এক আল্লাহ এক নাও বিশ্বাস করে সুখ শান্তি পাইবা শেষে দয়ালের হাশরে।। ডাকো নাঈম ডাকো তুমি এক আল্লাজি রে আল্লাহ নামের তাসবিহ পইড়া ভূলো সব মায়ারে।। বউ কেবা পুত্র কেবা স্বজন কে আছে রে আপন আপন সবাই যে পর চিনবে না কেউ কেউরে।।