পোস্টগুলি

ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ও তুই ঘুমের ঘোরে থাকবি কত আর

শিল্পী: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ছবি: বাদশা গীতিকার: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার সুরকার: হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও তুই ঘুমের ঘোরে থাকবি কত আর চেয়ে দেখ্ ভোরের আলোয় নেই সে অন্ধকার ।। চেয়ে তুই দেখিস যদি তেমন করে ভগবানের পৃথিবীতে নয় তো কিছুই মন্দ ওরে । তোর যে মনেতে ফোটে রে ফুল কবে বল্ খবর নিবি তার ।। দু’চোখে লুটে নে রে এই যে আলো মুছে যাক এই প্রভাতের যত তোর পাপের কালো । আপনারে নে চিনে তুই খুলে দে প্রাণের বন্ধ দ্বার ।। *** গান – ও তুই ঘুমের ঘোরে থাকবি কত আর লিরিক্স – গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার

চামেলি মেলো না আঁখি

শিল্পী: ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য গীতিকার: পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় সুরকার: রতু মুখোপাধ্যায় চামেলি মেলো না আঁখি, চাঁদিনী কেন মিছে মায়া রাখো আসেনি তো সে প্রিয় কুঞ্জবনে কোকিলা কেন কুহু কুহু ডাকো ।। প্রেমের প্রথম উচ্ছলতায় সলাজ নত মুখে ধরা দিল তায়— সে লাজ ভেঙো নাকো, মিনতি রাখো ।। ভালো লাগে তার দু’টি কথা নয়নে দিল মনের বারতা । সে নয়ন ওঠে যে ছলছলি মন কেঁদে বলে শোনো গো কলি– সুরভি দিয়ে কেন মধুপে ডাকো ।। *** গান – চামেলি মেলো না আঁখি লিরিক্স – পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়

আমি চেয়েছি তোমায় সেকি মোর অপরাধ

শিল্পী: ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য গীতিকার: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার সুরকার: সতীনাথ মুখোপাধ্যায় আমি চেয়েছি তোমায়– সেকি মোর অপরাধ শুধু এ জীবনে নয়, এ যেন আমার, কত জনমের সাধ। নেভা দীপ সম, নিজেরে লুকায়ে রাখি দূরে দূরে সরে থাকি। পাছে মোর কাছে এলে, কেউ যদি বলে তুমি কলঙ্কী চাঁদ। সূর্যের পানে, চেয়ে চেয়ে ভরে, সূর্যমুখীর বুক। তাইতো তোমায়, দূর হতে দেখি, সেই যে আমার সুখ। কি যে ব্যথা মোর,সে শুধু আমি জানি, হার তবু নাহি মানি। পথ চাওয়া মোর, নয়ন নিমেষে নামেনা তো অবসাদ। ———

বিদায় নিতে কি এলে মিলনের মালা দিও না ধুলিতে ফেলে

শিল্পী: ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য গীতিকার: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার সুরকার: সতীনাথ মুখোপাধ্যায় বিদায় নিতে কি এলে মিলনের মালা দিও না ধুলিতে ফেলে। তবু কোনদিন ভাবিনি তো হায় ফুরাবে যে সব খেলা আলো নেবে যার কাছে গেনু সে তো আলেয়ার অবহেলা। ভ্রমর শুধু যে চিরদিন ফুলের গন্ধ খোঁজে সে ফুল যখন ঝরে যায় তার অভিমনি সেকি বোঝে। এই আলো হাসি ক্ষণিকের মায়া বুঝিনি কখনো আগে প্রিয় হয় পর জানি তারে যবে ভাল আর নাহি লাগে। ———–

আমি আঙুল কাটিয়া কলম বানাই, চক্ষের জলে কালি

শিল্পী: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার আমি আঙুল কাটিয়া কলম বানাই, চক্ষের জলে কালি আর পাঁজর ছিঁড়িয়া লিখি এই কথা, পিরীতি যে চোরাবালি।। দীর্ঘশ্বাস যে কাগজ বন্ধু, দুঃখ আখর তারই মাথার কিরা, সে লিখনের ভাষা আমি লিখিতে পারি সে ভাব বুঝিতে, সে ভাষা পড়িতে মোর বঁধুয়াই জানে খালি।। হায় হেন কেন মোর নাই রে, সবাই মুখ্যু আমারে কয় তোমরাই বল, বল গো, এই পত্র লিখিতে বিদ্যা শিখিতে পুঁথি কি পড়িতে হয় ? বিরহ যে তার শিরোনামা, ওগো জানি না বঁধুর নাম তাই যে গো হায়, পারি না লিখিতে কি তার ঠিকানা ধাম সে যদি না পড়ে এই প্রান লিখন, বিধি, চিতায় দাও গো জ্বালি।। —————- কথা- গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার সুর- নচিকেতা ঘোষ ছবি- নবজন্ম (১৯৫৬)

বাসরের দীপ আর আকাশের তারাগুলি

শিল্পী: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার গীতিকার: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার সুরকার: প্রফুল্ল ভট্টাচার্য বাসরের দীপ আর আকাশের তারাগুলি, নিবিড় নিশীথে জেগে জ্বলবে মনে হয় তাকে দেখে শরমের ব্যথাগুলি আমায় মনের কিছু বলবে ।। হৃদয় গহন হতে স্বপন কুড়ায়ে লয়ে সুরের খেয়ালী জাল বুনবো, তোমার গোপন কথা শুনবো মুখে রবে হাসি আর, চোখে চোখে চেয়ে শুধু মন দেওয়া নেওয়া আজ চলবে ।। হয়তো ব্যাকুল হয়ে বাতাসের বাঁশীখানি সেইক্ষণে কত সুর ধরবে তাই শুনে বনছায় না ফোটার বেদনায় কত ফুল ঝুলিতে যে ধরবে । এত যে জেনেছি আমি, মনে হয় আরও যেন কত যে নিবিড় করে জানবো, তোমায় আপন বলে মানবো তবুও কি অকারণে মিলনেরই ফুলমালা অবহেলা ভরে তুমি দলবে ।। * গান – বাসরের দীপ আর আকাশের তারাগুলি লিরিক্স – গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার