পোস্টগুলি

হেমন্ত মুখোপাধ্যায় লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ঐ দূরে চেনা সুরে কে যেন ডাকে বারে বারে

শিল্পী: সলিল চৌধুরী গীতিকার: সলিল চৌধুরী সুরকার: সলিল চৌধুরী ঐ দূরে চেনা সুরে কে যেন ডাকে বারে বারে সে কি তুই খোঁজও মোরে এসো, এসো, এসো ।। অন্তর দাহো অন্তবিহীন আর যেন কাটে না গো এ দিন স্বপনেরো যাচনা যা ছিলো রঙিন আজ তার কোনো রেশ আসে না ফিরে ।। কিন্তুর দ্বন্দ্বে নেই প্রয়োজন ছন্দের মন্ত্রের আজ আয়োজন যুগ যুগ ধরে আমাদের নিয়োজন কি করে ভুলে তা গেছো ফিরে ।। * গান – ঐ দূরে চেনা সুরে কে যেন ডাকে বারে বারে লিরিক্স – সলিল চৌধুরী

পথ হারাবো বলেই এবার পথে নেমেছি

শিল্পী: সলিল চৌধুরী গীতিকার: সলিল চৌধুরী সুরকার: সলিল চৌধুরী পথ হারাবো বলেই এবার পথে নেমেছি সোজা পথের ধাঁধায় আমি অনেক ধেঁধেছি ।। নিষেধের পাহারাতে ছিলেম রেখে ঢেকে সে কখন গেছে ফিরে আমায় ডেকে ডেকে । নয়ন মেলে পাবার আশায় অনেক কেঁদেছি এই নয়নে পাবো বলেই নয়ন মুদেছি ।। চেনা শোনা জানার মাঝে কিছুই চিনি নি যে, অচেনায় হারায়ে তাই আবার খুঁজি নিজে । সে যে গান শুনিয়েছিল হয়নি সেদিন শোনা সে গানের পরশ লেগে হৃদয় হল সোনা । রাগের ঘাটে ঘাটে তারে মিছেই সেধেছি সুর হারাবো বলেই সেতার সুরে বেঁধেছি ।। * গান – পথ হারাবো বলেই এবার পথে নেমেছি লিরিক্স – সলিল চৌধুরী

আমি ঝড়ের কাছে রেখে গেলাম

শিল্পী: সলিল চৌধুরী গীতিকার: সলিল চৌধুরী সুরকার: সলিল চৌধুরী আমি ঝড়ের কাছে রেখে গেলাম আমার ঠিকানা। আমি কাঁদলাম বহু হাসলাম এই জীবন জোয়ারে ভাসলাম আমি বন্যার কাছে ঘূণীর কাছে রাখলাম নিশানা।। কখন জানিনা সে তুমি আমার জীবনে এসে যেন স্বঘন শ্রাবনে প্লাবনে দুকূলে ভেসে শুধু হেসে ভালোবেসে । যতো যতনে সাজানো স্বপ্ন হলো সকলি নিমেষে ভগ্ন আমি দূর্বার স্রোতে ভাসলাম তরী অজানা নিশানা।। ওগো ঝড়া পাতা যদি আবার কখনো ডাকো সেই শ্যামল হারানো স্বপ্ন মনেতে রাখো যদি ডাকো যদি ডাকো । আমি আবার কাঁদবো হাসবো এই জীবন জোয়ারে ভাসবো আমি বজ্রের কাছে মৃত্যুর মাঝে রেখে যাবো নিশানা।। * গান – আমি ঝড়ের কাছে রেখে গেলাম লিরিক্স – সলিল চৌধুরী

তারে বলে দিও সে যেন আসে না

শিল্পী: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ছবি: দুই ভাই গীতিকার: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার সুরকার: হেমন্ত মুখোপাধ্যায় তারে বলে দিও সে যেন আসে না আমার দ্বারে, ওই গুন্ গুন্ সুরে মন হাসে না ।। ওই ফুলমালা দিলো শুধু জ্বালা ধূলায় সে যাক্ ঝরে যাক্ না, এই ভাঙা-বাঁশি ভোলে যদি হাসি ব্যথায় সে থাক্ ভরে থাক্ না । জানি ফাগুন আমায় ভালোবাসে না ।। নেই আলো চাঁদে যেন রাত কাঁদে এ আঁধার শেষ তবু হয় না, যায় প্রেম সরে ফাঁকি দেয় মোরে এই ব্যথা প্রাণে সয় না । হায় স্বপ্নে আঁখি আর ভাসে না ।। *** গান – তারে বলে দিও সে যেন আসে না লিরিক্স – গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার

তোমার ভুবনে মাগো এত পাপ

শিল্পী: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ছবি: মরুতীর্থ হিংলাজ গীতিকার: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার সুরকার: হেমন্ত মুখোপাধ্যায় তোমার ভুবনে মাগো এত পাপ, এ কি অভিশাপ, নাই প্রতিকার– মিথ্যারই জয়, আজ সত্যের নাই অধিকার।। কোথায় অযোধ্যা, কোথা সেই রাম– কোথায় হারালো বনধাম, এ কি হল, পশু আজ মানুষেরই নাম। সাবিত্রী সীতার দেশে দাও দেখা তুমি এসে শেষ করে দাও এই অনাচার।। তোমার কঠিন হাতে বজ্র কি নাই– হিংসার কর অবসান, তোমার এ পৃথিবীতে যারা অসহায় তুমি মা তাদের কর ত্রাণ | চরণতীর্থে তব এবার শরণ লব দুর্গম এই পথ হব পার।। *** গান – তোমার ভুবনে মাগো এত পাপ লিরিক্স – গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার

সূর্য ডোবার পালা আসে যদি আসুক বেশ তো

শিল্পী: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ছবি: ইন্দ্রাণী গীতিকার: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার সুরকার: নচিকেতা ঘোষ সূর্য ডোবার পালা আসে যদি আসুক বেশ তো গোধূলির রঙে হবে এ ধরণী স্বপ্নের দেশ তো ।। তারপরে পৃথিবীতে আঁধারের ধূপছায়া নামবেই মৌমাছি ফিরে গেলে জানি তার গুঞ্জন থামবেই; সে আঁধার নামুক না, গুঞ্জন থামুক না কানে তবু রবে তার রেশ তো ।। তারপরে সারারাত দু’জনেই একা একা ভাববো হৃদয়ের লিপিকাতে কে যেন লিখেছে এক কাব্য । জোনাকিরা দীপ জ্বেলে আমাদের সাথে রাত জাগবেই, দু’টি প্রাণে চুপে চুপে নতুন সে সুর এক লাগবেই; জোনাকিরা জাগুক না, প্রাণে সুর লাগুক না চাওয়াতে পাওয়াতে হবে শেষ তো ।। *** গান – সূর্য ডোবার পালা আসে যদি আসুক বেশ তো লিরিক্স – গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার

মৌ বনে আজ মৌ জমেছে

শিল্পী: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার গীতিকার: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার সুরকার: নচিকেতা ঘোষ মৌ বনে আজ মৌ জমেছে বৌ-কথা-কও ডাকে, মৌমাছিরা আর কি দূরে থাকে । ছন্দভরা গন্ধঝরা এ এক নতুন বেলায় আমারে আজ কে আর ধরে রাখে ।। নতুন নতুন সুরে পাখিরা গায় নতুন নতুন ফুলে রং ভরে যায় তাদের ঘিরে প্রজাপতি পাখায় স্বপ্ন আঁকে ।। নতুন নতুন খুশি হৃদয়ে পাই নতুন নতুন পথে আজ কোথা যাই উঁকি দিল সূর্যসোনা ভাঙা মেঘের ফাঁকে, আর নতুন কিছু পাব এবার জীবন পথের বাঁকে ।। *** গান – মৌ বনে আজ মৌ জমেছে লিরিক্স – গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার

যে বাঁশি ভেঙে গেছে তারে কেন গাইতে বলো

শিল্পী: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ছবি: স্বরলিপি গীতিকার: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার সুরকার: হেমন্ত মুখোপাধ্যায় যে বাঁশি ভেঙে গেছে তারে কেন গাইতে বলো? কেন আর মিছেই তারে সুরের খেয়া বাইতে বলো ।। আজ সোনার খাঁচায় বন্দী পাখির কণ্ঠে যে নেই সুর, আজ যেন সেই বনের ছায়া সে তো অনেক দূর । তাকে হারিয়ে যাওয়া ফাগুনেরে ফিরে কেন চাইতে বলো ?। একদা সুরে সুরে দিতো যে হৃদয় ভরে দেখো তার গানের বীণা ধূলায় পড়ে । আজ সব হারানোর নীরব ব্যথায় কাঁদে গো যার প্রাণ, বলো ওগো কেমন করে গাইবে সে তার গান । মিছে ফাগুন বেলার হাসিতে তার সুরের ভুবন ছাইতে বলো ।। *** গান – যে বাঁশি ভেঙে গেছে তারে কেন গাইতে বলো লিরিক্স – গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার

যদি কোনোদিন ঝরা বকুলের গন্ধে

শিল্পী: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ছবি: ইন্দ্রধনু গীতিকার: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার সুরকার: রবীন চট্টোপাধ্যায় যদি কোনোদিন ঝরা বকুলের গন্ধে হও তুমি আনমনা, জেনো ওগো গরবিনী, সে নহে সুরভি, সে মন গো এই মিলন তিথির কামনা ।। রাত জাগা এক পাখি, হয়তো সেদিন হারানো সাথীরে কাঁদিয়া ফিরিবে ডাকি । সে নহে কূজন, সে যেন গো এই মিলন তিথির কামনা ।। উতলা মাধবী রাতে স্মৃতি যদি ব্যথা আনে তুমি) কেঁদো না গো অভিমানে । যদি কোনো অবসরে, কিছু ব্যথা আর কিছু গান নিয়ে বাতাস বিলাপ করে । সে নহে রোদন, সে যেন গো এই মিলন তিথির কামনা ।। *** গান – যদি কোনোদিন ঝরা বকুলের গন্ধে লিরিক্স – গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার

দিয়ে গেছি সবি তবু দিলে ফাঁকি

শিল্পী: পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় ছবি: কেদার রাজা গীতিকার: পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় সুরকার: কালীপদ সেন দিয়ে গেছি সবই তবু দিলে ফাঁকি ভব-নদী পারে আজো বসে থাকি ।। কবে তব দয়া হবে ত্রিতাপ জুড়াবে যবে ওগো কৃপাময়ী করুণাতে তব আলোর পরশ পাবে আঁখি ।। জানি লীলাময়ী তুমি আমি তব লীলাভূমি গরিমা তব বুকে বহি তোমাকেই শুধু ডাকি ।। *** গান – দিয়ে গেছি সবি তবু দিলে ফাঁকি লিরিক্স – পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়

লাজবতী নুপুরের রিনি ঝিনি ঝিনি

শিল্পী: পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় ছবি: নতুন জীবন গীতিকার: পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় সুরকার: রাজেন সরকার লাজবতী নুপুরের রিনি ঝিনি ঝিনি ভালো যদি লাগে তবে দাম দিয়ে কিনি ভেবোনা ভেবোনা বেশি তো নেবনা বেহিসাবি ভালবেসে হব না ঋণী ।। জীবনটা আমি বলি উৎসব একমুঠো জলসার কলরব ভেবোনা ভেবোনা বেশি তো নেবনা মায়াবতী মনে মোর এসো মায়াবিনী ।। উড়ন্ত সময়ের সঙ্গে আমার নেইকো চুক্তি তাই একটু থামার কোথাও থামার । ভাবনার ভীরু ঘর ফেলে তাই আমি খেয়ালের রাজপথে ছুটে যাই ভেবোনা ভেবোনা বেশি তো নেবনা সোহাগিনী হয়ে এসো লীলা বিহারিণী ।। *** গান – লাজবতী নুপুরের রিনি ঝিনি ঝিনি লিরিক্স – পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়

সুরের আসর থেকে মন নিয়ে এসেছি গো

শিল্পী: পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় ছবি: মুক্তিস্নান গীতিকার: পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় সুরকার: রাজেন সরকার সুরের আসর থেকে মন নিয়ে এসেছি গো ফুলের বাসরঘরে ( বন্ধু )— পার তো ধরো না মোরে বাঁধো না মালার ডোরে । বন্ধু, আমি ওগো এসেছি ।। গানের আগুনজ্বালা নয়নতারা দেখে দেখে চোখ আপনহারা — তার কাছে এলে অবাক নয়ন মেলে শুধুই কাজল পরে || সুরের সাধনা নিয়ে যার দিন যায় জানি না আসন তার পাতবে কোথায় | এ মনে মাধবী রাত খেয়ালে গড়া আকাশে হাজার তারা রঙেতে ভরা— তার কাছে এলে শান্ত প্রদীপ জ্বেলে আঁচলে আড়াল করে || *** লিরিক্স – পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়

কতদিন পরে এলে একটু বসো

শিল্পী: পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় গীতিকার: পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় সুরকার: হেমন্ত মুখোপাধ্যায় কতদিন পরে এলে, একটু বসো । তোমায় অনেক কথা বলার ছিল যদি শোন ।। আকাশে বৃষ্টি আসুক গাছেরা উঠুক কেঁপে ঝড়ে সেই ঝড় একটু উঠূক তোমার মনের ঘরে । বহুদিন এমন কথা বলার ছুটি পায়নি যেন ।। জীবনের যে পথ আমার ছিল গো তোমার ছায়ায় আঁকা সেই পথ তেমনি আছে সবুজ ঘাসে ঢাকা । চেনা গান বাজলো যদি বেজেই আবার থামবে কেন ।। *** কতোদিন পরে এলে একটু বসো লিরিক্স – পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়

ওগো কাজল নয়না হরিণী

শিল্পী: পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় ছবি: মন নিয়ে গীতিকার: পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় সুরকার: হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এই সুন্দর পৃথিবীতে যেখানে যা কিছু আছে সুন্দর এসো না সবাই, কিছু উপহার দিতে । ওগো কাজল নয়না হরিণী, তুমি দাও না ও দু’টি আঁখি ওগো গোলাপ পাপড়ি মেলো না তার অধরে তোমাকে রাখি ।। ওগো কাঞ্চনবর্ণা চম্পক মঞ্জরী করো তাকে চম্পকবর্ণা এসো উচ্ছল ঝর্ণা অকারণ উল্লাসে হাসি হয়ে তার ঝরে’ পড়্ না । ওগো নিবিড় পুঞ্জ মেঘ দিগন্ত হতে এসো মেঘমালা কুন্তল ললনা এসো অপরূপ চন্দ্রিমা পূর্ণিমা জোছনা ঝর না আননে তার ঝর্ না । ওগো ময়ূর পেখম তোলো না তার লজ্জা তোমাতে ঢাকি ।। ওগো কুঞ্জ কোকিল এসো পঞ্চম সুর দিয়ে কোকিলকণ্ঠী তাকে কর্ না এসো অশান্ত সমীরণ দাও দোল দাও ছন্দে ছন্দে তাকে ধর্ না । ওগো যৌবনবন্যা লীলায়িত রঙ্গে কানায় কানায় তাকে ভর্ না এসো অনন্ত জগতের যত রূপ লাবণি তার রূপে সাধ করে মর্ না । এসো আমার মনের মাধুরী তার স্বপ্ন তোমাতে আঁকি ।। *** গান – ওগো কাজল নয়না হরিণী লিরিক্স – পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়

কত রাগিণীর ভুল ভাঙাতে

শিল্পী: পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় গীতিকার: পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় সুরকার: হেমন্ত মুখোপাধ্যায় কত রাগিণীর ভুল ভাঙাতে বাঁশি ভরে গেছে আঘাতে, প্রজাপতি পেল যে ব্যথা কাঁটাবনে ফুল জাগাতে || তবু সুখ, তাতেই ভরেছে মোর বুক । দীপের গরব বাড়িয়ে কত শিখা গেছে হারিয়ে, কত মেঘ ঝরে গেছে গো আকাশে নীলাভা লাগাতে || তুফান তোমার সাগরে তবু মোর হিয়া ডুব দিল যে তোমার মনের অতলে ঝিনুকে মুকুতা ছিল যে | হয়তো বা ফেরা হবে না কূলের ঠিকানা রবে না, আলেয়া জেনেও যাবো গো সে আলোর জয় জানাতে || *** গান – কত রাগিণীর ভুল ভাঙাতে লিরিক্স – পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়

খিড়কি থেকে সিংহদুয়ার, এই তোমাদের পৃথিবী

শিল্পী: পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় ছবি: স্ত্রী গীতিকার: পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় সুরকার: চিকেতা ঘোষ খিড়কি থেকে সিংহদুয়ার, এই তোমাদের পৃথিবী– এর বাইরে জগত আছে, তোমরা মানো না; তোমাদের কোন্ টা হাসি কোন্ টা ব্যথা, কোন্ টা প্রলাপ কোন্ টা কথা– তোমরা নিজেই জানো না || তোমরা পায়রা ওড়াও, বাজি পোড়াও, কপালে আগুন দিয়ে মনও পোড়াও | তোমাদের কোন্ টা বাসর, কোন্ টা হারেম, কোন্ টা নেশা, কোন্ টা যে প্রেম– তোমরা নিজেই জানো না || জানলার ঝিলমিলিটার পাখি তুলে তোমরা তাকাও শুধু চোখের ভুলে | তোমাদের কোন্ টা আসল কোন্ টা নকল, কোন্ টা শুধু জবর দখল– তোমরা নিজেই জানো না || *** গান – খিড়কি থেকে সিংহদুয়ার, এই তোমাদের পৃথিবী লিরিক্স – পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়

আমার গানের স্বরলিপি লেখা রবে

শিল্পী: হেমন্ত মুখোপাধ্যায় গীতিকার: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার সুরকার: নচিকেতা ঘোষ আমার গানের স্বরলিপি লেখা রবে পান্থ পাখীর কূজন কাকলী ঘিরে আগামী পৃথিবী কান পেতে তুমি শুনো আমি যদি আর নাই আসি হেথা ফিরে অশথের ছায়ে মাঠের প্রান্তে দূরে রাখালী বাঁশীর বেজে বেজে ওঠা সুরে আমার এ গান খুজো তুমি তারই মীড়ে! ঝরাপাতাদের মর্মর ধ্বনি মাঝে কান পেতে শুনো অশ্রুর সুরে মোর এই গান বাজে। পরাগ ঝরানো স্বপ্ন ভরানো বনে যেথায় সুর তোলে মনে মনে আমার এ গান খুঁজো তুমি তারই মীড়ে। ———–

ধিন কেটে ধিন ধিন কেটে ধিন বাজে ঝড়ের ঢাক

শিল্পী: হেমন্ত মুখোপাধ্যায় গীতিকার: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার সুরকার: নচিকেতা ঘোষ ধিন কেটে ধিন ধিন কেটে ধিন বাজে ঝড়ের ঢাক। তার সাথে ঐ কঁসি বাজায় ঝি ঝি পোকার ডাক। বিদ্যুৎ বৌ মুচকি হাসে মেঘ চিকেরই ফাঁকে। আর কবির লড়াই চলছে যে ঐ কে বা হারায় কাকে। এক পক্ষে বজ্র কবি আর তার পাল্লা অলির ঝাঁক। শুনহে সব কইল হেঁকে বজ্র কবিয়াল। সবল যে গো তাহারই হয় জয় যে চিরকাল। এই না শুনে মক্ষিরাণী পাল্টা জবাব দেয় তাই তো শেষে পায় না পানি তোমার তাহার হাল। ফের কেন আর বড়াই করো, ঢের হয়েছে থাক।। বজ্র বলে থাকবে কেন প্রমাণ যদি চাও। শাস্ত্ৰ পুরাণ সমান আমার বচন শুনে যাও। সবল আমি আমার কাছে কেউ ভেড়ে না তাই এই দেখনা হাতে হাতেই প্রমাণ দিয়ে যাই। এই না শুনে শ্রোতারা সব হল হতবাক।। এবার যে গো জবাবে ঐ মক্ষিরাণী কয় জ্ঞানের কথা বেশ বলেছ বাবু মহাশয়। তোমার হাঁকে মাটি কাপে ফুল ও পাতা ঝরে। আমার গানের মিষ্টি সুরে স্বপ্নে তারা ভবে। তোমার অমাব মধ্যিখানে এইটুকু যা ফাঁক।। ———–

যতদিন তারা জ্বলিবে সুদূর নভে

শিল্পী: হেমন্ত মুখোপাধ্যায় গীতিকার: অনুপম ঘটক সুরকার: অনুপম ঘটক যতদিন তারা জ্বলিবে সুদূর নভে ‘আমি যে তোমারই ওগো’। যতদিন পাখী গানে মুখরিত হবে আমি ত’ তোমারই ওগো।। জীবনের এই সুরভরা লিপিখানি এ ভুবন হতে মুছে যাবে তাও জানি তার শেষের পাতায় এই শুধু লেখা রবে ‘আমি যে তোমারই ওগো’। প্রেমের শপথ যে কথা লিখিল মরমের শতদলে তাই দিয়ে যেন এই মালাখানি পরাই তোমারই গলে এ জীবন যেন পেয়েছি তোমার লাগি তোমারই এ তুমি আজো আছ তাই জাগি একবার কিগো এইটুকু মোরে কবে আমি যে তোমাই ওগো।। ——–

যবে শেষের প্রহরে হারানোর সুরে ফুল পল্লব ধরবে

শিল্পী: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার সুরকার: হেমন্ত মুখোপাধ্যায় যবে শেষের প্রহরে হারানোর সুরে ফুল পল্লব ধরবে। জানি তোমার আমার এই পরিচয়ে আড়াল তখন পড়বে।। সংশয় ভরা কত সে দ্বন্দ্ব ভারে যে প্রেম হারালো নিবিড় অন্ধকারে তারই মাঝে কি গো তবুও তোমার হৃদয়ের দীপ ধরবে। আমি যে তোমার জীবন পথের। কিছু প্রহরের সাথী। এ কথা কি কভু মনে হবে বল। ঝরা ফুলে মালা গাঁথি। মরমী অলির চরণ চিহ্ন বয়ে যে ফুলের দল যায় গো ছিন্ন হয়ে বল তারই নামে হাসি কুড়ায়ে কি আর মিলন বাসর গড়বে। —————