Posts

আমি মুখ্যু-সুখ্যু মানুষ

আমি   মুখ্যু – সুখ্যু   মানুষ কথা ,  সুর   ও   কণ্ঠ :  নচিকেতা অ্যালবাম :  মুখোমুখি  ( ২০০৩ ) আমি   মুখ্যু – সুখ্যু   মানুষ   বাবু কিছুই   জানি   না। এই   এদেশের   রঙ   তামাশা   কিছুই   বুঝি   না। আজকে   যিনি   দক্ষিণেতে   কালকে   তিনি   বামের আজকে   যিনি   তেরঙ্গাতে   কাল   ভক্ত   রামের। কে   যে   কখন   কার   পেছনে বুঝি   না   কে   খাঁটি আসলে   সবাই   সবার   পেছনেতে সবার   হাতেই   কাঠি ! কথায়   কথায়   ধর্মঘট   আর   সবাই   ধর্মঘটি অধার্মিকের   ধর্মজ্ঞানে ,  স্লোগান   আর   স্লোগানে – গোলক   ধাঁধায়   ঘুরে   আমার   হারিয়ে   গেছে   ঘটি ! মন্ত্রীরা   সব   হারামজাদা আস্ত   বদের   ধাড়ি ,  তুড়ুক   নাচে ,  মন্ত্রিসভা   এখন   বাঈজী   বাড়ি। আজকে ...

আমি মুখ্যু-সুখ্যু মানুষ

আমি   মুখ্যু - সুখ্যু   মানুষ কথা ,  সুর   ও   কণ্ঠ :  নচিকেতা অ্যালবাম :  মুখোমুখি  ( ২০০৩ ) আমি   মুখ্যু - সুখ্যু   মানুষ   বাবু কিছুই   জানি   না। এই   এদেশের   রঙ   তামাশা   কিছুই   বুঝি   না। আজকে   যিনি   দক্ষিণেতে   কালকে   তিনি   বামের আজকে   যিনি   তেরঙ্গাতে   কাল   ভক্ত   রামের। কে   যে   কখন   কার   পেছনে বুঝি   না   কে   খাঁটি আসলে   সবাই   সবার   পেছনেতে সবার   হাতেই   কাঠি ! কথায়   কথায়   ধর্মঘট   আর   সবাই   ধর্মঘটি অধার্মিকের   ধর্মজ্ঞানে ,  স্লোগান   আর   স্লোগানে - গোলক   ধাঁধায়   ঘুরে   আমার   হারিয়ে   গেছে   ঘটি ! মন্ত্রীরা   সব   হারামজাদা আস্ত   বদের   ধাড়ি ,  তুড়ুক   নাচে ,  মন্ত্রিসভা   এখন   বাঈজী ...

আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া

কতটুকু অশ্রু গড়ালে হৃদয় জলে সিক্ত কত প্রদীপ শিখা জ্বালালেই জীবন আলোয় উদ্দীপ্ত কত ব্যথা বুকে চাপালেই তাকে বলি আমি ধৈর্য নির্মমতা কতদূর হলে জাতি হবে নির্লজ্জ আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার বুকের ব্যথা বুকে চাপায়ে নিজেকে দিয়েছি ধিক্কার আজও কানে ভাসে সেই কথাগুলো কে জানে যে হবে শেষ কথা নিয়তির ডাকে দিলি যে সাড়া ফেলে গেলি শুধু নীরবতা যার চলে যায় সেই বোঝে যে হায় বিচ্ছেদে কি যন্ত্রণা যার চলে যায় সেই বোঝে যে হায় বিচ্ছেদে কি যন্ত্রণা অবুঝ শিশুর অবুঝ প্রশ্ন কি দিয়ে দেব সান্ত্বনা বিধাতা তোমারে ডাকি বারেবারে কর তুমি মোরে মার্জনা দুঃখ সইতে দাও গো শক্তি তোমারি সকাশে প্রার্থনা চাহিনা সহিতে আমার মাটিতে মজলুমেরই আর্তনাদ চাহিনা সহিতে আমার মাটিতে মজলুমেরই আর্তনাদ বিষাদ অনলে পুড়ে বারেবারে লুণ্ঠিত হবে স্বপ্নসাধ আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার বুকের ব্যথা বুকে চাপায়ে নিজেকে দিয়েছি ধিক্কার

আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া

কতটুকু অশ্রু গড়ালে হৃদয় জলে সিক্ত কত প্রদীপ শিখা জ্বালালেই জীবন আলোয় উদ্দীপ্ত কত ব্যথা বুকে চাপালেই তাকে বলি আমি ধৈর্য নির্মমতা কতদূর হলে জাতি হবে নির্লজ্জ আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার বুকের ব্যথা বুকে চাপায়ে নিজেকে দিয়েছি ধিক্কার আজও কানে ভাসে সেই কথাগুলো কে জানে যে হবে শেষ কথা নিয়তির ডাকে দিলি যে সাড়া ফেলে গেলি শুধু নীরবতা যার চলে যায় সেই বোঝে যে হায় বিচ্ছেদে কি যন্ত্রণা যার চলে যায় সেই বোঝে যে হায় বিচ্ছেদে কি যন্ত্রণা অবুঝ শিশুর অবুঝ প্রশ্ন কি দিয়ে দেব সান্ত্বনা বিধাতা তোমারে ডাকি বারেবারে কর তুমি মোরে মার্জনা দুঃখ সইতে দাও গো শক্তি তোমারি সকাশে প্রার্থনা চাহিনা সহিতে আমার মাটিতে মজলুমেরই আর্তনাদ চাহিনা সহিতে আমার মাটিতে মজলুমেরই আর্তনাদ বিষাদ অনলে পুড়ে বারেবারে লুণ্ঠিত হবে স্বপ্নসাধ আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার বুকের ব্যথা বুকে চাপায়ে নিজেকে দিয়েছি ধিক্কার

সুন্দর হবো

একদিন কোনো অন্ধ ভিখিরী তার এক হাত ধরে ব্যস্ত সড়ক পার করে দেব একটু সময় করে আমি সুন্দর হবো সুন্দর হবো একটু একটু করে নেবো এই পৃথিবীর সব সুন্দর আমার দু’চোখ ভরে আমি সুন্দর হবো সুন্দর হবো একটু একটু করে আজ জগতের যত যন্ত্রণা দিয়ে হৃদয় সাজাবো তোরে জেনো গোলাপ কাঁটার চুম্বনে এই অধরে ফুটবে রক্ত আমি ঝরাপাতা দিয়ে মালা গেঁথে কবো আমি যে তোমারই ভক্ত আমি ফুলের মতন কুঁড়িয়ে তুলবো আবর্জনার স্তুপ দেখে চম্কে যাব না দগ্ধ কারোর ঝল্সানো পোড়া মুখ আমি সুন্দর হবো সুন্দর হবো একটু একটু করে আমি অসুন্দরকে আমার আদরে পাল্টাবো সুন্দরে যত নিয়তির ভুল শুদ্ধ করবো মানুষ হবার জোরে কোন পথের ধারের নেড়ী কুকুরের কদাকার শরীরে পশম ঝরানো পুঁজ-ভরা ক্ষতে বুলাবো হাত আদরে আমি জানিনা কেন যে মানুষ এখনো আপন করেনি তোরে আমি মানুষের হয়ে ক্ষমা চেয়ে নেবো দু’টো হাত জড়ো করে জানি কোন বৃদ্ধের বহুবার বলা গল্পটা একঘেয়ে আমি আবার শুনবো বহুবার শোনা গল্পটা মন দিয়ে কোন অচেনা শিশুর ধুলোমাখা চুলে আঙ্গুলে কাটবো সিঁথি আমি আমার ব্যাথায় পুড়িয়ে ফেলবো তোমার ব্যাথার স্মৃতি আমি সুন্দর হবো সুন্দর হবো একটু একটু করে আমি তোমার আঁধার আমার আলোয় দেবো ঝল্...

সুন্দর হবো

একদিন কোনো অন্ধ ভিখিরী তার এক হাত ধরে ব্যস্ত সড়ক পার করে দেব একটু সময় করে আমি সুন্দর হবো সুন্দর হবো একটু একটু করে নেবো এই পৃথিবীর সব সুন্দর আমার দু’চোখ ভরে আমি সুন্দর হবো সুন্দর হবো একটু একটু করে আজ জগতের যত যন্ত্রণা দিয়ে হৃদয় সাজাবো তোরে জেনো গোলাপ কাঁটার চুম্বনে এই অধরে ফুটবে রক্ত আমি ঝরাপাতা দিয়ে মালা গেঁথে কবো আমি যে তোমারই ভক্ত আমি ফুলের মতন কুঁড়িয়ে তুলবো আবর্জনার স্তুপ দেখে চম্কে যাব না দগ্ধ কারোর ঝল্সানো পোড়া মুখ আমি সুন্দর হবো সুন্দর হবো একটু একটু করে আমি অসুন্দরকে আমার আদরে পাল্টাবো সুন্দরে যত নিয়তির ভুল শুদ্ধ করবো মানুষ হবার জোরে কোন পথের ধারের নেড়ী কুকুরের কদাকার শরীরে পশম ঝরানো পুঁজ-ভরা ক্ষতে বুলাবো হাত আদরে আমি জানিনা কেন যে মানুষ এখনো আপন করেনি তোরে আমি মানুষের হয়ে ক্ষমা চেয়ে নেবো দু’টো হাত জড়ো করে জানি কোন বৃদ্ধের বহুবার বলা গল্পটা একঘেয়ে আমি আবার শুনবো বহুবার শোনা গল্পটা মন দিয়ে কোন অচেনা শিশুর ধুলোমাখা চুলে আঙ্গুলে কাটবো সিঁথি আমি আমার ব্যাথায় পুড়িয়ে ফেলবো তোমার ব্যাথার স্মৃতি আমি সুন্দর হবো সুন্দর হবো একটু ...

আমিই বাংলাদেশ

Image
শিল্পী : সায়ান গীতিকার : সায়ান ধরণ : বিবিধ অ্যালবাম : সায়ানের গান সুরকার : সায়ান প্রথম প্রকাশ : 2001 কি করেছে তোমার বাবা, কি করেছে স্বামী গল্প সেসব তোমার চেয়ে কম জানিনা আমি তোমার যত কীর্তিকলাপ সেও তো আছে জানা ইচ্ছে করেই মুখ খুলি না, বলতে ওসব মানা স্বামী বাবার নাম ভাঙিয়ে আর কতকাল খাবে এবার ওদের ঘুমোতে দাও, আত্মা শান্তি পাবে তাঁদের প্রতি আমার সকল শ্রদ্ধা রেখে বলি খুব বেশী দিন আমার চোখে যায় না দেয়া ধূলি আমার মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খাওয়ার দিন তো শেষ নাম আমার জনগণ, আমি’ই বাংলাদেশ বৃক্ষের নাম দিয়ে কি? ফলেই পরিচয় রাজারা মিছেই কেবল কথার খৈ ফোটায় কেবলই নিজের গীতে বিভোর হয়ে রয় দেবতা ফেরেশতা সব, ভুল কি তাদের হয়? অপরের নিন্দা করেই ভাঙলে কেবল গলা নির্বাচনের আগে তোমার শতেক ছলাকলা কখনো শান্তি-প্রীতি, কখনো বিক্ষোভ আসলে তো জানি সবই সিংহাসনের লোভ আমায় দেখে ভাবছো বুঝি বুদ্ধু-বোকা-সোজা সময়ে টের পাবে ঠিক আসলে কে রাজা তোমার ওই মনটা বড় বড্ড বেশী ভুলো তোমার ওই ইশ্তেহারে কি কি যেন ছিলো যদি দেখি হাতের আঙুল, ভুলে তাদের কাজ দিনে দিনে ফুলে ফেঁপে হচ্ছে কলাগাছ যদিও তোমার চোখের চশমাটা রঙীন চোরেদের দশদিন...